বিশ্বজুড়ে অগণিত ভক্ত-দর্শকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ১১ জুলাই পর্দায় আসছে নতুন ‘সুপারম্যান’। বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য সুখবর হলো, আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনেই সিনেমাটি মুক্তি পাবে স্টার সিনেপ্লেক্সে। বহুল কাঙ্খিত এই সিনেমার মুক্তি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে চলছে তুমুল উৎসাহ-উদ্দীপনা। টিজার এবং ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই রয়েছে আলোচনার তুঙ্গে। এটিকে বছরের সবচেয়ে কাঙ্খিত সিনেমা বললেও খুব একটা ভুল হবে না।
এছাড়া একই দিনে স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাচ্ছে মার্শাল আর্ট সুপারস্টার জ্যাকি চ্যানের নতুন সিনেমা ‘কারাতে কিড: লেজেন্ডস’। বিশ্বের অন্য দেশে এরই মধ্যে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাও দর্শকমহলে দারুণ সাড়া জাগিয়েছে।
এবার সুপারম্যান চরিত্রে দেখা যাবে মার্কিন অভিনেতা ডেভিড কোরেন্সওয়েটকে। জেরি সিগেল ও জো শাস্টারের তৈরি এই জনপ্রিয় চরিত্রকে নতুনভাবে পর্দায় নিয়ে আসছেন জেমস গান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব লন্ডনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘নতুন সুপারম্যান শুধু একটি অ্যাকশনধর্মী সুপারহিরো মুভি নয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের মূল আত্মা ও ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি হতে যাচ্ছে।’ জেমস গান বলেন, ‘আমার কাছে ‘সুপারম্যান’ আসলে আমেরিকার গল্প। একজন অভিবাসীর গল্প, যে অন্য কোনো স্থান থেকে এসে এখানে নিজের স্থান খুঁজে নিচ্ছে। কিন্তু মূলত এটি সেই গল্প, যা বলে ‘মানবিকতা একটি মূল্যবান গুণ’ এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা সেটি হারিয়ে ফেলেছি।’
বিশ্বজুড়ে কুংফু কারাতে আর জ্যাকি চ্যান ভক্তের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। মার্শাল আর্ট অ্যাকশন সিনেমার সুপারস্টার জ্যাকি চ্যান আবারও পর্দায় এসেছেন ভক্তদের আকাঙ্খা পূরণে। এবারের সিনেমা ‘কারাতে কিড: লিজেন্ডস’। এটি কারাতে কিড ফ্র্যাঞ্চাইজির একটি নতুন কিস্তি যেখানে জ্যাকি চ্যান মিস্টার হান এবং রাফ মাচ্চিও ড্যানিয়েল লারসোর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।
মুক্তির পর থেকে এখনো পর্যন্ত সিনেমাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় ৪৬ মিলিয়ন ডলার এবং অন্যান্য অঞ্চলে ৪৬ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে, যার ফলে বিশ্বব্যাপী মোট আয় হয়েছে ৯২ মিলিয়ন ডলার।
‘কারাতে কিড: লিজেন্ডস’ মূলত ২০১০ সালের ‘দ্য কারাতে কিড’ সিনেমার একটি সিকুয়াল এবং একইসঙ্গে ‘কোবরা কাই’ টেলিভিশন সিরিজের একটি ধারাবাহিক। জ্যাকি চ্যান এখানে মিস্টার হানের চরিত্রে অভিনয় করছেন, যিনি লি-কে প্রশিক্ষণ দেবেন এবং তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলবেন। এই সিনেমাতে জ্যাকি চ্যান তার নিজের স্টান্টগুলো নিজেই করছেন, যা ৭১ বছর বয়সেও তার ফিটনেস এবং অ্যাকশন দক্ষতা প্রমাণ করে। চলচ্চিত্রটি পুরনো কারাতে কিড ফ্র্যাঞ্চাইজির একটি নতুন দিক উন্মোচন করবে এবং পুরনো ও নতুন প্রজন্মের মধ্যে একটি সংযোগ স্থাপন করবে।