স্পাইডার-ম্যানের উত্তরসূরি গড়ে তুলতে প্রস্তুত টম হল্যান্ড

স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে অভিষেকের পর থেকে টম হল্যান্ড মার্ভেলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তারকা হয়ে উঠেছেন। তার প্রথম একক চলচ্চিত্র ‘স্পাইডার-ম্যান: হোমকামিং’ ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাপী ৮৮ কোটি ডলার আয় করে শক্তিশালী সূচনা করে। এরপর ২০১৯ সালের ‘স্পাইডার-ম্যান: ফার ফ্রম হোম’ আয় করে ১১০ কোটি ডলার এবং ২০২১ সালের ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’ বিশ্বব্যাপী ১৯০ কোটি ডলার আয় করে বিশাল সাফল্য পায়

এম্পায়ার ম্যাগাজিনকে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে টম হল্যান্ড জানিয়েছেন, মার্ভেল ফ্র্যাঞ্চাইজিতে ভবিষ্যতে নতুন ‘স্পাইডার-ম্যান’ হিসেবে যিনি দায়িত্ব নেবেন, সেই অভিনেতাকে ‘পরবর্তী অধ্যায়ের’ জন্য তৈরি করতে আগ্রহী তিনি। খবর ভ্যারাইটি।

টম হল্যান্ড বলেন, ‘মাইলস মোরালেস, স্পাইডার-গোয়েন, স্পাইডার-উম্যান বা অন্য কেউ পরবর্তীতে যে-ই আসুক না কেন আমি তাদের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজির পরবর্তী অধ্যায় গড়ে দেয়ার অংশ হতে চাই। সেটা ঠিক কীভাবে হবে, আমি জানি না। কিন্তু রবার্ট ডাউনি জুনিয়র আমার জন্য যা করেছিলেন যদি সেটা করতে পারি, তাহলে আমি খুবই সন্তুষ্টি নিয়ে এই চরিত্র থেকে বিদায় নিতে পারব।’

হল্যান্ড এখানে রবার্ট ডাউনি জুনিয়র অভিনীত টনি স্টার্কের কথা উল্লেখ করছেন। ২০১৬ সালের ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার’ ছবিতে পিটার পার্কার হিসেবে তিনি টম হল্যান্ডকে মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সে পরিচয় করিয়ে দেন। পরে ২০১৯ সালের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’-এ টনি স্টার্কের চরিত্রের সমাপ্তি ঘটে। অবশ্য ভিলেন ডক্টর ডুম চরিত্রে ডাউনি জুনিয়র ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ ছবিতে শিগগিরই মার্ভেলে ফিরছেন।

স্পাইডার-ম্যান চরিত্রে অভিষেকের পর থেকে টম হল্যান্ড মার্ভেলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তারকা হয়ে উঠেছেন। তার প্রথম একক চলচ্চিত্র ‘স্পাইডার-ম্যান: হোমকামিং’ ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাপী ৮৮ কোটি ডলার আয় করে শক্তিশালী সূচনা করে। এরপর ২০১৯ সালের ‘স্পাইডার-ম্যান: ফার ফ্রম হোম’ আয় করে ১১০ কোটি ডলার এবং ২০২১ সালের ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’ বিশ্বব্যাপী ১৯০ কোটি ডলার আয় করে বিশাল সাফল্য পায়।

সিরিজের পরবর্তী ছবি ‘ব্র্যান্ড নিউ ডে’ আগামী ৩১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে। এটিও বড় ধরনের বক্স অফিস সাফল্য পাওয়ার পথে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি জি-কিউ ম্যাগাজিনকে টম হল্যান্ড জানান, ‘ব্র্যান্ড নিউ ডে’ ছবিতে কিছু অতিরিক্ত দৃশ্য শুট করা হয়েছে। সেসব দৃশ্যকে তিনি ‘চেরি অন দ্য কেক’ বা ছবির ‘অতিরিক্ত সৌন্দর্য’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, আমরা যেসব অংশ শুট করছি, সেগুলো না থাকলেও সিনেমাটি সম্পূর্ণ এবং শক্তিশালীই থাকত। আমরা শুধু কিছু জায়গায় অতিরিক্ত সৌন্দর্য যোগ করছি। কিছু অংশে আরেকটু হাস্যরস যোগ করার চেষ্টা করছি। আমরা ভিলেনের প্লটলাইন নতুনভাবে যুক্ত করছি এবং আরো কিছু মজার বিষয় যোগ করছি।’

আরও