বক্স অফিসে ঝড়

প্রথম দিনে কত আয় ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ সিক্যুয়েলের?

২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ উদ্বোধনী সপ্তাহান্তে আয় করেছিল ২ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। শেষ পর্যন্ত দেশীয় বাজারে আয় দাঁড়ায় ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলারে। স্লিপার হিট সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী ৩২ কোটি ৬০ লাখ ডলার আয় করে

‘আন্দ্রেয়া, অযৌক্তিক আচরণ করো না। সবাই এটা চায়। সবাই আমাদের মতো হতে চায়।’—বিখ্যাত সংলাপটির প্রতিফলন দেখতে যাচ্ছে প্রযোজনা সংস্থা টুয়েন্টিথ সেঞ্চুরি স্টুডিওস। কারণ তাদের নতুন ছবি ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা টু’ উদ্বোধনী দিনে বক্স অফিসে দারুণ দাপট দেখিয়েছে। আর সেই সিনেমার প্রথম পর্বের আইকনিক সংলাপ এটি।

উত্তর আমেরিকার ৪ হাজার ১৫০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ফ্যাশন-ভিত্তিক সিক্যুয়েলটি মুক্তির প্রথম দিনে আয় করেছে ৩ কোটি ২৫ লাখ ডলার। রোববার নাগাদ অর্থাৎ সপ্তাহান্তে সাড়ে ৭ থেকে ৮ কোটি ডলার আয়ের লক্ষ্যে রয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের কেউ কেউ বলছেন, ৯ কোটি ডলারও ছাড়াতে পারে আয়।

২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ উদ্বোধনী সপ্তাহান্তে আয় করেছিল ২ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। শেষ পর্যন্ত দেশীয় বাজারে আয় দাঁড়ায় ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলারে। স্লিপার হিট সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী ৩২ কোটি ৬০ লাখ ডলার আয় করে।

সিক্যুয়েলটি আন্তর্জাতিক বাজারেও বড় সাফল্য পাচ্ছে। শুক্রবার পর্যন্ত আন্তর্জাতিক আয় দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ২১ লাখ ডলার। বিশ্বব্যাপী প্রাথমিক আয় ১১ কোটি ৪০ লাখ ডলার ছাড়িয়েছে। ব্রাজিল ও ইতালিসহ একাধিক দেশে এটি চলতি বছরের যেকোনো সিনেমার মধ্যে সর্বোচ্চ উদ্বোধনী দিনের আয় করেছে।

এবারের পর্বে আবারো ফিরেছেন পরিচালক ডেভিড ফ্র্যাঙ্কেল ও চিত্রনাট্যকার অ্যালাইন ব্রোস ম্যাকেনা। পাশাপাশি অভিনয়ে রয়েছেন মেরিল স্ট্রিপ, অ্যানা হাথাওয়ে, এমিলি ব্লান্ট ও স্ট্যানলি তুসি। গল্পে দেখা যায়, ফ্যাশন সাংবাদিকতার জগতে এখন প্রতিষ্ঠিত মুখ অ্যান্ডি স্যাক্স। ফের তাক দাপুটে সম্পাদক মিরান্ডা প্রিস্টলির মুখোমুখি হতে হলো। এর পর কী ঘটে তা নিয়েই ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা টু’র গল্প।

উত্তর আমেরিকায় গত সপ্তাহে শীর্ষে থাকা ‘মাইকেল’ দ্বিতীয় স্থানে নেমে এসেছে। শুক্রবার আয় করেছে ১ কোটি ৪৪ লাখ ডলার এবং সপ্তাহান্তে আয় ১৮ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। লায়নগেটের সংগীতভিত্তিক বায়োপিকটি এখনো শক্ত অবস্থানে রয়েছে। দ্বিতীয় রোববারে বৈশ্বিক আয় ৪০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এটি ২০১৮ সালের ‘বোহেমিয়ান রাপসোডি’র ৯১ কোটি ডলারের রেকর্ড ছুঁতে পারে কি-না, তা এখন দেখার বিষয়। তবে ছাড়িয়ে যেতে পারে ‘দ্য হাঙ্গার গেমস: ক্যাচিং ফায়ার’-এর ৮৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেকর্ডকে।

বক্স অফিসে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ‘দ্য সুপার মারিও গ্র্যালাক্সি’, যা আয় করেছে ২৭ লাখ ডলার। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে থাকা ‘হকুম’ ও ‘প্রজেক্ট হেইল মারি’ আয় করেছে যথাক্রমে ২৬ লাখ ও ২২ লাখ ডলার।

ভ্যারাইটি ও দ্য হলিউড রিপোর্টার অবলম্বনে

আরও