টাইম ক্যাপসুলে ডলি পার্টনের ‘মাই প্লেস ইন হিস্ট্রি’, মুক্তি পাবে ২০৪৬ সালে

২০১৫ সালে টেনেসির ডলিউডের ড্রিমমোর রিসোর্ট চালুর সময় গানটি লিখে রেকর্ড করেন ডলি পার্টন। এর পর গানটির কপি একটি সিডি ও ক্যাসেটে রেখে তা একটি কাঠের বাক্সে সংরক্ষণ করা হয়। ভবিষ্যতে গানটি শোনার সুবিধার জন্য বাক্সে প্লেব্যাক যন্ত্রও রাখা হয়েছিল

মার্কিন কান্ট্রি মিউজিকের কিংবদন্তি ডলি পার্টন মারা গেলেও তার একটি গান এখনো রয়ে গেছে শ্রোতাদের অজানা। ‘মাই প্লেস ইন হিস্ট্রি’ নামের গানটি একটি টাইম ক্যাপসুলে সংরক্ষিত রয়েছে। ডলির পরিকল্পনা অনুযায়ী, তার শততম জন্মদিনে, ২০৪৬ সালের ১৯ জানুয়ারি এটি প্রকাশ হবে।

২০১৫ সালে টেনেসির ডলিউডের ড্রিমমোর রিসোর্ট চালুর সময় গানটি লিখে রেকর্ড করেন ডলি পার্টন। এর পর গানটির কপি একটি সিডি ও ক্যাসেটে রেখে তা একটি কাঠের বাক্সে সংরক্ষণ করা হয়। ভবিষ্যতে গানটি শোনার সুবিধার জন্য বাক্সে প্লেব্যাক যন্ত্রও রাখা হয়েছিল।

‘ড্রিম বক্স’ নামের বাক্সটি ডলিউডের ড্রিমমোর রিসোর্টে রাখা আছে। বাক্সটির সঙ্গে থাকা ফলকে বলা হয়েছে, এটি ডলির ভবিষ্যতের জন্য রেখে যাওয়া স্মৃতি ও আকাঙ্ক্ষার ভাণ্ডার। সেখানে থাকা গানটিকে ‘শেষ গান’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন তিনি।

২০২২ সালে ‘দ্য কেলি ক্লার্কসন শো’-তে ডলি জানিয়েছিলেন, গানটি সত্যিই রয়েছে। তখন তিনি মজা করে বলেছিলেন, বাক্স খোলার আগেই গানটির রেকর্ড নষ্ট হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা তার ছিল। একই বছর জিমি ফ্যালনের অনুষ্ঠানেও তিনি বলেছিলেন, গানটি খুব ভালো হয়েছে এবং সেটি এত বছর আটকে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছুটা আফসোস হয়।

ডলি পার্টন ২৫ আগস্ট ২০২৬ সালে ৮০ বছর বয়সে ন্যাশভিলে মারা যান। গায়িকার প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ক্যানসারের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত লড়াইয়ের পর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তার মৃত্যুর পরও বেশ কিছু কাজ সামনে আসতে পারে। তবে ‘মাই প্লেস ইন হিস্ট্রি’ শোনার জন্য ভক্তদের অপেক্ষা করতে হবে আরও প্রায় দুই দশক। ডলির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৪৬ সালের ১৯ জানুয়ারি তার ১০০তম জন্মদিনে খুলবে সেই টাইম ক্যাপসুল।

আরও