আমস্টারডামের ভ্যান গগ মিউজিয়ামে যাওয়ার মাসখানেক আগেই আমার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। কারণ শিল্পী গগের শিল্পকর্ম আর ব্যক্তি গগের জীবনাচারণ আমার কাছে বরাবরই আকর্ষণীয়। ভ্যান গগের তুলি, তুলির টান, ইজেল, ক্যানভাস, রঙের ব্যবহার, জীবন ঘিরে দ্বন্দ-পাগলামো, আর্থিক টানাপোড়ন, বন্ধুহীনতা, শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার বিষয়গুলো সম্পর্কে যখনই জানি, গগপাঠ আমার কাছে ততটাই আগ্রহের হয়ে ওঠে।
শুরু হলো ভ্যান গগের ওয়েবসাইট থেকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে তথ্য নেয়া। দেখলাম সাংবাদিক হিসেবে বাড়তি সুবিধা আছে। চিঠি লিখলাম, ফ্রি এন্ট্রির জন্য। অনেক সময় প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড দেখালে ইউরোপের মিউজিয়ামগুলো ফ্রি এন্ট্রি দেয়। ভ্যান গগ বলে কথা! আমি এখানে একবিন্দু ঝুঁকি নিতে চাইনি।
আমি কী নিয়ে কাজ করি, আর্ট নিয়ে আমার বোঝাপড়া কেমন ইত্যাদি লিখে ওদের পাঠানো ই-মেইলের উত্তর দেয়ার পরও কয়েক দফা ভার্চুয়াল চিঠি চালাচালি চলল। এরপর একদিন মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ উত্তর পাঠাল টিকিটের লিংক দিয়ে। আমি চাইলেই আমার পছন্দমতো তারিখ ও সময় ঠিক করে মিউজিয়াম দেখতে যেতে পারি।
শুরু হলো আমার অপেক্ষার পালা। উত্তেজনাও। অনেক আগে একবার আমার এক বন্ধুর কাছে শুনেছিলাম ও নাকি গগের ‘হুইটফিল্ড উইথ ক্রো’ পেইন্টিংয়ের সামনে দাঁড়িয়ে হাউমাউ করে কেঁদেছিল। আমার ঘুরে ফিরে ওই কথাই মনে হতে লাগল। ছবিটি যেন খোদ গগ ও তার আজীবনের সংঘর্ষের প্রতিচ্ছবি। অনেকে বলেন, হলুদ গম খেতের ওপর দিয়ে কালো কাক উড়ে আসার ছবিটা গগের জীবনের শেষ চিত্রকর্ম। তবে শিল্পবোদ্ধারা আজও বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত নন।
ভাই থিওকে (থিওডোরাস ভ্যান গগ) লেখা চিঠি অনুসারে ‘হুইটফিল্ড উইথ ক্রো’ ছবিটি তিনি আঁকা শেষ করেছিলেন ১৮৯০ সালের ১০ জুলাই। নিজের বুকে গুলি করে ভিনসেন্ট মারা যান ওই বছরের ২৯ জুলাই। ডাচ আর্ট হিস্টরিয়ান জেন হালস্কার—যিনি কিনা ভ্যান গগের চিত্রকর্ম নিয়ে গবেষণার জন্য খ্যাত, অবশ্য গম খেতের এ ছবিকে গগের জীবনের শেষ সময়ের কাজ হিসেবেই উল্লেখ করেছেন। অবশ্য ‘ট্রি রুটস’ নামে আরেকটি ছবিকেও অনেকে তার শেষ কাজ হিসেবে উল্লেখ করেন।
নেদারল্যান্ডসের হার্লেম শহর থেকে আমস্টারডামে ভ্যান গগ মিউজিয়ামে পৌঁছতে দুপুর ১২টা পেরিয়ে গেল। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভেতরে ঢুকে মূল গ্যালারির প্রথম তলায় এসে পেলাম ভ্যান গগের আঁকা আত্মপ্রতিকৃতি। একে একে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। কিছু রাখা মোটা কাচের সুরক্ষা দিয়ে, কিছু ছবি দেয়ালে। কাচের সুরক্ষার ভেতরে পেলাম শিল্পীর ব্যবহূত রঙিন ইজেল। প্রিয় হলুদ, কমলা আর নীল রঙ মাখা তাতে। জীবদ্দশায় প্রায় ৩৫টি আত্মপ্রতিকৃতি এঁকেছেন ভিনসেন্ট ভ্যান গগ। এ মিউজিয়ামের সংগ্রহে আছে ১৭টি। আর এ তলায়ই প্রিন্ট করে বিশাল দেয়ালজুড়ে রাখা হয়েছে ১৮৮৭-৮৮ সালের শীতের সময়ে আঁকা ‘সেলফ পোর্ট্রেট উইথ গ্রে ফেল্ট হ্যাট’। ছবিটি তিনি এঁকেছিলেন প্যারিসে বসে।
শিল্পীর এত এত আত্মপ্রতিকৃতি আঁকার পেছনেও রয়েছে গল্প। তিনি যখন প্যারিসে ছিলেন তখন প্রায়ই ছবি আঁকার জন্য মডেল খুঁজে পেতেন না। ছবির মডেল ভাড়া করতে হলে স্বাভাবিকভাবেই তাদের অর্থ দিতে হতো। ভিনসেন্টের ছবি বিক্রি না হওয়া, অর্থ কষ্টে ভোগার আদ্যোপান্ত উল্লেখ রয়েছে থিওর কাছে লেখা চিঠিতে। তাই ছবি আঁকার অনুশীলন করার জন্য আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেই নিজের আত্মপ্রতিকৃতি আঁকতে শুরু করেন।
গগের আঁকা এসব আত্মপ্রতিকৃতি সে সময় বিক্রি হয়নি। তবে প্রতিটি চিত্রকর্মে তুলির ব্যবহার, রঙ, অভিব্যক্তি, ক্যানভাসের আকার সবই একটি অন্যটি থেকে ভিন্ন। কখনো মুখে পাইপ নিয়ে ছবি এঁকেছেন, কখনো তার বিখ্যাত টুপি পরে নিয়েছেন। ১৮৮৬ সালের দিকে প্যারিসে অবস্থানকালেই মূলত এসব আত্মপ্রতিকৃতি আঁকতে শুরু করেন ভিনসেন্ট। প্যারিস থেকে তিনি যখন নেদারল্যান্ডসে ফিরে আসেন, আত্মপ্রতিকৃতিগুলোকে সঙ্গে করেই নিয়ে এসেছিলেন। তাই শিল্পবোদ্ধারাও মনে করেন, আত্মপ্রতিকৃতিগুলো তিনি তার অনুশীলনের অংশ হিসেবেই এঁকেছেন। তবে নিজের আঁকা আত্মপ্রতিকৃতির চেয়ে সমসাময়িক অস্ট্রেলিয়ান শিল্পী জন পিটার রাসেলের তেল রঙে আঁকা ‘পোর্ট্রেট অব ভিনসেন্ট ভ্যান গগ’ চিত্রকর্মটি বেশি পছন্দ ছিল তার। থিওকে এ নিয়ে চিঠিও লিখেছিলেন। সেখানে লিখেছেন, ‘আমাকে আঁকা পিটারের ছবিটির যত্ন নিও। ছবিটি কিন্তু আমার কাছে মহামূল্যবান।’
ভ্যান গগ জাদুঘরটি দুটি ভবন নিয়ে গঠিত। রিটভেল্ড বিল্ডিং ও কুরোকাওয়া উইং। এ শিল্পীর চিত্রকর্মের সংগ্রহ রয়েছে মূলত চার তলাবিশিষ্ট রিটভেল্ডে। নিচের তলায় দোকান, ক্যাফে আর প্রদর্শনী সম্পর্কিত খুঁটিনাটি তথ্য রাখা আছে। এখান থেকেই অডিও ডিভাইস সংগ্রহ করলাম। কানে হেডফোন লাগিয়ে এক একটি ছবির সামনে দাঁড়িয়ে কোড স্ক্যান করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওই ছবি সম্পর্কে সব তথ্য শোনা যায়। প্রথম তলায় ভিনসেন্টের চিত্রকর্মের সঙ্গে বিশেষ করে তার আত্মপ্রতিকৃতিগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে আঁকা আরো কিছু ছবির সংগ্রহও দেখা যায়। দ্বিতীয় তলার বিভিন্ন চিত্রকর্মের পাশাপাশি ছোট অস্থায়ী প্রদর্শনীর জন্য একটি জায়গা রয়েছে। তৃতীয় তলায় ভিনসেন্টের ছবির পাশাপাশি রয়েছে তার সমসাময়িকদের আঁকা চিত্রকর্মও। এ শিল্পীর জীবনকে পাঁচটি পর্বে ভাগ করে তার চিত্রকর্মগুলোকে সাজানো হয়েছে। শুরুটা হয়েছে তার জন্মস্থান নেদারল্যান্ডস থেকে। এরপর প্যারিস, আর্লস, সেন্ট রেমি ও অভার্সে অবস্থানকালীন সময়ের ছবি।
গগের প্যারিসে থাকার সময়ের ছবিগুলো খুঁজছিলাম। জাপানের প্রিন্ট মেকিং এ সময়ে তার ছবি আঁকার অনুপ্রেরণার অন্যতম উত্স হিসেবে কাজ করেছে। পাশাপাশি তিনি ক্রমেই জাপানি প্রিন্টের একজন উত্সাহী সংগ্রাহকও হয়ে ওঠেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে জাপানি আর্ট ইউরোপে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হলেও গগ প্রথমে সেদিকে খুব একটা মনোযোগ দেননি। তাছাড়া তখন জাপানের চিত্রকর্ম সম্পর্কে পড়াশোনা করেছেন নেদারল্যান্ডসে এমন শিল্পীর সংখ্যাও ছিল কম। তবে প্যারিসে ততদিনে প্রাচ্যের শিল্প নিয়ে বেশ উন্মাদনা তৈরি হয়ে গেছে। গগও তখন নিজের শিল্পকর্মকে নতুনত্বের স্পর্শ দিতে চাইলেন। তিনি তার স্টুডিও পর্যন্ত সাজিয়েছিলেন জাপানের প্রিন্ট দিয়ে। ভাই থিওকে লেখা এক চিঠিতে গগ জানান, ‘স্টুডিওটা এখন আমার কাছে খানিকটা সহনীয় লাগছে, কারণ আমি এর দেয়ালে কয়েকটি জাপানি প্রিন্ট লাগিয়েছি’ (২৮ নভেম্বর, ১৮৮৫)।
১৮৮৬ সালের শুরুতে প্যারিসে থিওর কাছে থাকতে আসেন ভিনসেন্ট। দুই ভাই মিলে জাপানি প্রিন্টের একটি বড় সংগ্রহও তৈরি করেন। তাদের চিঠিতে প্রায় শ’খানেক জাপানি প্রিন্টের সংগ্রহের কথা জানা যায়। তবে প্যারিসের হইচই কোলাহলে হাঁপিয়ে ওঠেন গগ। বছর দুই পর অর্থাত্ ১৮৮৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ ফ্রান্সের আর্লসে চলে যান নীরবতা আর শান্তির পাশাপাশি ওরিয়েন্টাল প্রিন্টের জন্য জুতসই রঙের সন্ধানে। তার ধারণা ছিল আর্লসের বাতাসে বিশুদ্ধতা আর স্বচ্ছ প্রকৃতিতে তিনি এসব রঙের দেখা পাবেন। সমকালীন ফরাসি শিল্পী পল গগ্যাঁর কাছে চিঠি লিখলেন গগ। এ শিল্পীও জাপানি প্রিন্টের প্রতি আগ্রহী ছিলেন। ভিনসেন্টের মতো তিনিও মনে করতেন যে শিল্পীদের রঙের বৈচিত্র্য খোঁজার জন্য আরো বেশি দক্ষিণে আর্লসের মতো আদি অঞ্চলগুলোর দিকে আসা উচিত।
গগ অনেকটা জাপানি বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের মতো আর্লসে একটি শিল্পী সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠার আশার করেছিলেন, যারা কিনা এক দলে একসঙ্গে কাজ করবে। ‘স্টুডিও অব দ্য সাউথে’ শিল্পীরা একসঙ্গে কাজ করবে, আর থিও প্যারিসে সেসব ছবি বিক্রি করতে পারবে—এমন ভাবনা থেকে ভ্যান গগ প্যালেস ল্যামার্টিনের বিখ্যাত সেই ইয়েলো হাউজের চারটি কক্ষ ভাড়া নেন।
তার আহ্বানে শেষমেশ একমাত্র পল গগ্যাঁই সাড়া দিয়েছিলেন। তবে খুব বেশিদিন দুই শিল্পীর যূথবদ্ধতা কাজ করেনি। গগ্যাঁ ছবি আঁকতেন অনেকটাই কল্পনাশক্তির আশ্রয়ে, মনে করতেন চিত্রকর্ম ঠিক আলোকচিত্রের মতো হুবহু বাস্তবের সবকিছু ধারণ করবে না। এটা সেটা নিয়ে দুজনের বাধা খুনসুটি আর ঝগড়ার সূত্র ধরে কয়েক মাস পর গগ্যাঁ প্যারিসে ফিরে আসেন, যা ছিল গগের জন্য বড় ধাক্কা। এক পর্যায়ে তিনি নিজের কান কেটে ফেলেন। এ শিল্পীর মানসিক অসুস্থতার প্রথম লক্ষণের প্রকাশ পায় এ সময়ে।
‘সেলফ পোর্ট্রেট উইথ ব্যান্ডেজ ইয়ার’ ছবিটি খুঁজতে খুঁজতে মনে পড়ছিল এসব কথা। মিউজিয়াম সহকারী তথ্য দিলেন চিত্রকর্মটি তাদের কাছে নেই, রয়েছে লন্ডনের কোর্টাল্ড গ্যালারিতে। মনঃক্ষুণ্ন আমি এবার জানতে চাইলাম তাহলে ‘আমন্ড ব্লসম’, এটা আছে তো? মিষ্টি হেসে ভদ্র মহিলা উত্তর দিলেন, ‘হ্যাঁ, গগের এ মাস্টার পিসটি আমাদের কাছেই আছে।’
মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে ভ্যান গগ প্যারিসের সেন্ট রেমির সেন্ট-পল অ্যাসাইলামে থেকেছিলেন ১৮৮৯ সালের মে থেকে ১৯৯০ সালের মে পর্যন্ত। অ্যাসাইলাম সেন্ট-রেমি সিরিজ নামে এখানে তার ওই সময়ের আঁকা ছবিগুলো রয়েছে। আমন্ড ব্লসমও এ সময়ের ছবি। ভাই থিও ও তার স্ত্রী জোয়ের সন্তান ভূমিষ্ঠর চিঠি পেয়ে ছবিটি আঁকেন। চিঠিতে থিও লিখেছিলেন, ‘ভিনসেন্ট, তোমাকে যেমনটা বলেছিলাম। আমাদের সন্তানের নাম রেখেছি তোমার নামানুসারে, ভিনসেন্ট উইলিয়াম। আমি প্রার্থনা করি ও যেন তোমার মতো সাহসী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়।’
চিঠির মধ্যে আঁকা এ শিল্পীর স্কেচ বা স্ক্র্যাচেস
আমন্ড ব্লসমের পাশাপাশি দ্য পটেটো ইটারস, দ্য ইয়েলো হাউজ, দ্য বেডরুম আর সান ফ্লাওয়ারসসহ ভাই থিওকে লেখা ভিনসেন্টের অসংখ্য চিঠি রয়েছে এখানে। রয়েছে তার ব্যবহূত তুলি, ব্রাশ, রঙ, চারকোল, নোটবুকও। কানে লাগানো অডিও বলছে, জীবদ্দশায় ভিনসেন্ট দুই হাজারের বেশি চিঠি লিখেছেন। চিঠির মধ্যে তিনি স্কেচজুড়ে দিতেন থিওকে বোঝানোর জন্য যে তিনি এখন কী নিয়ে কাজ করছেন বা কী ছবি আঁকবেন বলে ভাবছেন। তাছাড়া গগ এসব স্কেচকে বলতেন স্ক্র্যাচেস (দাগ)। সব মিলিয়ে চিঠির মধ্যে প্রায় ২০০টি স্ক্র্যাচেস এঁকেছেন তিনি। বিশ্বখ্যাত এ ডাচ শিল্পীর (১৮৫৩-৯০) প্রায় ২০০ পেইন্টিং, ৫০০ ড্রইং, ৮০০ চিঠি এবং তার সমসাময়িকদের আঁকা ছবির বিশাল এক সংগ্রহ ভ্যান গগ মিউজিয়াম। এমনকি যারা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তাদের জন্য ভ্যান গগের কিছু চিত্রকর্ম ছুয়ে দেখা, রঙতুলির গন্ধ নেয়ার পাশাপাশি ফিলিং ভ্যান গগ নামে ইন্টার অ্যাকটিভ প্রোগ্রাম রয়েছে।
মিউজিয়ামের এক অংশে ভিনসেন্ট ভ্যান গগের জীবনের শেষ দিনগুলোর ঘটনা লেখা আছে। ১৮৯০ সালের ২৭ জুলাই গম খেতে হাঁটতে হাঁটতেই নিজের বুকে গুলি করেন তিনি। এক পর্যায়ে প্রায় টলতে টলতে নিজ কক্ষেও ফিরে আসেন। পরদিন সকালে খবর শুনে প্যারিস থেকে ছুটে আসেন থিও। ততক্ষণ গগ কোমায় চলে গেছেন। ২৯ জুলাই বেলা ১টা ৩০ মিনিটে ভ্যান গগ মৃত্যুবরণ করেন। প্যারিসের পার্শ্ববর্তী গ্রাম অভার্সে গগ গিয়েছিলেন মানসিক প্রশান্তি খুঁজতে, ভাই থিও এবং ডাক্তার গ্যাচেটের পরামর্শে। এখানে এসে তিনি তার জীবনের অন্যতম সেরা যে ছবিগুলো আঁকেন, তার মধ্যে রয়েছে ‘হুইট ফিল্ড উইথ ক্রো’। মিউজিয়াম বন্ধ হওয়ার প্রায় সময় হয়ে গেছে। আমার তখনো হুইট ফিল্ড উইথ ক্রো ছবিটি দেখা হয়নি। ইচ্ছে করেই দেখিনি, ছবিটা সবার শেষে দেখব বলে।
অনেকে বলেন, ‘হুইটফিল্ড উইথ ক্রো’ গগের জীবনের শেষ চিত্রকর্ম
ছবি: দিল আফরোজ জাহান