হলিউড স্টুডিও লায়নসগেট ঘোষণা দিয়েছে, র্যাম্বো ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন প্রিক্যুয়েল ‘জন র্যাম্বো’ মুক্তি পাবে আগামী বছরের ৪ জুন। ডেডলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের মেমোরিয়াল ডে-পরবর্তী সপ্তাহে মুক্তি পেতে যাওয়া সিনেমাটির সামনে থাকবে একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী।
ওই সময় বক্স অফিসে ‘জন র্যাম্পো’র প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হবে শন লেভি পরিচালিত ‘স্টার ওয়ার্স: স্টারফাইটার’, এতে অভিনয় করছেন রায়ান গসলিং। এছাড়া ৪ জুন মুক্তি পাবে প্যারামাউন্ট পিকচার্সের নাম অপ্রকাশিত বড় বাজেটের একটি চলচ্চিত্র।
প্রিক্যুয়েল ‘জন র্যাম্বো’য় তুলে ধরা জন র্যাম্বোর প্রথম জীবনের গল্প। এর টাইমলাইনে থাকবে ১৯৮২ সালের বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘ফার্স্ট ব্লাড’-এর আগের সময়কাল।
এ ছবিতে তরুণ জন র্যাম্বোর চরিত্রে অভিনয় করবেন নোয়া সেন্টিনিও। এর মাধ্যমে বিখ্যাত ব্যান্ডানা ও ৪২০ জে২ স্টেইনলেস স্টিলের ছুরির উত্তরাধিকার গ্রহণ করছেন তিনি, যা দীর্ঘদিন ধরে র্যাম্বো চরিত্রের পরিচিত প্রতীক। র্যাম্বো চরিত্রটিকে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন সিলভেস্টার স্ট্যালোন।
‘জন র্যাম্বো’ পরিচালনা করছেন অ্যাকশন চলচ্চিত্র ‘সিসু’র জন্য পরিচিত ইয়ালমারি হেলান্ডার। এছাড়া নির্বাহী প্রযোজকদের তালিকায় অন্যদের সঙ্গে রয়েছেন সিলভেস্টার স্ট্যালোন। চিত্রনাট্য লিখেছেন রোরি হেইন্স ও সোহরাব নোশিরভানি।
হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাকশন ফ্র্যাঞ্চাইজির র্যাম্বোর কেন্দ্রীয় চরিত্র জন র্যাম্বো। মার্কিন সেনাবাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত র্যাম্বো ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞ যোদ্ধা। ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান, মিয়ানমার ও যুক্তরাষ্ট্রে তার অভিযান নিয়ে সিরিজটি আবর্তিত হয়েছে।
১৯৮২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ফার্স্ট ব্লাড’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি শুরু হয়, যা কানাডীয় লেখক ডেভিড মোরেলের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছিল। পরবর্তীতে র্যাম্বো চরিত্রটি বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি আইকনে পরিণত হয়। অনেক সমালোচক র্যাম্বোকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রতীক হিসেবে দেখেন।
পাঁচটি চলচ্চিত্র মিলিয়ে র্যাম্বো ফ্র্যাঞ্চাইজি বিশ্বব্যাপী ৮১ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বেশি আয় করেছে। হলিউড বক্স অফিসের বাইরে ভিডিও গেম, কমিকস, উপন্যাস এবং জনপ্রিয় সংস্কৃতিতেও র্যাম্বো একটি স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে।