আধুনিক গান থেকে চলচ্চিত্রের গান, বিভিন্ন মাধ্যমে তার কণ্ঠের গান শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সংগীতাঙ্গনে এ পথচলার ১৮ বছর পূর্ণ করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ শিল্পী।
২০০৮ সালের ৩১ আগস্ট ‘চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ’ প্রতিযোগিতায় ফার্স্ট রানারআপ হওয়ার মধ্য দিয়ে ইমরানের সংগীতজীবনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এরপর একের পর এক গান প্রকাশের মধ্য দিয়ে শ্রোতাদের কাছে নিজের অবস্থান তৈরি করেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে অ্যালবামে গান প্রকাশ করলেও পরবর্তী সময়ে আধুনিক গান ও চলচ্চিত্রের গানে নিয়মিত হন ইমরান।
নতুন শিল্পীদের সঙ্গেও নিয়মিত কাজ করছেন এ সংগীতশিল্পী। আগামীতেও নতুনদের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে তার। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে সংগীত সফরে রয়েছেন ইমরান মাহমুদুল।
১৮ বছরের এ দীর্ঘ পথচলায় অসংখ্য গান, মঞ্চ, সাফল্য-ব্যর্থতা ও শ্রোতাদের ভালোবাসার স্মৃতি জমেছে ইমরানের। সংগীত জীবনের এ অধ্যায় নিয়ে ইমরান বলেন, ‘ঠিক ১৮ বছর আগে চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ প্রতিযোগিতায় ফার্স্ট রানারআপ হয়ে মিডিয়ায় আমার আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হয়েছিল। সেদিনের সে ছোট্ট স্বপ্নটা আজ ১৮ বছরের এক বিশাল যাত্রা। এ ১৮ বছরে পেয়েছি অসংখ্য গান, মঞ্চ, সাফল্য, ব্যর্থতা, ভালোবাসা, অভিমান আর হাজারো স্মৃতি। কিন্তু সবচেয়ে বড় পাওয়া শ্রোতা-দর্শকের ভালোবাসা।’
নিজের কাজ ও শ্রোতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘আমি জানি না এ দীর্ঘ সময়ে কতটা ভালো গান আপনাদের দিতে পেরেছি। তবে প্রতিটা গান, প্রতিটা সুর, প্রতিটা মঞ্চ আমি সবসময় হৃদয় দিয়ে করেছি। যারা আমার গান শুনেছেন, গেয়েছেন, শেয়ার করেছেন, ভালোবেসেছেন, পাশে থেকেছেন, এমনকি সমালোচনা করেছেন—আপনাদের প্রত্যেকের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। এ ১৮ বছরই শেষ নয়, এটা শুধু আরেকটা নতুন অধ্যায়ের শুরু। যতদিন কণ্ঠে গান থাকবে, ততদিন গান করে যেতে চাই।’