আবুধাবি টেস্ট, চতুর্থ দিন

শেষদিনে জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, আফগানিস্তানের ৩৪৭ রান

সোমবার প্রথম বাংলাদেশী পেসার হিসেবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করে আফগানদের ২৪০ রানে অলআউট করতে ভূমিকা রাখেন হাসান মাহমুদ। এরপর মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর ১৫৯ রানের জুটিতে ভর করে লিড তিনশ পেরিয়ে যায় বাংলাদেশের।

৭ আপডেট
  • ১২ অক্টোবর, ২০২৬

    আফগানদের হারাতে বাংলাদেশের চাই ৭ উইকেট

    টেস্টের শেষ দিনে আগামীকাল জিততে হলে বাংলাদেশের চাই ৭ উইকেট। আর আফগানিস্তানের চাই ৩৪৭ রান। রেকর্ড ৪৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় আজ ৩ উইকেটে খুইয়ে ফেলা আফগানিস্তানের হয়ে ৩৫ ও ১৯ রান নিয়ে উইকেটে আছেন সেদিকুল্লাহ আতাল ও হাশমতউল্লাহ শহীদি।

    প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৩৪৬ রান করার পর আফগানিস্তান থামে ২৪০ রানে। এতে ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে লিটন দাসের সেঞ্চুরি ও মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে ৭ উইকেটে ৩৭২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে সফরকারীরা। লিটন ও মিরাজের ১৫৯ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। তাতে আফগানিস্তানের সামনে দাঁড়ায় ৪৭৯ রানের কঠিন লক্ষ্য।

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে আফগানিস্তান। এবাদত হোসেনের বলে আবদুল মালিক ২ রান করে বোল্ড হন। পরে হাসান মাহমুদের শিকার হয়ে ১৯ রানে ফেরেন শাহিদুল্লাহ। ২৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়া আফগানিস্তানকে সামাল দেন রহমত শাহ ও সেদিকউল্লাহ আতাল। দুজনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে স্বাগতিকরা।

    রহমতকে ফেরানোর আগে অবশ্য দুটি সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের বলে স্লিপে তাঁর ক্যাচ নিতে পারেননি তানজিদ হাসান তামিম। পরে রান আউটের সুযোগও কাজে লাগানো যায়নি। জীবন পেয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেন আফগান অধিনায়ক। তবে দিনের শেষ ভাগে এবাদত হোসেনের বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৫১ রান করা রহমত। তাতে ভাঙে আতালের সঙ্গে তার ৮২ রানের জুটি।

    দিন শেষে ১২৬ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় ৩৫ রানে অপরাজিত সেদিকউল্লাহ আতাল। তার সঙ্গে ১৯ রানে ব্যাট করছেন হাশমাতউল্লাহ শাহিদি। বাংলাদেশের হয়ে এবাদত ৩২ রানে ২টি এবং হাসান মাহমুদ ৩১ রানে ১টি উইকেট নিয়েছেন।

  • ১২ অক্টোবর, ২০২৬

    ধোনির পাশে লিটন, গ্লাভস হাতে ভাঙতে পারেন ২২ বছরের রেকর্ডও

    অস্ট্রেলিয়ায় টানা তিন ইনিংসে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। এটা নিয়ে কম সমালোচনাও হয়নি। লিটন নিজেও যে চাপে ছিলেন সেটা বোঝা গেলো আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের প্রথম ইনিংসে। ১ রান করেই ড্রেসিংরুমের দিকে ব্যাট উঁচু করে ধরেন তিনি। সেই যে শুরু এই টেস্টটা স্বপ্নের মতো যাচ্ছে লিটনের। প্রথম ইনিংসে ফিফটির পর দ্বিতীয় ইনিংস সেঞ্চুরি আর উইকেটের পেছনে একের পর এক ক্যাচ। ব্যাটিংয়ে তিন অঙ্ক ছোঁয়ার পাশাপাশি উইকেটকিপিংয়েও রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে এ উইকেটরক্ষক।

    এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ডিসমিসালের জাতীয় রেকর্ডে সাবেক উইকেটকিপার খালেদ মাসুদ পাইলটের পাশে বসেছেন লিটন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে পাইলটকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন তিনি। আবুধাবিতে প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ৫৩ রান করার পর উইকেটের পেছনে নিয়েছেন চারটি ক্যাচ, করেছেন একটি স্ট্যাম্পিং। দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম দুই ব্যাটারের ক্যাচও জমা পড়েছে তার গ্লাভসে। তাতেই ম্যাচে তার ডিসমিসাল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাতে।

    এছাড়া প্রথম ইনিংসে ১১৭ বলে ১৪টি বাউন্ডারিতে ১০২ রান করেন লিটন। এ সেঞ্চুরির মধ্য দিয়ে টেস্টে উইকেটকিপার হিসেবে তার সেঞ্চুরির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়টিতে। একই সংখ্যক সেঞ্চুরি আছে বাংলাদেশের আরেক উইকেটকিপার-ব্যাটার মুশফিকুর রহিমেরও।

    টেস্টে উইকেটকিপার হিসেবে ছয়টি সেঞ্চুরি আছে মহেন্দ্র সিং ধোনিরও। এ তালিকায় তাদের সঙ্গে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক, পাকিস্তানের কামরান আকমল ও ইংল্যান্ডের অ্যালেক স্টুয়ার্ট। তবে কিপিংয়ের দায়িত্ব পালন করা ম্যাচে সেঞ্চুরির সংখ্যায় আরো এগিয়ে আছেন কয়েকজন। কুমার সাঙ্গাকারা ও এবি ডি ভিলিয়ার্সের এমন সেঞ্চুরি সাতটি করে। রিশাভ পান্তের আটটি, আর অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের ১২টি।

    এ তালিকার শীর্ষে আছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক উইকেটকিপার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। টেস্টে উইকেটকিপার হিসেবে তার সেঞ্চুরি ১৭টি। এর মধ্যে ১৪টিই করেছেন সাত নম্বর কিংবা তারও নিচে ব্যাট করতে নেমে। তাই ব্যাটিং ও কিপিং- দুই ভূমিকাতেই লিটনের সামনে যেমন বড় অর্জনের সুযোগ, তেমনি বিশ্বসেরাদের সেই তালিকায় আরও ওপরে ওঠার পথও দীর্ঘ।

  • ১২ অক্টোবর, ২০২৬

    তৃতীয় উইকেট হারাল আফগানিস্তান

    রহমত শাহ ও সেদিকুল্লাহর জুটিটা ধীরে ধীরে মাথাব্যথার কারণ হচ্ছিল বাংলাদেশের জন্য। অবশেষে তা ভেঙেছেন ইবাদত। তার অফ স্টাম্পের বাইরের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে গেছেন রহমত। ১২৪ বলের ইনিংসে ৫১ রান করেছেন তিনি। সেদিকুল্লাহর সঙ্গে ২১৪ বলে ৮২ রানের জুটি ভেঙেছে। বাংলাদেশ পেয়েছে তাদের তৃতীয় উইকেট।

  • ১২ অক্টোবর, ২০২৬

    রহমত ও আতালের ফিফটি রানের জুটি

    ২৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানোর পর রহমত শাহ ও সাদিকুল্লাহ আতাল ফিফটি রানের জুটিতে আফগানিস্তানকে টানছেন। দলের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ৮০ রান। তাদের আরো প্রয়োজন ৩৯৯ রান।

  • ১২ অক্টোবর, ২০২৬

    ২ উইকেটে ৫১ রান তুলে চা বিরতিতে আফগানিস্তান

    ৪৭৯ রানের বিশাল টার্গেট তাড়া করা আফগানিস্তান ২ উইকেটে ৫১ রান তুলে চতুর্থ দিন চা বিরতিতে গিয়েছে। তারা এখনো ৪২৮ রান দূরে।

  • ১২ অক্টোবর, ২০২৬

    শহিদুল্লাহকে ফেরালেন হাসান মাহমুদ

    মারমুখী ব্যাটিং করা শহিদুল্লাহকে ব্যক্তিগত ১৯ রানে আউট করেছেন হাসান মাহমুদ, যিনি প্রথম ইনিংসে নেন ৫ উইকেট। আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৩৬/২

  • ১২ অক্টোবর, ২০২৬

    দ্বিতীয় ওভারে সাফল্য এনে দিলেন এবাদত

    আব্দুল মালিককে আাউট করে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দিলেন এবাদত হোসেন। তার বলে উইকেটকিপার লিটন দাসকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন মালিক। এরপর শহিদুল্লাহ মারমুখী ব্যাটিং করেন। আফগানদের সংগ্রহ ছিল ২৭/১।

আবুধাবি টেস্টে আফগানিস্তানকে ৪৭৯ রানের বড় টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ। আজ সোমবার চতুর্থ দিন লিটন দাসের সেঞ্চুরি ও মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে ভর করে ৭ উইকেটে ৩৭২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে টাইগাররা।

সোমবার প্রথম বাংলাদেশী পেসার হিসেবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করে আফগানদের ২৪০ রানে অলআউট করতে ভূমিকা রাখেন হাসান মাহমুদ। এরপর মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর ১৫৯ রানের জুটিতে ভর করে লিড তিনশ পেরিয়ে যায় বাংলাদেশের। শান্ত ৮২ ও মুশফিক ৮১ রান করেন। দিনশেষে সংগ্রহ ছিল ২২৩/৬। আজ ২০১ বলে ১৪৯ রানের অনবদ্য এক জুটি গড়েন লিটন ও মিরাজ। লিটন ১১৭ বলে ১৪ বাউন্ডারিতে ১০২ রান করেন। এটা টেস্টে তার সপ্তম সেঞ্চুরি। মিরাজ অপরাজিত থাকেন ৯৭ বলে ৫২ রান করে।

আফগানিস্তানের ইয়ামিন আহমাদজাই, মোহাম্মদ সেলিম ও জিয়া-উর-রেহমান দুটি করে উইকেট নেন।

আরও