প্রথম টি-টোয়েন্টি

নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশকে ১৮৩ রানের চ্যালেঞ্জিং টার্গেট দিয়েও জিততে পারেনি কিউইরা। প্রথম ৬ ব্যাটারই দুই অঙ্ক ছোঁয়ায় বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত জিতেছে সহজেই। ম্যাচসেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়।

৮ আপডেট
  • ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

    দুই ওভার হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ

    ১০ ওভারশেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৭৭ রান। একাদশ ওভারের প্রথম বলে উইকেট হারালে শেষ ৫৯ বলে প্রয়োজন পড়ে ১০৬ রান। কাজটা কঠিন মনে হলেও তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন আর শামীম হোসেনের আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং বাংলাদেশকে ১৮ ওভারেই জয় এনে দেয়।

  • ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

    ইস সোধির স্পিনে ঘায়েল লিটন দাস

    স্পিনার ইস সোধির বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে গেলেন লিটন দাস। ৬৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারাল বাংলাদেশ

  • ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

    পাওয়ার প্লেতে মাত্র ৪৪ রান তুলেছে বাংলাদেশ

    প্রথম ৬ ওভারে ১ উইকেটে মাত্র ৪৪ রান তুলেছে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাসের দৃঢ়তায় বাংলাদেশ পঞ্চাশ ছুঁয়েছে ৬.৩ ওভারে।

  • ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

    ষষ্ঠ উইকেটে সাইফ হাসানকে হারাল বাংলাদেশ

    সতর্ক সূচনার পর ষষ্ঠ ওভারে সাইফ হাসানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। নাথান স্মিথের বলে ডিপ মিডউইকেটে জ্যাকবসকে ক্যাচ দেন সাইফ।

  • ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

    প্রথম ওভারে ১১ রান তুলেছে বাংলাদেশ

    তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান প্রথম ওভার থেকে তুলেছেন ১১ রান। এর মধ্যে শেষ বলে সীমানার কাছে ক্যাচ দিলেও বেঁচে যান তানজিদ।

  • ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

    বাংলাদেশের মাঠে তৃতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ

    বাংলাদেশের মাঠে টি-টোয়েন্টিতে দুই দলের লড়াইয়ে এটা তৃতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। সর্বোচ্চ সংগ্রহও কিউইদের। ২০১৩ সালে মিরপুরে ৫ উইকেটে ২০৪ রান তুলেছিল তারা। একই ম্যাচে বাংলাদেশ তুলেছিল ৯ উইকেটে ১৮৯, যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। 4

  • ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

    ফক্সক্রফটকে ফেরালেন মেহেদী

    ডিন ফক্সক্রফটকে আউট করেছেন স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান। ১৫তম ওভারের শেষ বলে তাকে বোল্ড করেন মেহেদী। স্কোর ১৩০/৫।

  • ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

    রানআউটে এল প্রথম সাফল্য

    তানজিম হাসান সাকিবের ওভারে কভারে বল ঠেলে দিয়ে দ্রুত সিঙ্গেল নিতে চেয়েছিলেন টিম রবিনসন। তাতেই বিপত্তি। তাওহীদ হৃদয়ের সরাসরি থ্রোতে তিনি রানআউট হয়ে গেলেন। নিউজিল্যান্ড স্কোর: ১১/১।

চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ১৮৩ রানের টার্গেটে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮ ওভারে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় স্বাগতিকরা। তাওহীদ হৃদয় ২৭ বলে হার না মানা ফিফটি করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। শেষ ৯ ওভারে জিততে ৮৮ রানের প্রয়োজন ছিল, স্বাগতিকরা তা তুলে নেয় ৭ ওভারে। এ জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল লিটন দাসের দল।

আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রান সংগ্রহ করেছে কিউইরা। জবাবে তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসানের সতর্কভাবে সূচনা করলেও ৭৭ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সাজঘরে ফিরে যান সাইফ হাসান, লিটন দাস ও তানজিদ হাসান। এরপর নতুন জুটিতে ঝড় তুলে দলের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন। তাদের দৃঢ়তায় ১১ ওভারশেষে টাইগারদের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ৯৫ রান। দুজন ২৮ বলে ৫৭ রান তুলে দিলে দলের কাজটা সহজ হয়ে যায়। ১৪ বলে ২৮ রান করে ইমন আউট হয়ে যাওয়ার সময় দলের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ১৩৪ রান।

পঞ্চম উইকেটে শামীম হোসেনকে নিয়ে ২১ বলে ৪৯ রান যোগ করে দলের রাজসিক জয় নিশ্চিত করেন তাওহীদ। তিনি ২ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। ১৩ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন শামীম।

সাগরিকায় টস জিতে বোলিং বেছে নেয় বাংলাদেশ। কিউই ইনিংসে শুরুর দিকে রানআউটের শিকার হন টিম রবিনসন। তানজিম হাসান সাকিবের বল থেকে সিঙ্গেল নিতে গেলে তাওহীদ হৃদয়ের সরাসরি থ্রোতে তিনি রানআউট হয়ে যান।

এরপর ঝড় তোলেন কাতেনে ক্লার্ক ও ডেন ক্লিভার। তাদের দাপটে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারশেষে কিউইদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬১/১। পরে এ দুজন ৫০ বলে ৮৮ রান যোগ করে দলীয় ৯৯ রানের সময় বিচ্ছিন্ন হন। ক্লিভারকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে জুটি ভাঙেন স্পিনার রিশাদ হোসেন। নিজের পরের ওভারে ক্লার্ককেও ফেরান তিনি। ক্লার্ক ও ক্লিভার দুজনই করেন সমান ৫১ রান। একটু পরে বেভন জ্যাকসবকে আউট করেন পেস বোলার তানজিম সাকিব। রিশাদকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন বেভন। ১৪ ওভার শেষে কিউইদের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ১২৭ রান।

১৫তম ওভারের শেষ বলে পঞ্চম উইকেটের পতন হয় নিউজিল্যান্ডের। তখন দলটির রান ছিল ১৩০। সেখান থেকে নিক কেলি ও জস ক্লার্কসনের দৃঢ়তায় দলটি পেয়ে যায় ১৮২ রানের ভালো সংগ্রহ। কেলি ২৭ বলে ৩৯ ও ক্লার্কসন ১৪ বলে ২৭ রান করেন। ষষ্ঠ উইকেটে ১৭ বলে ৩২ রান যোগ করেন দুজন। এরপর নাথান স্মিথকে নিয়ে তিনি ১৩ বলে ২০ রান তুলে দিলে সংগ্রহ ১৮০ পেরিয়ে যায় কিউইদের।

রিশাদ ৩২ রানে ২টি এবং শরীফুল ইসলাম, তানজিম সাকিব ও শেখ মেহেদী হাসান একটি করে উইকেট নেন।

বাংলাদেশকে ১৮৩ রানের চ্যালেঞ্জিং টার্গেট দিয়েও জিততে পারেনি কিউইরা। প্রথম ৬ ব্যাটারই দুই অঙ্ক ছোঁয়ায় বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত জিতেছে সহজেই। ম্যাচসেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়।

বুধবার চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ও শনিবার ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। এর আগে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটা ২-১-এ জিতে নেয় বাংলাদেশ।

আরও