চ্যাম্পিয়নস লিগ

চার গোলের এমবাপে-শো, তবুও ধুঁকতে ধুঁকতে জিতল রিয়াল

৬ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিক করেছেন। সঙ্গে আরো একটি গোল। গ্রিক ক্লাব অলিম্পিয়াকোসের ওপর দিয়ে সেই অর্থে তো ঝড়ই বইয়ে দিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপে। তবু সেই ঝড় যথেষ্ট হলো না অলিম্পিয়াকোসকে উড়িয়ে দেয়ার জন্য। স্পেনের জায়ান্টরা জিতেছে ঠিকই, কিন্তু ধুঁকতে ধুঁকতে। শেষ ১০ মিনিটেরও বেশি সময় পয়েন্ট ভাগাভাগির ভয় নিয়ে কোনোমতে জিতেছে লস ব্লাঙ্কোসরা। ব্যবধানটা ৪-৩!

অবশ্য রিয়ালের সময়টাও ভালো যাচ্ছিল না। টানা তিন ম্যাচের জয়হীনতা কাটল এ ম্যাচে। চ্যাম্পিয়নস লিগে অলিম্পিয়াকোসের মাঠে ম্যাচের শুরুতে অষ্টম মিনিটেই চিকিনহোর গোলে পিছিয়ে পড়ে রিয়াল। তবে ২২তম মিনিট থেকে শুরু হয় এমবাপে-ঝলক। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের অ্যাসিস্ট থেকে দারুণ ফিনিশে সমতা ফেরান ফরাসি তারকা। দুই মিনিট পর আরদা গুলারের ক্রস থেকে হেডে করেন দ্বিতীয় গোল। এরপর মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুর্দান্ত আরেকটি ফিনিশে পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক—চ্যাম্পিয়নস লিগে ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিক।

প্রথমার্ধে নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের দখলে রাখে রিয়াল। শুয়ামেনির শট পোস্টে লেগে ফেরে, তবে গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি দলটি।

বিরতির পরই ম্যাচে ফেরে গ্রিসের ক্লাবটি। ৫২তম মিনিটে মেহদি তারেমির কাছাকাছি থেকে হেডে ব্যবধান কমে ৩–২। কিন্তু ঘণ্টা পেরোতেই আবারও এমবাপে। ভিনিসিয়ুসের আরেক নিখুঁত পাস থেকে সহজ ট্যাপ-ইনে চতুর্থ গোল করে রিয়ালকে স্বস্তি এনে দেন তিনি।

তবে অলিম্পিয়াকোস হাল ছাড়েনি। ৮১তম মিনিটে আয়ুব এল কাবির হেডে আবারও উত্তেজনা ফিরে আসে ম্যাচে। শেষ মুহূর্তে স্ট্রেফেজ্জা ও এল কাবি আরো দু’বার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও রিয়ালের রক্ষণ দেয়াল ভাঙতে পারেনি।

৪ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে রিয়াল উঠে এসেছে পঞ্চম স্থানে, যেখানে শীর্ষ আট দলই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নকআউটে জায়গা পাবে। অলিম্পিয়াকোসের সংগ্রহ মাত্র ২ পয়েন্ট, অবস্থান ৩৩তম স্থানে।

আরও