বিভিন্ন খেলায় খেলোয়াড় ও কোচদের ট্রেনিংয়ে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, ‘খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে আমরা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কের আরো উন্নয়ন করতে চাই। ভলিবল, আর্চারি, ব্যাডমিন্টন ও শুটিং এই খেলাগুলোতে চীন ও বাংলাদেশের একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।’
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনকে এসব কথা বলেছেন প্রতিমন্ত্রী। আজ মঙ্গলবার প্রতিমন্ত্রীর অফিসকক্ষে চীনের রাষ্ট্রদূত সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলা খুব পছন্দ করেন এবং খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন। তিনি ক্রিকেট ও ফুটবলের মতো সকল খেলাকে সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। তারই অংশ হিসেবে ৩০ মার্চ খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।’
এ সময় প্রতিমন্ত্রী চীনের জাতীয় পুরুষ ফুটবল দলকে বাংলাদেশের সঙ্গে ফ্রেন্ডশিপ ম্যাচ খেলার আমন্ত্রণ জানান ও বাংলাদেশের স্পোর্টস ইনস্টিটিউটসমূহে বিনিয়োগের প্রত্যাশা করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়দের মাসিক ভাতার আওতায় আনার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। দুই দেশের জাতীয় ফুটবল দলের ফ্রেন্ডলি ম্যাচের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চীনের পুরুষ ফুটবল দলের সঙ্গে ফ্রেন্ডলি ম্যাচের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’
এ সময় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রিতে বিনিয়োগের আশা প্রকাশ করেন।