নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ১৬ বছর পর আবার বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। মেসি ফিরেছেন শূন্য হাতে। আর রদ্রি, ইয়ামাল হাতে তুলেছেন বিশ্বকাপ ট্রফি। সতীর্থদের সঙ্গে শিরোপা উদযাপনের পর ১৯ বছর বয়সী লামিনে ইয়ামাল ছুটে যান গ্যালারির কাছে, যেখানে অপেক্ষা করছিল তার জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষগুলো। বিশ্বজয়ের সেই আনন্দ তার মা, প্রেমিকা আর তিন বছর বয়সী কিয়েনের সঙ্গে ভাগ করে নেয়ার মুহূর্তই হয়ে ওঠে ফাইনালের সবচেয়ে আবেগঘন দৃশ্যগুলোর একটি।
পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে গ্যালারিতে কিয়েনের নিষ্পাপ হাসি, খুনসুটি আর ভাইকে উৎসাহ দেয়ার মুহূর্তগুলো সমর্থকদের মন কেড়েছিল। ফাইনালের পর বড় ভাইয়ের কোলে চড়ে মাঠ প্রদক্ষিণ করা ছোট্ট কিয়েন যেন নিজেও হয়ে ওঠে এক ক্ষুদে চ্যাম্পিয়ন। বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁয়ে দেখার সেই মুহূর্তটি ছিল নিখাদ পারিবারিক আনন্দের প্রতিচ্ছবি।
পাশেই ছিলেন প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া। চলতি বছরের মে মাসে সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসে। ফ্যাশন ও বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে পরিচিত ইনেস বিশ্বকাপজুড়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন। জমকালো পোশাকের পরিবর্তে সহজ-সরল ও স্বাভাবিক সাজে হাজির হওয়ায় সমর্থকদের প্রশংসাও কুড়িয়েছেন তিনি। বিশ্বজয়ের রাতে ইয়ামালের পাশে দাঁড়িয়ে তিনিও ভাগ করে নেন জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত।
প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে স্পেনকে শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন লামিনে ইয়ামাল। কিন্তু মাঠের বাইরের গল্পে তার ছোট ভাই কিয়েনও কম জনপ্রিয় ছিলেন না। ইয়ামালের মা শেইলা এবানা নিয়মিত সামাজিক মাধ্যমে ছেলে কিয়েনের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করতেন। সেগুলো দ্রুত ভাইরাল হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই কিয়েন হয়ে ওঠে বিশ্বকাপের অন্যতম পরিচিত শিশু মুখ।