নিজের ট্রফি ক্যাবিনেটে আরো একটি বিশেষ সম্মান যোগ করলেন লিওনেল মেসি। তবে এটি মাঠে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য নয়, বরং বার্সেলোনা শহরের সঙ্গে তার বিশেষ সংযোগের স্বীকৃতি। যে শহর মাত্র ১২ বছর বয়সে তাকে আপন করে নিয়েছিল, সেই শহরের প্রতি ভালোবাসার জন্য এই সম্মান পেলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। খবর ভক্সনিউজ।
স্প্যানিশ দৈনিক স্পোর্তের এক জরিপে বার্সেলোনার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা পাওয়া খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছেন মেসি। পুরস্কারটি স্পোর্তের ভ্যালোরেস দেল দেপোর্তে গালা অনুষ্ঠানের অংশ ছিল। এই জরিপে মেসি পেছনে ফেলেছেন ইয়োহান ক্রুইফ, রোনালদিনিও, জাভি হার্নান্দেজ ও আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাদের মতো কিংবদন্তিদের।
কাতালান মিডিয়া সংস্থা স্পোর্তের পরিচালক জোয়ান ভেহিলস মায়ামিতে গিয়ে মেসির হাতে উপহারটি তুলে দেন। পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত ইন্টার মায়ামি তারকা মেসি আরও বলেছেন, ‘আমি ক্যাম্প ন্যুতে অন্য আরেকজন সাধারণ সমর্থক হিসেবেই উপস্থিত থাকব, দলের খেলা অনুসরণ করব এবং ক্লাবকে সমর্থন দেব।’
৩৮ বছর বয়সী মেসিকে সেসময় আবেগমথিত ও অশ্রুসিক্ত দেখাচ্ছিল। তিনি বার্সায় তার ক্যারিয়ারের ইতি টানার স্বপ্নের কথা স্মরণ করে দুঃখ প্রকাশ করেন যে, দুর্ভাগ্যবশত তা পূরণ হয়নি।
মেসি বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে গিয়েছি, ভালো এবং কঠিন মুহূর্ত। কিন্তু এটি আমার ঘর, আমার দেশ, আমার মানুষ। আমি ক্লাব না ছেড়ে পুরো ক্যারিয়ারটা সেখানেই কাটাতে চেয়েছিলাম।‘
তিনি আরো জানান, এক সময় তিনি তার প্রিয় শহর বার্সেলোনায় স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ফিরে আসবেন। ক্লাবের আর্থিক সঙ্কট এবং কভিড-১৯ মহামারির কারণে তাকে শূন্য স্টেডিয়ামে বিদায় নিতে হয়েছিল। এ ঘটনা তার মনে তৈরি করেছিল অমোচনীয় এক ক্ষত। সেই কথাও উল্লেখ করেন মেসি।
তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, সবকিছু অন্যভাবে ঘটেছে, কিন্তু আমাদের ভাগ করা সব মুহূর্তের সুন্দর স্মৃতি আমার হৃদয়ে সবসময় থাকবে। আমি ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং সবার জন্য আমার বিশেষ ভালোবাসা রয়েছে।‘