ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা জিতেছেন রাশিয়ান টিনএজ মিরা আন্দ্রিভা। আজ শনিবার নারী এককের ফাইনালে পোলিশ বাছাই মায়া চালিনস্কাকে ৬-৩, ৬-২ গেমে হারান ১৯ বছর বয়সী এ খেলোয়াড়। এটাই তার প্রথম গ্র্যান্ডস্লাম শিরোপা।
অষ্টম বাছাই মিরার সামনে দাঁড়াতেই পারেননি চালিনস্কা। ১ ঘন্টা ২২ মিনিটে জয় নিশ্চিত করেন রুশ তারকা। ১৯৯২ সালের পর সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতলেন মিরা।
২০২৪ সালের সেমিফাইনালে পরাজিত মিরা এবার শিরোপা জিতে নিলেন। ৩০ বছরের মধ্যে চতুর্থ কনিষ্ঠতম খেলোয়াড় হিসেবে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে উঠে নিরাশ করেননি তিনি। তার চেয়ে কম বয়সী হিসেবে রোলাঁ গারোঁয় ফাইনালে ওঠার কীর্তি আছে কেবল মার্টিনা হিঙ্গিস, কিম ক্লিস্টার্স ও কোকো গাফের। মারিয়া শারাপোভা ও এমা রাদুকানুর পর তৃতীয় কনিষ্ঠতম খেলোয়াড় হিসেবে প্রথমবারের মতো গ্র্যান্ডস্লাম জিতলেন মিরা।
জয়ের পর রোলাঁ গারোঁর কোর্টে হাঁটু গেড়ে বসে উদযাপন করেন মিরা। এরপর দ্রুতই উঠে তিনি ছুটে যান গ্যালারিতে কোচ কনচিতা মার্টিনেজের দিকে। কনচিতা ১৯৯৪ সালের উইম্বলডন বিজয়ী।
জয় শেষে এ লাস্যময়ী খেলোয়াড় বলেন, ‘প্যারিস আমার হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিল। আমার খেলা দেখতে আসায়, আমার জন্য গলা ফাটানোয় ও সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ। এছাড়া নিজের ওপর আস্থা রাখায় ও নিজের শতভাগ দিতে পারায় নিজেকে ধন্যবাদ দিতে চাই আমি। এমন কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেলেও আমি প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং একজন ব্যক্তি ও খেলোয়াড় হিসেবে উন্নতির চেষ্টা করেছি আর নিজের মধ্যে থাকা শত্রুর সঙ্গে লড়াই করেছি। আমি জানি কাজটা কতটা কঠিন ছিল এবং গত দুটি সপ্তাহ আমি কতটা নার্ভাস ছিলাম। কাজেই কঠোর পরিশ্রম করে যাওয়া সেরাটা দিতে পারায় আমাকে ধন্যবাদ।’
পরক্ষণেই তিনি বলেন,‘ আমি আমার টিমকেও ধন্যবাদ দিতে চাই। আমার সামর্থ্যের সীমা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ায় তাদের ধন্যবাদ দিতে চাই। তারা সব সময় আমাকে ধাক্কা দিয়েছেন। কনচিতাকে ধন্যবাদ জানাই, বিশেষ করে তার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করার জন্য ও আমাকে অনেক উপদেশ দেয়ার জন্য।’