লিওনেল মেসি যতই সুযোগ নষ্ট করুন, শেষ পর্যন্ত তিনি খালি হাতে ফিরবেন না—এটাই যেন শনিবার রাতে আবারও প্রমাণ হলো। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থেকে ফিরেই লা গ্যালাক্সির বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামলেন, আর ম্যাচের শেষভাগে গোল ও অ্যাসিস্টে ইন্টার মায়ামিকে ৩-১ ব্যবধানে জয় এনে দিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
ইনজুরির কারণে দুই ম্যাচ বাইরে থাকার পর বেঞ্চে বসে শুরু করেছিলেন মেসি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই নামেন মাঠে। একের পর এক আক্রমণ চালালেও গোল পাচ্ছিলেন না। অবশেষে ৮৪ মিনিটে পরিচিত ড্রিবলিংয়ে ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে বাম পায়ের দুর্দান্ত শটে জাল কাঁপান—মায়ামি এগিয়ে যায় ২-১’এ।
এতেই থামেননি তিনি। কিছুক্ষণ পরই চমৎকার ব্যাকহিল পাস থেকে লুইস সুয়ারেজকে দিয়েও গোল করান। ব্যবধান বাড়ে ৩-১, নিশ্চিত হয় তিন পয়েন্ট।
মেসির মৌসুমের ১৯তম গোল ছিল এটা, যা দিয়ে এমএলএসের সর্বোচ্চ গোলদাতাও এই ফুটবল জাদুকর। এই জয়ে পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে মায়ামি।
এর আগে ম্যাচের প্রথমার্ধে সের্হিও বুসকেতসের পাস থেকে জর্দি আলবা গোল করে লিড এনে দেন মায়ামিকে। তবে ৫৯ মিনিটে জোসেফ পেইন্টসিল সমতা ফেরান গ্যালাক্সির হয়ে।
কোচ হাভিয়ের মাচেরানো ম্যাচের পরে বলেন, মেসির ফিটনেস কেমন আছে, তা নিয়ে রোববার মেডিকেল টিম রিপোর্ট দেবে। মাঝে মাঝে তাকে ডান পা স্ট্রেচ করতে দেখা গেছে। তবে কোচের মতে, ‘সবচেয়ে বড় কথা, সে ম্যাচ শেষ করেছে, আর যতই খেলেছে ততই স্বস্তি পেয়েছে।‘
গতবারের এমএলএস কাপ চ্যাম্পিয়ন হলেও এবার পশ্চিম কনফারেন্সের তলানিতে লা গ্যালাক্সি। আর মেসি ফিরতেই ইন্টার মায়ামি আবারও শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিল।