তৃতীয় ওয়ানডে

নিউজিল্যান্ডকে ৫৫ রানে হারিয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান তুলতে সমর্থ হয় স্বাগতিকরা। জবাবে কিউইরা ২১০ রানে অলআউট। মুস্তাফিজুর রহমান ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবারের মতো ৫ উইকেট নিয়ে জিতিয়েছেন বাংলাদেশকে।

১২ আপডেট
  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

    মুস্তাফিজের ৫ উইকেট

    প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই ৫ উইকেট শিকার করলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ২০১৯ বিশ্বকাপের পর প্রথমবার ৫ উইকেট নিলেন তিনি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৫ উইকেট নিলেন ষষ্ঠবারের মতো। এর মধ্য দিয়ে তিনি স্পর্শ করলেন ওয়াসিম আকরাম ও ট্রেন্ট বোল্টকে। বামহাতি পেসারদের মধ্যে ফিজের উপরে কেবল মিচেল স্টার্ক, ৯ বার নিয়েছেন ৫ উইকেট।

  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

    ফিজের আরেক আঘাত

    দুই ম্যাচ সুযোগ পাননি। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে এসেই ব্যবধান গড়ে দিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। অভিজ্ঞ এ পেসার এখন পর্যন্ত ৪ উইকেট নিয়ে কোনঠাসা করে রেখেছেন নিউজিল্যান্ডকে। নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ১৫৪/৮। ৭৪ বলে ১১২ রান প্রয়োজন অতিথিদের।

  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

    চালকের আসনে বাংলাদেশ

    ৩০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১৩৫ রান। সেখানে পৌঁছতে নিউজিল্যান্ডকে ১৫ বল বেশি খেলতে হয়েছে, উইকেট হারিয়েছে ২টি বেশি। এরপর নাহিদ রানা বলে ক্লার্কসন বোল্ড হওয়ার পর বাংলাদেশই চালকের আসনে।

  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

    ৩ উইকেটে ১০০ পেরিয়েছে নিউজিল্যান্ড

    ২৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০৮ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। বাকি ২৫ ওভারে ৭ উইকেট হাতে নিয়ে তাদের প্রয়োজন ১৫৮ রান, ওভারপ্রতি করতে হবে ৬.৩২ রান।

  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

    অধিনায়কের বলে আউট আরেক অধিনায়ক

    কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামকে ক্রিজে থিতু হতে দিলেন না বাংলাদেশ দলনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। দলীয় ৬১ রানে মিরাজের বলে নিচু সুইপ শট খেলতে গিয়ে ফাইন লেগে শরীফুলকে ক্যাচ দেন ল্যাথাম। কিউইদের সংগ্রহ ১৯ ওভারশেষে ৬৯/৩। নিক কেলি ৩৭ ও মোহাম্মদ আব্বাস ১ রানে ব্যাট করছেন।

  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

    উইল ইয়াংকে ফেরালেন নাহিদ রানা

    কিউই টপ অর্ডার উইল ইয়াংকে আউট করেছেন নাহিদ রানা, যিনি আগের ম্যাচে ৫ উইকেট শিকার করে বাংলাদেশকে জিতিয়েছেন। তার বলে উইকেটকিপার লিটন দাসকে ক্যাচ দেন ইয়াং। অতিথির সংগ্রহ ১৪ ওভারে ৫৭/২।

  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

    হেনরি নিকোলসকে ফিরিয়েছেন মুস্তাফিজ

    তৃতীয় ওয়ানডেতে ফিরেই শুরুতে উইকেট নিলেন অভিজ্ঞ পেস বোলার মুস্তাফিজুর রহমান। চতুর্থ ওভারে মুস্তাফিজের বলে উইকেটকিপার লিটন দাসকে ক্যাচ দেন নিকোলস।

  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

    শেষ ৭ ওভারে ৪৪ রান তুলতে পেরেছে বাংলাদেশ

    নাজমুল হোসেন শান্ত সেঞ্চুরি করে বিদায় নেয়ার সময় ৪৩ ওভারে ৫ উইকেটে ২২১ রানের সংগ্রহ ছিল বাংলাদেশ। ৫০ ওভারশেষে সংগ্রহ ২৬৫/৮। অর্থ্যাৎ, ৩ উইকেট হারিয়ে ৭ ওভারে তারা বোর্ডে যোগ করতে পেরেছে মাত্র ৪৪ রান।

  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

    তিন বলের ব্যবধানে দুই উইকেট হারাল বাংলাদেশ

    মিরাজের পর শরিফুল। মাত্র তিন বলের ব্যবধানে সাজঘরে ফিরেছেন এ দুজন। ৪৮তম ওভারে মিরাজকে ফেরান ডিন ফক্সক্রফট, পরের ওভারে শরিফুল আউট হয়ে যান বেন লিস্টারের বলে।

  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

    ২২ রানে ফিরে গেলেন মেহেদী

    শান্তর বিদায়ের পর তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে ৩৫ রানের জুটি গড়ে বিদায় নিলেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। দলের সংগ্রহ এ সময় ২৫৬/৬।

  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

    শান্তকে ফেরালেন জেইডেন লেনক্স

    ১১৯ বলে ৯ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ১০৫ রানের দারুণ ইনিংস খেলে স্পিনার জেইডেন লেনক্সের কাছে হার মানলেন শান্ত।

  • ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

    শান্তর চতুর্থ ওয়ানডে সেঞ্চুরি

    আট বছরের ক্যারিয়ারে চতুর্থ সেঞ্চুরির দেখা পেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ২০১৮ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে আবুধাবিতে অভিষেক হওয়া শান্ত এখন পর্যন্ত ৬৪ ম্যাচ খেলেছেন। ফিফটি করেছেন ১২টি, সেঞ্চুরি ৪টি। ২০২৩ সালে চেমসফোর্ডে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি (১১৭) করেন তিনি। একই বছর লাহোরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও গত বছর চট্টগ্রামে তৃতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি করেন তিনি। আজ পেলেন চতুর্থ সেঞ্চুরি। টেস্টে তার সেঞ্চুরি ৮টি।

চট্টগ্রামে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৫৫ রানে হারিয়ে ২-১-এ সিরিজ জিতে নিল বাংলাদেশ। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান তুলতে সমর্থ হয় স্বাগতিকরা। জবাবে কিউইরা ২১০ রানে অলআউট। মুস্তাফিজুর রহমান ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবারের মতো ৫ উইকেট নিয়ে জিতিয়েছেন বাংলাদেশকে।

আজ সাগরিকায় টস জিতে বোলিং বেছে নেয় নিউজিল্যান্ড। কিউই পেস বোলার উইলিয়াম ও’রুর্ক শুরুতে লণ্ডভণ্ড করে দেন বাংলাদেশের টপ অর্ডার। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সাইফ হাসানকে সাজঘরে ফেরান তিনি। এরপর দলীয় ৯ রানে তানজিদ হাসানকে ও ৩২ রানে সৌম্য সরকার তার গতি বলের শিকার হন।

দ্রুত তিন উইকেট পতনের পর লিটনকে নিয়ে দুর্দান্ত এক জুটি গড়েন শান্ত। লিটন ৭৬ রানে বিদায় নিলেও শান্ত করেছেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি। দুই বছর পর তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন তিনি।

দ্রুত ৩ উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন টেস্ট অধিনায়ক শান্ত ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন। দুজনের শতরানের জুটিতে দল পৌঁছে যায় নিরাপদে। যদিও টেল-এন্ড ভালো করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ২৬৫ রানে থেমে যায় দলের স্কোরটা।

২০২৪ সালের মার্চে এই চট্টগ্রামে শ্রীলংকার বিপক্ষে ১২২ রানের ইনিংস খেলেছিলেন শান্ত। সেই মাঠেই এবার দেখা পেলেন নিজের চতুর্থ সেঞ্চুরির।

আট বছরের ক্যারিয়ারে চতুর্থ সেঞ্চুরির দেখা পেলেন শান্ত। ২০১৮ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে আবুধাবিতে অভিষেক হওয়া শান্ত এখন পর্যন্ত ৬৪ ম্যাচ খেলেছেন। ফিফটি করেছেন ১২টি, সেঞ্চুরি ৪টি। ২০২৩ সালে চেমসফোর্ডে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি (১১৭) করেন তিনি। একই বছর লাহোরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও গত বছর মার্চে এই চট্টগ্রামে শ্রীলংকার বিপক্ষে তৃতীয় সেঞ্চুরি (১২২ রান) করেন শান্ত। সেই মাঠেই এবার দেখা পেলেন চতুর্থ সেঞ্চুরি। টেস্টে তার সেঞ্চুরি ৮টি।

১১৯ বলে ৯ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ১০৫ রানের দারুণ ইনিংস খেলে স্পিনার জেইডেন লেনক্সের কাছে হার মানলেন শান্ত।

তার বিদায়ের পর তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে ৩৫ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।

ছয় বলের ব্যবধানে তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মিরাজের পর শরীফুল ও তানভীর। মাত্র তিন বলের ব্যবধানে সাজঘরে ফিরেছেন মিরাজ ও শরীফুল। ৪৮তম ওভারের পঞ্চম বলে মিরাজকে ফেরান ডিন ফক্সক্রফট। পরের ওভারের প্রথম বলে শরীফুল ও চতুর্থ বলে তানভীরকে ফেরান বেন লিস্টার।

শান্তর বিদায়ের সময় ৪৩ ওভারে ৫ উইকেটে ২২১ রানের সংগ্রহ ছিল বাংলাদেশ। ৫০ ওভারশেষে সংগ্রহ ২৬৫/৮। অর্থ্যাৎ, ৩ উইকেট হারিয়ে ৭ ওভারে তারা বোর্ডে যোগ করতে পেরেছে মাত্র ৪৪ রান। অথচ এ সময় অনায়াসেই ৬০-৭০ রান তোলা সম্ভব।

এরপর বোলিংয়ে মুস্তাফিজ জাদুতে কর্তৃত্ব করে জিতল বাংলাদেশ। ৯ ওভারে ৪৩ রান খরচ করে ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই ৫ উইকেট শিকার করলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ২০১৯ বিশ্বকাপের পর প্রথমবার ৫ উইকেট নিলেন তিনি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৫ উইকেট নিলেন ষষ্ঠবারের মতো। এর মধ্য দিয়ে তিনি স্পর্শ করলেন ওয়াসিম আকরাম ও ট্রেন্ট বোল্টকে। বামহাতি পেসারদের মধ্যে ফিজের উপরে কেবল মিচেল স্টার্ক, ৯ বার নিয়েছেন ৫ উইকেট।

এছাড়া, দুর্দান্ত বোলিং করেছেন নাহিদ রানা (২/৩৭), মেহেদী হাসান মিরাজ (২/৩৬) ও শরীফুল ইসলাম (১/১৯)। শরীফুল ৭ ওভারে ১৯ রান খরচ করে সবচেয়ে মিতব্যয়ী ছিলেন।

আরও