মুখ ঢেকে কথা বললেও কেন লাল কার্ড দেখেননি কুকুরেলা, কী বলছে নিয়ম

পরে ঘটনাটিও পর্যালোচনা করা হয়। সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, কুকুরেলা মেসির দিকে হেঁটে গিয়ে কথা বলার সময় খুব অল্প সময়ের জন্য নিজের মুখ স্পর্শ করেন। তবে ভিডিওতে এমন কোনো আচরণ দেখা যায়নি, যা শত্রুভাবাপন্ন, অপমানজনক বা উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে হারের রাতে আর্জেন্টিনা শুধু শিরোপাই হারায়নি, হারিয়েছে মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজকেও। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে লাল কার্ড দেখা ষষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে নাম লেখান এনজো। তবে একই ম্যাচে আরও একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখতে পারতেন বলে মনে করেছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। সেই খেলোয়াড় স্পেনের লেফট ব্যাক মার্ক কুকুরেলা। কারণ এনজো মাঠ ছাড়ার পরপরই কুকুরেলা মেসির দিকে হেঁটে গিয়ে কথা বলার সময় খুব অল্প সময়ের জন্য নিজের মুখ স্পর্শ করেন। এ ঘটনার পরই মেসি রেফারির দৃষ্টি আকর্ষণ করে কুকুরেলার দিকে ইঙ্গিত করেন এবং অভিযোগ করেন, স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মুখ হাত দিয়ে ঢেকে কথা বলছেন।

পরে ঘটনাটিও পর্যালোচনা করা হয়। সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, কুকুরেলা মেসির দিকে হেঁটে গিয়ে কথা বলার সময় খুব অল্প সময়ের জন্য নিজের মুখ স্পর্শ করেন। তবে ভিডিওতে এমন কোনো আচরণ দেখা যায়নি, যা শত্রুভাবাপন্ন, অপমানজনক বা উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ইঙ্গিত দেয়।

মেসির আপত্তির পর ম্যাচ কর্মকর্তারা ঘটনাটি বিবেচনায় নিলেও কুকুরেলার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ পাননি। যেহেতু ঘটনাটি নিয়ম ভঙ্গের পর্যায়ে পড়েছে এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হয়নি, তাই রেফারিরা তাকে সন্দেহের সুবিধা বা ‘বেনিফিট অব দ্য ডাউট’ দেন। ফলে মুখ ঢেকে কথা বলার অভিযোগ উঠলেও স্পেনের এই ডিফেন্ডারকে লাল কার্ড দেখানো হয়নি। ফিফার বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, মুখে হাত দিয়ে কথা বলার চেয়ে সেটি কোন প্রেক্ষাপটে করা হয়েছে, সেটিই শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

আরও