অবসরের পর উসাইন বোল্টের নতুন জীবন: সিঁড়ি ভাঙতেও হাঁপিয়ে উঠছেন!

বোল্ট জানান, গত বছর অ্যাকিলিস টেন্ডন ইনজুরির কারণে এখন আর দৌড়ান না, শুধু জিম করেন। তিনি স্বীকার করেন, ‘সিঁড়ি দিয়ে হাঁটলে আমার শ্বাসকষ্ট হয়। তাই এখন দৌড়ানোর অভ্যাসটা আবার শুরু করতে হবে।’

রেস ট্র্যাকে ফিরলেন উসাইন বোল্ট। তবে এবার প্রতিযোগী হিসেবে নয়, দর্শক ও দূত হয়ে। টোকিওর ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ৬০ হাজার দর্শকের সামনে দেখা গেল তার পুরনো ভঙ্গি—‘টু দ্য ওয়ার্ল্ড’ স্যালুট। তবে অবসরের ছয় বছর পর ৩৯ বছর বয়সী এই জ্যামাইকান স্বীকার করেছেন, এখন সিঁড়ি ভাঙতেই হাঁপিয়ে ওঠেন তিনি। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

অবসর-পরবর্তী জীবন নিয়ে খোলাখুলি বোল্ট বলেন, এখন সময় কাটে মূলত সিনেমা দেখা, লেগো জোড়া দেয়া আর সন্তানদের সঙ্গে। একদিনের রুটিনে থাকে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানো, মাঝে মাঝে জিমে যাওয়া আর অলস সময় কাটানো। ‘কখনো মুড ভালো থাকলে ব্যায়াম করি। দৌড়ানো একেবারেই হয় না,’ বললেন তিনি।

বোল্ট জানান, গত বছর অ্যাকিলিস টেন্ডন ইনজুরির কারণে এখন আর দৌড়ান না, শুধু জিম করেন। তিনি স্বীকার করেন, ‘সিঁড়ি দিয়ে হাঁটলে আমার শ্বাসকষ্ট হয়। তাই এখন দৌড়ানোর অভ্যাসটা আবার শুরু করতে হবে।’

অ্যাথলেটিক্সে নতুন প্রজন্ম কেন আগের মতো দ্রুত না— সে প্রসঙ্গে বোল্টের দাবি, ‘আমাদের সময়ের প্রতিভা আলাদা ছিল। প্রযুক্তি নয়, প্রতিভাই আসল।’ ৮টি অলিম্পিক স্বর্ণজয়ী বোল্ট এখনো ধরে রেখেছেন তিনটি বিশ্বরেকর্ড—১০০ মিটার, ২০০ মিটার এবং ৪*১০০ মিটার রিলেতে।

তিনি আরো বলেন, ক্রীড়াবিদদের উচিত দর্শকদের সঙ্গে আরো ব্যক্তিত্বপূর্ণভাবে যুক্ত হওয়া। ‘আমি সবসময় চেষ্টা করেছি আনন্দ ভাগাভাগি করতে, তাই মানুষও আমাকে পছন্দ করেছে।’

অবশেষে, নিজের সন্তানদের ২০২৭ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে নিয়ে যেতে চান বোল্ট। আসরটি অনুষ্ঠিত হবে বেইজিংয়ে—যেখানে ২০০৮ অলিম্পিকে শুরু হয়েছিল তার কিংবদন্তির পথচলা।

আরও