ফ্লোরিডা এখন গোলাপি। অন্তত লিগস কাপে তাই। ইনজুরি কাটিয়ে ফিরেই আবারো নায়ক লিওনেল মেসি। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থেকে ফিরে এসে স্থানীয় সময় বুধবার রাতে চেজ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টাইন মহাতারকার জোড়া গোলে ইন্টার মায়ামি ৩–১ ব্যবধানে হারাল রাজ্যের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অরল্যান্ডো সিটিকে এবং নিশ্চিত করল ফাইনালের টিকিট।
এই জয়ের ফলে ইন্টার মায়ামি ২০২৬ সালের কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপের যোগ্যতা অর্জন করেছে। সে সঙ্গে, রোববার সিয়াটেল সাউন্ডার্স এফসির বিপক্ষে লিগস কাপ ফাইনালে খেলবে মেসির দল। এর থেকেও তাদের কাছে বেশি সন্তোষজনক বিষয় হলো, ফ্লোরিডা ডার্বিতে অরল্যান্ডো সিটির বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে পারল তারা। এর আগে এমএলএস রেগুলার সিজনে এই অরল্যান্ডো সিটির কাছেই তারা দুটি ম্যাচে ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরেছিল।
ইন্টার মায়ামির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয়ের জন্য মেসির ওপর নির্ভরশীলতা নতুন নয়। এই ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ম্যাচ শেষে এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, ‘আমি খেলতে চেয়েছিলাম। গ্যালাক্সির বিপক্ষে ফেরার পর থেকেই অস্বস্তি বোধ হচ্ছিল। আমি নিজেকে এই ম্যাচের জন্য প্রস্তুত করেছি কারণ, জানতাম এটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
অরল্যান্ডোর হয়ে মার্কো পাসালিচ প্রথমার্ধের একেবারে শেষদিকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। তবে ৭৭ মিনিটে বক্সের ভেতর ডেভিড ব্রেকালোর হাতে বল লাগলে পেনাল্টি পায় মায়ামি। গোল করে স্কোর সমান করেন মেসি। ১১ মিনিট পর সাবেক বার্সেলোনা সতীর্থ জর্ডি আলবার সঙ্গে দুর্দান্ত ওয়ান-টু-ওয়ান করে ফারপোস্টে নেয়া শটে গোলরক্ষক পেড্রো গালেসকে পরাস্ত করেন এলএমটেন।
বদলি খেলোয়াড় তেলাসকো সেগোভিয়া দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে আরেকটি গোল যোগ করেন। তবে মায়ামির জয়ের মূল নায়ক ছিলেন মেসি। তার সাবেক বার্সা সতীর্থ সার্জিও বুস্কেটস বলেন, ‘আমি জানি না সে ১০০ শতাংশ ফিট ছিল কিনা, কারণ ইনজুরি থেকে ফেরার পর সে কিছুটা নিষ্ক্রিয় ছিল। কিন্তু দেখুন সে কী করেছে!’