চ্যাম্পিয়নস লিগের মঞ্চে স্পোর্টিং লিসবনের মুখোমুখি হয়ে শেষ মুহূর্তের হৃদস্পন্দন থামানো গোলে ২-১ ব্যবধানে হেরে মাঠ ছেড়েছে লুইস এনরিকের পিএসজি। লুইস সুয়ারেজের জোড়া গোল ফরাসি জায়ান্টদের সরাসরি শেষ ষোলোয় ওঠার স্বপ্নকে বড়সড় ধাক্কা দিল। অন্যদিকে, খারাপ সময় পেছনে ফেলার ইঙ্গিত দিয়ে মোনাকোকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
পুরো ম্যাচে আধিপত্য দেখালেও গোলমুখে খেই হারিয়ে ফেলেছিল পিএসজি। দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতির বিপরীতে গোল করে স্পোর্টিংকে এগিয়ে দেন সুয়ারেজ। অবশ্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি, কাভিশা কাভারাস্খেইয়ার এক দর্শনীয় শটে সমতায় ফেরে পিএসজি। সবাই যখন ড্র ধরে নিয়েছে, ঠিক তখনই অন্তিম মিনিটে আবারো জ্বলে ওঠেন সুয়ারেজ। তার জয়সূচক গোলটি স্পোর্টিংকে ১৩ পয়েন্টে পৌঁছে দিল, আর পিএসজিকে ঠেলে দিল অনিশ্চয়তার মুখে। পরবর্তী ম্যাচে নিউক্যাসলের বিপক্ষে জয় ছাড়া এখন আর কোনো পথ খোলা নেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের।
এদিকে, গত রাতের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু দেখল এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টি। কোচ জাবি আলোনসোকে বরখাস্ত করা, কোপা ডেল রে থেকে বিদায় এবং সমর্থকদের নজিরবিহীন দুয়োর মুখে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ যেন ফিনিক্স পাখির মতো জেগে উঠল। মোনাকোকে ৬-১ গোলে বিধ্বস্ত করে তারা কেবল ম্যাচ জেতেনি, জয় করেছে সমর্থকদের মনও।
মাস্তানতুয়ানোর গোল। ছবি- রয়টার্স
মোনাকোর রক্ষণভাগকে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিয়ে জালের দেখা পেয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে, জুড বেলিংহ্যাম এবং তরুণ তুর্কি ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়ানো। এছাড়া মোনাকোর টিলো কেহরারের একটি আত্মঘাতী গোল রিয়ালের গোল উৎসবকে আরো পূর্ণতা দেয়।
কোপেনহেগেনে দেখা গেল অন্য লড়াই। স্কট ম্যাকটমিনের গোলে নাপোলি এগিয়ে গেলেও ১০ জনের কোপেনহেগেন হাল ছাড়েনি। পেনাল্টি মিস করলেও ফিরতি বলে গোল করে জর্ডান লারসন নাপোলির হাত থেকে ১ পয়েন্ট ছিনিয়ে আনেন।
অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডসের জায়ান্ট আয়াক্স দেখিয়েছে কামব্যাক। আসরের প্রথম ৫ ম্যাচ হেরেও এখন তারা শেষ ২৪-এর স্বপ্ন দেখছে। ভিয়ারিয়ালের মাঠে পিছিয়ে পড়েও অলিভার এডভার্ডসেনের ৯০ মিনিটের গোলে ২-১ ব্যবধানে নাটকীয় জয় পায় ডাচ ক্লাবটি।