নতুন রেকর্ড

পৃথিবীর বাইরে সবচেয়ে দূরবর্তী স্থানে আর্তেমিসের নভোচারীরা

গতকাল গ্রিনিচ সময় বিকাল তিনটা ৫৮ মিনিটে চার নভোচারী চাঁদের পেছন দিকে সবচেয়ে দূরবর্তী জায়গায়টিতে পৌঁছান। তখন পৃথিবী থেকে তারা প্রায় ৪ লাখ ৬ হাজার ৭৭১ কিলোমিটার বা ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬ মাইল দূরে অবস্থান করছিল বলে জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা

পৃথিবীর বাইরে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দূরবর্তী স্থানে যাওয়া মানুষ হওয়ার নতুন রেকর্ড গড়লেন আর্টেমিস-২ এর নভোচারীরা। তারা বলছেন, আমরা এমন সব দৃশ্য দেখেছি, যা আগে কোনো মানুষ দেখেনি। খবর বিবিসি।

গতকাল গ্রিনিচ সময় বিকাল তিনটা ৫৮ মিনিটে চার নভোচারী চাঁদের পেছন দিকে সবচেয়ে দূরবর্তী জায়গায়টিতে পৌঁছান। তখন পৃথিবী থেকে তারা প্রায় ৪ লাখ ৬ হাজার ৭৭১ কিলোমিটার বা ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৬ মাইল দূরে অবস্থান করছিল বলে জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

এর আগে মহাকাশে এত দূরে কোনো মানুষ যেতে করেনি। নতুন এ রেকর্ড গড়ার সময় পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন নভোচারীরা। প্রায় ৪০ মিনিট যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর পুনরায় সংযোগ স্থাপিত হয়।

পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী স্থানে যাওয়ার নতুন রেকর্ড গড়ার জন্য নভোচারীদের অভিনন্দন জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ওরিয়ন থেকে পৃথিবী। ছবি: নাসা

পুনরায় সংযোগ স্থাপিত হওয়ার পর নভোচারীদের সঙ্গে সরাসরি কথাও বলেন তিনি। জানতে চান, কেমন ছিল পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার অভিজ্ঞতা। জবাবে আর্তেমিস-২ এর কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান বলেন, ‘আমরা এমন সব দৃশ্য দেখেছি, যা আগে কোনো মানুষ দেখেনি—এমনকি অ্যাপোলো অভিযানের সময়ও নয়। আমাদের জন্য তা ছিল সত্যিই বিস্ময়কর।’

‘হঠাৎ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর আপনাদের কেমন লাগছিল?’, প্রশ্ন করেন ট্রাম্প। নভোচারী ভিক্টর গ্লোভার বলেন, সংযোগ চলে যাওয়ার পর তিনি ‘কিছুক্ষণ প্রার্থনা’ করেছিলেন। কিন্তু তখনো চাঁদের দূরবর্তী অংশের বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ ও প্রাপ্ত তথ্যগুলো লিপিবদ্ধ করা লেগেছিল বলে জানান।

‘আমরা এখানে বেশ ব্যস্ত ছিলাম এবং কঠোর পরিশ্রম করছিলাম। আর বলতেই হয়, ব্যাপারটা আসলে বেশ ভালোই ছিল।’

১৯৭০ সালে চাঁদে গিয়েছিল ‘অ্যাপোলো-১৩’। এতদিন সেটাই ছিল পৃথিবী থেকে মহাকাশের সবচেয়ে দূরবর্তী জায়গায় মানুষের যাওয়ার রেকর্ড। সোমবার তা ভেঙে দিল আর্তেমিস-২।

আরও