দ্বিতীয় প্রান্তিক

এনভিডিয়ার ৩৯% আয়ে অবদান দুই গ্রাহকের

২৭ জুলাই শেষ হওয়া এনভিডিয়ার দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) মোট আয়ের ৩৯ শতাংশের অবদান দুই গ্রাহকের।

২৭ জুলাই শেষ হওয়া এনভিডিয়ার দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) মোট আয়ের ৩৯ শতাংশের অবদান দুই গ্রাহকের। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) জমা দেয়া নথিতে এ তথ্য উল্লেখ করেছে চিপ নির্মাতা কোম্পানিটি। খবর টেকক্রাঞ্চ।

প্রান্তিকটির আর্থিক প্রতিবেদনে ৪ হাজার ৬৭০ কোটি ডলারের রেকর্ড আয়ের কথা জানিয়েছে এনভিডিয়া, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৬ শতাংশ বেশি। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ডাটা সেন্টারের ব্যাপক চাহিদা এ প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। তবে এসইসিতে জমা দেয়া নথিতে দেখা গেছে, রেকর্ড আয়ের একটি বড় অংশ এসেছে খুবই কমসংখ্যক গ্রাহকের কাছ থেকে।

নথিটিতে ওই দুই গ্রাহকের পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি। বরং নামের ঘরে দেয়া হয়েছে ‘কাস্টমার এ’ ও ‘কাস্টমার বি’। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ২৩ শতাংশ আয়ে ভূমিকা রেখেছে কাস্টমার এ। আর কাস্টমার বির অবদান ছিল ১৬ শতাংশে। চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে এ দুই গ্রাহকের অবদান ছিল যথাক্রমে ২০ ও ১৫ শতাংশ। এছাড়া এনভিডিয়ার আয়ে একই প্রান্তিকে আরো চার গ্রাহকের অবদান যথাক্রমে ১৪, ১১, ১১ ও ১০ শতাংশ।

নথিতে বলা হয়েছে, এসব গ্রাহক কোম্পানির কেনাবেচার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। অর্থাৎ তারা মূল সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক (ওএম), সিস্টেম ইন্টিগ্রেটর বা পরিবেশক। ক্লাউড পরিষেবা প্রদানকারী (সিএসপি) ও ভোক্তা ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর মতো পরোক্ষ গ্রাহকরা এদের কাছ থেকে এনভিডিয়ার চিপ কেনে। ফলে গুগল, মাইক্রোসফট, অ্যামাজন বা ওরাকলের মতো বড় ক্লাউড সরবরাহকারীরা সরাসরি গ্রাহক হিসেবে তালিকাভুক্ত না হলেও তারাই পরোক্ষভাবে এ বিশাল ব্যয় করে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান গিমি ক্রেডিটের বিশ্লেষক ডেভ নভোসেল মনে করেন, এত অল্পসংখ্যক গ্রাহকের ওপর আয়ের এ ধরনের নির্ভরতা কোম্পানিটির জন্য বড় ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তবে আশার কথা হলো এ গ্রাহকদের হাতে প্রচুর অর্থ রয়েছে এবং তারা আগামী কয়েক বছর ডাটা সেন্টারের পেছনে বিপুল পরিমাণ খরচ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও