গ্রিন ফাইন্যান্সিংয়ে পিকেএসএফের কর্মসূচি

পিকেএসএফের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পটির মোট বাজেট ১৩ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ১১ কোটি ডলার এবং পিকেএসএফের ২ কোটি ডলার। প্রকল্পের আওতায় ৩০টি আর্থিক উপখাতে ৬৪টি উপ-প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করতে বেশকিছু সুনির্দিষ্ট গ্রিন ফাইন্যান্সিং বা সবুজ অর্থায়ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা, পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তা তৈরি এবং নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবুজ অর্থায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে সংস্থাটি।

সৌরবিদ্যুতে অর্থায়ন

দেশে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সঙ্গে ৫০০ কোটি টাকার একটি চুক্তি করেছে পিকেএসএফ। ১৪ অক্টোবর অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব নাজনীন সুলতানা এবং পিকেএসএফের জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক ড. একেএম নুরুজ্জামান এ চুক্তিতে সই করেন।

এ উদ্যোগের আওতায় পিকেএসএফ তার সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে গ্রাহকদের ৬ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে। এ লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে অর্থায়ন সহজ করা এবং সারা দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ত্বরান্বিত করতে একটি বিশেষায়িত ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি অর্থায়ন কর্মসূচি’ চালু করেছে সংস্থাটি।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়িয়ে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো, প্রচলিত জ্বালানির উৎসের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং টেকসই উন্নয়নে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।

ক্ষুদ্র শিল্পের সবুজ রূপান্তরে পিকেএসএফের ‘‌স্মার্ট’ প্রকল্প

জ্বালানি ও পানির অপচয় কমানো, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার এবং পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ক্ষুদ্র শিল্পকে জলবায়ু সহনশীল ও পরিবেশবান্ধব করতে কাজ করছে পিকেএসএফের স্মার্ট প্রকল্প। সহজ অর্থায়নের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎপাদন ব্যবস্থায় সবুজ রূপান্তর আনাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

সরকারের সহায়তায় এবং বিশ্বব্যাংক ও পিকেএসএফের যৌথ অর্থায়নে ২০২৩ সালের আগস্টে শুরু হয় সাসটেইনেবল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট ট্রান্সফরমেশন (স্মার্ট) প্রকল্প। পিকেএসএফের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশের ৫৪টি সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ৬৩ হাজার ৮৬২ জন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেয়া হয়েছে। দেশের ৫৪ জেলার ২৩৭টি উপজেলায় প্রকল্পটির কার্যক্রম চলছে। এ সময় পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় ছিল ৭০টি উপ-প্রকল্প।

প্রকল্পটির মূল ভিত্তি হলো সম্পদসাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন উৎপাদন (আরইসিপি)। এ পদ্ধতিতে উৎপাদনে কাঁচামাল, পানি ও জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি বর্জ্য ও দূষণ কমানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় সৌরবিদ্যুচ্চালিত সেচ, গবাদিপশুর খামারে ফগার প্রযুক্তি, আনারসের পরিত্যক্ত পাতা থেকে সাইলেজ উৎপাদন, চালকলে ধুলা সংগ্রহের যন্ত্র এবং নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনে পানি পুনর্ব্যবহারের মতো উদ্যোগ রয়েছে। তাঁত শিল্পে আধুনিক র‍্যাপিয়ার লুম ব্যবহারের মাধ্যমেও উৎপাদন প্রক্রিয়া উন্নত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রকল্পটির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ২০২৪ সালে প্রকাশিত একটি পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যায়, জরিপ করা ৫ হাজার ৪৫৭টি ক্ষুদ্র উদ্যোগের মাত্র ১৩ শতাংশ সম্পদসাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন উৎপাদন পদ্ধতি সম্পর্কে জানত। আর এসব উদ্যোগের মাত্র ২ দশমিক ৮৪ শতাংশ এ ধরনের ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেছিল। ফলে ক্ষুদ্র শিল্পে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্রে সচেতনতা ও সক্ষমতার ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ছবি: পিকেএসএফ

স্মার্ট প্রকল্পে তাই শুধু ঋণ নয়, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন, পরিবেশগত প্রভাব পর্যবেক্ষণ এবং বাজার সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। প্রকল্পের লক্ষ্য, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়ানো।

তবে পরিবেশগত সুফল নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির কার্যকারিতা, জ্বালানি ও পানির ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং দূষণ হ্রাসের পরিমাণ নিয়মিত পরিমাপ জরুরি। পাশাপাশি সহজ অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখা গেলে ক্ষুদ্র শিল্পের সবুজ রূপান্তর দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

জলবায়ুসহিষ্ণুতা ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তা উন্নয়নে গ্রিন প্রকল্প

জলবায়ুসহিষ্ণু কৃষি, পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও পুষ্টি খাতের বিকাশে ২ হাজার ৫৪০ কোটি টাকার ‘গ্রিন’ প্রকল্প চালু করেছে পিকেএসএফ। ২০২৬-৩১ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের আওতায় দেশের হাওর, উপকূলীয়, বরেন্দ্র ও চরাঞ্চলের ২ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি পরিবার সরাসরি উপকৃত হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ২১১ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ৭০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করবে ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট (ইফাদ)। বাকি অর্থ দেবে পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাগুলো।

‘গ্রোথ ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড নিউট্রিশন (গ্রিন)’ শীর্ষক প্রকল্পটি গত ৩০ জুলাই ঢাকায় উদ্বোধন করে পিকেএসএফ। এর আগে গত ৩ জুন প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সঙ্গে ঋণ ও অনুদান-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে সংস্থাটি। ওই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে প্রকল্পে অর্থায়ন করবে ইফাদ।

প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, নারী ও তরুণ উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র কৃষি উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং সামাজিকভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। জলবায়ুসহিষ্ণু খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো, অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক সেবা সম্প্রসারণ এবং পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করা হবে এ উদ্যোগের মাধ্যমে।

প্রকল্পের আওতায় ডিজিটাল অর্থায়ন, কৃষি বাস্তুসংস্থানভিত্তিক চাষাবাদ, কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ, স্থানীয় পর্যায়ে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ ও মূল্য সংযোজন এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দেয়া হবে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো এবং বৃত্তাকার অর্থনীতির প্রসারের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি ও টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল কাদের প্রকল্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, প্রচলিত ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের গণ্ডি পেরিয়ে প্রবৃদ্ধিমুখী অর্থায়নের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। গ্রিন প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতকে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়া হবে।

গত ৩ জুন বাংলাদেশ সচিবালয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেন পিকেএসএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব নাজনীন। প্রকল্পের কার্যক্রম বাস্তবায়নে দারিদ্র্যের প্রবণতা, জলবায়ু ঝুঁকি ও কৃষির সম্ভাবনা বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

পরিবেশগতভাবে টেকসই ব্যবসায়িক চর্চার সহায়তায় এসইপি প্রকল্প

দেশের ক্ষুদ্র শিল্পে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার দক্ষ করতে সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি) বাস্তবায়ন করছে পিকেএসএফ। ২০১৮ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পরিবেশগতভাবে টেকসই ব্যবসায়িক চর্চা গ্রহণে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেয়া হচ্ছে। কৃষিভিত্তিক ব্যবসা ও উৎপাদন খাতের উদ্যোগগুলো এ প্রকল্পের আওতাভুক্ত।

পিকেএসএফের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্পটির মোট বাজেট ১৩ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ১১ কোটি ডলার এবং পিকেএসএফের ২ কোটি ডলার। প্রকল্পের আওতায় ৩০টি আর্থিক উপখাতে ৬৪টি উপ-প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

প্রকল্পের আওতায় ৪৭টি সহযোগী সংস্থার অনুকূলে ঋণ হিসেবে ৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছিল ৮ কোটি ৪৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

ক্ষুদ্র শিল্পে অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জ্বালানির অপচয় এবং উৎপাদনজনিত দূষণ পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এসব ক্ষতি কমাতে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি, সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহার এবং পরিবেশগত বিধিবিধান অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এসইপি। এ ধরনের উদ্যোগ দূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সহায়ক হতে পারে।

পিকেএসএফের মধ্যবর্তী মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকল্পের আওতাভুক্ত ৮০ শতাংশের বেশি ক্ষুদ্র উদ্যোগ অন্তত একটি পরিবেশগতভাবে টেকসই চর্চা গ্রহণ করেছে। এছাড়া ৭৮ শতাংশ উদ্যোক্তা ভবিষ্যতেও এসব চর্চা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছেন। ২০২১ সালের ২১ অক্টোবর পিকেএসএফ ভবনে পাথমার্ক অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডের উপস্থাপিত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে।

উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বাড়ানো ও পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতেও কাজ করছে প্রকল্পটি। ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট ৪৫ হাজার ৪৮৬ জন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তাদের মধ্যে নারী ২০ হাজার ৬৮৪ এবং পুরুষ ২৪ হাজার ৮০২ জন। প্রশিক্ষণে কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, পরিবেশ সচেতনতা, বাজারসংযোগ, ব্যবসায়িক সনদায়ন ও পরিবেশগত ছাড়পত্রের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বিশ্বব্যাংকের ২০২১ সালের ৯-১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সপ্তম বাস্তবায়ন সহায়তা মিশনে প্রকল্পটির অগ্রগতিকে ‘সন্তোষজনক’ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের আচরণে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনতে

‘নাজ থিওরি’ প্রয়োগের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিবেশ এমনভাবে সাজানো হয়, যাতে উদ্যোক্তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরিবেশবান্ধব চর্চায় আগ্রহী হন।

তবে ক্ষুদ্র শিল্পের সবুজ রূপান্তরে প্রকল্পটির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব মূল্যায়নের জন্য বর্জ্য হ্রাস, জ্বালানি ও পানি সাশ্রয় এবং কার্বন নিঃসরণের পরিবর্তনের মতো সূচকে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ জরুরি। এসব সূচকের মাধ্যমে পরিবেশ ও জলবায়ু সুরক্ষায় প্রকল্পটির প্রকৃত অবদান আরো স্পষ্টভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হবে।

আরও