আগামী ১০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করতে চাই

মাহমুদ হাসান খান

সভাপতি, বিজিএমইএ

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় একক রফতানি বাজার। দীর্ঘদিনের এ বাণিজ্য সম্পর্ককে আপনি বর্তমানে কোন পর্যায়ে দেখছেন এবং গত এক দশকে বাজারটির কী পরিবর্তন হয়েছে?

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একক বৃহত্তম রফতানি বাজার। গত এক দশকে সার্বিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রেও আমাদের প্রবৃদ্ধি আছে। গত বছরটা আমাদের জন্য খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল শুল্কের কারণে। কিন্তু আমরা আগেও যেটা বলেছি, শুল্ক পরিস্থিতি আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে একটা সহনীয় পর্যায়ে ছিল। আমরা আশা করছি, নতুন করে যে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভিয়েতনাম, চীন সাড়ে ১২ শতাংশ আর অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের সঙ্গে আমাদেরটা সমান আছে, ১০ শতাংশ। আমরা এখানে প্রবৃদ্ধির সুযোগ দেখছি।

আমরা এটাও জানতে পারছি যে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ব্যবহার করে যদি আমরা পণ্য তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করি, সেটা শুল্কের আওতামুক্ত থাকবে। এজন্য মাত্র চারটি দেশ নির্ধারণ করা হয়েছে—বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও কম্বোডিয়া। আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ পাকিস্তান, ভারত, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া যেহেতু সুযোগ পাবে না, আমরা আশা করি এ সুযোগের সদ্ব্যবহার করে আগামীতে যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের রফতানি বাড়বে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি এখনো তৈরি পোশাকনির্ভর। পোশাকের বাইরে কোন কোন পণ্যের সম্ভাবনা দেখছেন এবং সেসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে প্রধান বাধা কী?

পোশাকের বাইরে অন্যান্য পণ্যের সম্প্রসারণের অবশ্যই সুযোগ আছে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের যেসব স্টোরে পোশাক সরবরাহ করি, উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ওয়ালমার্ট, টার্গেটসহ তারা কিন্তু পোশাকের বাইরে অন্যান্য পণ্যও বিক্রি করে। তাদের স্টোরে আরো অনেক পণ্য আছে। সেখানে আমাদের সুযোগ আছে।

আমরাও চাই না একটা নির্দিষ্ট পণ্যনির্ভর রফতানিতে আটকে থাকি। যেমন ব্যাকপ্যাক নিয়ে আলোচনা চলছে। তারপর টেন্ট নিয়ে কথা হচ্ছে এবং ব্যাকপ্যাক এরই মধ্যে রফতানি শুরু হয়েছে, টেন্টও রফতানি হয়। এগুলোর পরিসর বিস্তারিত করতে হবে।

যেমন পাদুকা যদি বলি, পাদুকা মানে কিন্তু আগে লেদার বুঝাত। এখন লেদারের পাশাপাশি কাপড় দিয়েও জুতা তৈরি হয়। আর এটা কিন্তু একটা ফ্যাশনেবল আইটেমে পরিণত হয়েছে। সুতরাং আমরা যদি কাপড়ের তৈরি পাদুকা, তারপরে ব্যাকপ্যাক, হোম টেক্সটাইল এবং টেন্টের দিকে নজর দিই, তাহলে এগুলো অবশ্যই বাড়ানো সম্ভব।

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ও বাণিজ্যনীতির সাম্প্রতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশের পোশাক রফতানির প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান কতটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে? এ ক্ষেত্রে সরকারের করণীয় কী?

এক্সটারনাল বা বহিরাগত চ্যালেঞ্জ নেই বললেই চলে। ওখানে আমরা প্রতিযোগিতা করতে পারব। যেটা আমাদের চ্যালেঞ্জ, সেটা অভ্যন্তরীণ। সেটা হচ্ছে জ্বালানি, অবকাঠামো ইস্যু। আর হলো আমাদের গভীর সমুদ্রবন্দর। আর আছে লিড টাইম ইস্যু। সম্প্রতি এক বড় ক্রেতার সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। ওরা আমাদের কাছে জানতে চায় যে লিড টাইম ইস্যুটা কীভাবে সমাধান করা যায়। আপনারা জানেন, আমাদের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের কাজ চলমান এবং নৌ-পরিবহনমন্ত্রী বলেছেন যে এটা দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যাবে। এটা হয়ে গেলে আমাদের লিড টাইম আট থেকে ১০ দিন কমে যাবে। ১০ দিন লিড টাইম কমে গেলে অন্যান্য প্রতিযোগী দেশের সঙ্গে আমরা আরো সহজে প্রতিযোগিতা করতে পারব।

বাধার কথা যদি বলি, তাহলে মোটাদাগে জ্বালানি, অবকাঠামো এবং লিড টাইম কমানোর জন্য গভীর সমুদ্রবন্দর। আর অবকাঠামোর মধ্যে যদি বলি, ১ নম্বরে থাকবে ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়ককে এক্সপ্রেসওয়ে করা।

শ্রম অধিকার, পরিবেশ, কার্বন নিঃসরণ ও সরবরাহ শৃঙ্খলের স্বচ্ছতা এখন মার্কিন ক্রেতাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এসব নতুন প্রত্যাশা পূরণে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে আর কী ধরনের বিনিয়োগ করতে হবে?

বিনিয়োগ একটা চলমান প্রক্রিয়া। এটা কখনো এক জায়গায় থেমে থাকে না। একটা নির্দিষ্ট শিল্পে আজকে যেটাতে বিনিয়োগ করছি, আমরা সেটা ধরেন আবার পাঁচ বছর পর প্রযুক্তি পরিবর্তনের কারণে আমাদের নতুন বিনিয়োগ করতে হতেই পারে।

শ্রম অধিকার নিয়ে যে শ্রম আইন সংশোধন করা হয়েছে ২০২৫ সালে, সেটা নিয়ে সবাই মোটামুটি খুশি। আর প্রযুক্তিগত যেটা বিনিয়োগ, সেটা আমাদের নিজস্ব বিষয়। অন্যরা যদি বিনিয়োগ করে, তার সঙ্গে সঙ্গে আমাদেরও এগিয়ে যেতেই হবে। এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া।

উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে মূল্য নির্ধারণে বাংলাদেশের রফতানিকারকদের দরকষাকষির ক্ষমতা সীমিত। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এ ভারসাম্য কীভাবে পরিবর্তন করা সম্ভব?

আমাদের উৎপাদন খরচ কত আর আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের উৎপাদন খরচ কত, এটা নিয়ে ক্রেতাদের কোনো মাথাব্যথা নেই, থাকার কথাও না। ক্রেতারা দেখবে কোন দেশ থেকে তুলনামূলক প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পণ্য পাওয়া যাবে এবং তার ল্যান্ডেড কস্ট কত পড়বে।

আমাদের দেশ থেকে যখন যে এফওবি (ফ্রি অন বোর্ড) পণ্য, সেটার দাম কম হলেও যদি ল্যান্ডেড কস্ট বেশি হয়, অর্থাৎ আমার পরিবহন খরচ বেশি হয়, শুল্ক বেশি হয় বা অন্যান্য কারণে আমাদের খরচ বাড়ে, তাহলে তারা মুখ ফিরিয়ে নেবে।

কাজেই মাথায় রাখতে হবে যে এটা আন্তর্জাতিক ব্যবসা, এখানে এমন না যে বাংলাদেশ একমাত্র পোশাক তৈরি করে, অন্যরা করে না। সুতরাং আমরা যে মূল্য চাইব, সেটাই পাব। যেহেতু এটা আন্তর্জাতিক ব্যবসা, তাই আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের যে দেশগুলো প্রতিযোগী, তারা যে দাম দেয়, আমাদের দাম তার কাছাকাছি থাকতে হবে, কিছুটা কমও হতে হবে।

এজন্য কম হতে হবে যে কারণ আমাদের লিড টাইম বেশি লাগে। সেখানে আমাদের যে দক্ষতা, সেটা যে বৃদ্ধি পেয়েছে, সেটা ধরে রাখা এবং আরো উন্নত করা। এখানে কিছু জায়গায় অটোমেশনে যেতে হবে, সেমি-অটোমেশনে যেতে হবে। সর্বশেষ যে প্রযুক্তি আছে, সেগুলো ব্যবহার করার চেষ্টা করে আমাদের আরো দক্ষ হতে হবে। তাহলে আমরা প্রতিযোগিতা সক্ষমতা রাখতে পারব।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ড ও রিটেইলারদের সঙ্গে পোশাক বাণিজ্যের সম্পর্ককে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও নতুন পণ্যে সম্প্রসারণের সুযোগ কতটা রয়েছে? এজন্য কী ধরনের পরিবেশ প্রয়োজন?

সেটা তো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ একটা নির্দিষ্ট রিটেইলার, ব্র্যান্ড, একটা নির্দিষ্ট দেশে অনেক দিন ধরে কাজ করলে এক ধরনের পারস্পরিক বোঝাপড়া বা আস্থার তৈরি হয়। চাইলেই একজন রিটেইলার একটা দেশে ২০ বছর, ২৫ বছর ব্যবসা করার পরে রাতারাতি গুটিয়ে নিয়ে যায় না, যদি না কোনো বড় ধরনের সমস্যা হয়। তো সেই সম্পর্কের ভিত্তিতে বায়াররা, রিটেইলাররা সময় সময় আমাদের পরামর্শ দেয় যে আমাদের এ জায়গায় বিনিয়োগ করা উচিত। কোন কোন জায়গায় বিনিয়োগ করা উচিত, কোন কোন জায়গায় ফোকাস করলে আমরা প্রতিযোগিতামূলক থাকব। তারা কম-বেশি পরামর্শ দেন সবসময়। কারণ এখানে তো উভয়ের স্বার্থ জড়িত আছে।

এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের পর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা আরো কঠিন হতে পারে কি? বাজার প্রবেশাধিকার ও শুল্ক সুবিধা ধরে রাখতে বাংলাদেশকে কী ধরনের দীর্ঘমেয়াদি দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর দিকে এগোতে হবে?

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যাওয়াটা কঠিন হওয়ার কোনো কারণ দেখি না। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তো আমরা এখন ট্যারিফ, শুল্ক দিচ্ছি। তখনো দেব। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনে যদি আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করতে না পারি, তখন আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে।

আমরা যদি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এফটি নেগোশিয়েট করতে পারি, আমাদের জন্য ভালো হবে। কারণ বিশ্বের অনেক ভালো ভালো ব্র্যান্ড, এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ডও আছে, যারা বাংলাদেশে এখনো আসেনি। আসেনি ‘কান্ট্রি ইমেজ’-এর কারণে।

অনেক বড় ব্র্যান্ড আছে, যারা এলডিসি দেশগুলো থেকে সোর্স করতে চায় না। তারা মনে করে যে এখান থেকে সোর্স করলে এই ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগ থাকলে তাদের স্ট্যান্ডার্ড, তাদের যে পণ্যের মান, কমে যাবে বা তাদের ব্র্যান্ড ইমেজ ক্ষুণ্ন হবে।

এলডিসি থেকে উত্তরণ হয়ে গেলে আমরা তখন কিন্তু এ জায়গাটায় একটু হলেও বরং আমি মনে করি, সুবিধা হবে। কিন্তু বড় চ্যালেঞ্জ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যান্য দেশ, যাদের সঙ্গে আমাদের এখন শুল্ক সুবিধা আছে, সেটা সমাধান করা। অর্থাৎ এফটিএ করা।

আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র পোশাক বাণিজ্যকে আপনি কোথায় দেখতে চান? এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার, বিজিএমইএ ও উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকারভিত্তিক তিনটি পদক্ষেপ কী হওয়া উচিত?

১০ বছরে অন্তত ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করতে চাই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে। এর মধ্যে যত বেশি সম্ভব যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ব্যবহার করে সুবিধাটা নিতে হবে। কারণ আমাদের অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত, পাকিস্তান তুলা ব্যবহার করবে না। কারণ তাদের নিজস্ব প্রচুর তুলা আছে। তাদের যারা তুলা উৎপাদক, তাদেরকে খুশি রাখতে হবে, যেই চ্যালেঞ্জটা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নেই।

আমি যেটা দেখতে চাই, সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি। একই সময়ে মূল্য সংযোজন। আমরা মূল্য সংযোজিত পণ্য করতে চাই। আর আমাদের সরকারের কাছ থেকে যেটা লাগবে, সেটা হলো নীতিগত সহায়তা। সরকার বাইরে থেকে ব্যবসা এনে দেবে না, নীতি দেবে। নীতিটা বিনিয়োগবান্ধব হতে হবে এবং ধারাবাহিকতা থাকতে হবে। এটাই আমরা সরকারের কাছ থেকে চাই।

কাজ আমাদের করতে হবে, সেটা আমরা করছি। যেমন আমরা এইচএসবিসির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক করেছি। গতকাল আমাদের এক বায়ারকে বলেছি, আমাদের এখন লক্ষ্য হচ্ছে যেসব বায়ার এরই মধ্যে বাংলাদেশ থেকে সোর্স করছে, তাদের বাইরে যেসব বায়ার এখনো বাংলাদেশ থেকে সোর্স শুরু করেনি অথবা অল্প করছে, তাদের বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানো। তারা যেন বাংলাদেশ থেকে সোর্স করে।

কারণ নির্দিষ্ট একটা বায়ার নির্দিষ্ট একটা সোর্স থেকে তার মোট সোর্সিংয়ের ৫০ শতাংশের বেশি সোর্স করতে চায় না। আমাদের দেশে আমেরিকান এবং ইউরোপীয় যে অনেক বড় বড় বায়ার আছে, তাদের যে সোর্সিং নীতি, তা এরই মধ্যে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পূরণ হয়ে গেছে।

সুতরাং যারা বিদ্যমান রিটেইলার, তারা চাইলেই কিন্তু বাংলাদেশ থেকে আর বেশি সোর্সিং করবে না। কারণ তারা সব ডিম এক ঝুড়িতে থাকতে চায় না।

সেক্ষেত্রে আমাদের বিকল্প হচ্ছে নতুন বায়ার অথবা ওইসব বায়ারের দিকে ফোকাস করা, যারা বাংলাদেশ থেকে কম সোর্সিং করছে। এইচএসবিসির সঙ্গে এমওইউর মাধ্যমে ওদের নিয়ে কাজ করছি এবং আমরা হংকংয়ে অক্টোবর মাসে একটা মিটিংও করব, এক ধরনের রোড শো।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী পণ্যের ক্রেতাদের উদ্দেশে আপনি কোনো বার্তা দিতে চান?

তাদের জন্য মেসেজ হচ্ছে যে এ মুহূর্তে আমাদের যে জ্বালানি সংকট আছে, আমরা মনে করছি এটা সাময়িক। এটা নিয়ে যেন তারা শঙ্কিত, আতঙ্কিত হয়ে তাদের সোর্সিংয়ের ধরন পরিবর্তন না করেন এবং এসব সমাধান হয়ে যাবে খুব শিগগিরই।

আমরা দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে ভালো পণ্য নির্দিষ্ট সময়ে রফতানি করছি। অদূর ভবিষ্যতে এটা আরো উন্নত হবে এবং আমাদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতাও আরো বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং আমাদের বাংলাদেশ থেকে তারা যেনো আরো বেশি সোর্স (পণ্য ক্রয় বা আমদানি) করে।

আরও