ইউরোপে রফতানিতে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অন্য খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে চাই

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

ইউরোপের বাজারে সম্ভাবনা বা সামগ্রিকভাবে তৈরি পোশাকের সম্ভাবনা এখনো অনেকখানি বাকি। বাকি বলছি এজন্য যে আমরা তো এখনো নিম্ন ও মধ্যম মূল্যের পণ্য তৈরি করি। উচ্চ মূল্যের পণ্য করি না।

কৃত্রিম তন্তুতে এখনো আমরা যথেষ্টভাবে যাইনি। এভাবে তৈরি পোশাকের মধ্যেও অনেকগুলো বিভাগ, যেগুলো মূল্য সংযোজিত বিভাগ, ওগুলো নিয়ে আমরা এখনো ওই বাজারে প্রবেশ করতে পারিনি। তো এদিকে আমাদের অংশগ্রহণ (শেয়ার) যত বাড়বে, তত আমাদের ইউনিটপ্রতি পণ্যের দাম বাড়তে থাকবে। এখনো ইউরোপের বাজার, আমেরিকান বাজার—সব বাজারেই আমাদের এখনো যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রেও।

তৈরি পোশাকের বাইরে অনেকগুলো পণ্য আছে। লেদার ও নন-লেদার পণ্য আছে, চিংড়ি আছে, মাছ আছে। পাটের সুযোগ আছে। জাহাজ নির্মাণের সুযোগ আছে। এ সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগানোর জন্য আমরা কাজ করছি এবং অল্পদিনের মধ্যেই দেখবেন, চামড়া নিয়ে আমরা একটা বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনা পেশ করব, পাট নিয়ে কর্মসূচি পেশ করব। আমরা জাহাজ নির্মাণ নিয়ে কাজ করছি। আন্তঃমন্ত্রণালয় একটা কমিটি আছে জাহাজ নির্মাণের। এবং জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ, এ দুটি নিয়েও আগামী দিনে আমরা আমাদের কর্মসূচি পেশ করব। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, তৈরি পোশাকের এখনো যথেষ্ট সুপ্ত সম্ভাবনা আছে, কিন্তু তৈরি পোশাকের আরো বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে অন্য বিভাগের ওপর আমাদের অংশগ্রহণ (শেয়ার) বাড়ানো। সঙ্গে সঙ্গে অন্য খাতগুলোতে আমাদের রফতানি বাড়ানো। এটা হচ্ছে আমাদের আগামী দিনের লক্ষ্য।

ইউরোপ অশুল্ক বাধার একটা তালিকা দিয়েছিল আমাকে, আমার সঙ্গে যখন প্রথম সাক্ষাৎ হয় তখন। সেটা নিয়ে আমরা যথেষ্ট কাজ করেছি। এবং সেই কাজের ওপর তাদেরকে আমরা একটা হালনাগাদ তথ্য দেব। আগামী কিছুদিনের মধ্যেই আমরা একটা নতুন তারিখে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বসে আমরা একটা হালনাগাদ তথ্য দেব। এটা নিয়ে আমরা কাজ করেছি। ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) তো অনেকগুলো দেশ, ২৭টি দেশ। তাদের সঙ্গে এফটি আমরা চেষ্টা করব যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করার জন্য। দু-তিন বছর তো লাগবেই।

আরও