দেশে চিকিৎসাসেবায় বেসরকারি ব্যবস্থাপনার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে স্কয়ার হাসপাতাল। শীর্ষ পর্যায়ের হাসপাতালটি বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রদান করছে। কার্ডিয়াক চিকিৎসার ক্ষেত্রেও রয়েছে সম-অবস্থান। চিফ অপারেটিং অফিসারের পদে থেকে এ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন মো. ইসাম ইবনে ইউসুফ সিদ্দিক। বাংলাদেশে কার্ডিয়াক চিকিৎসায় বেসরকারি ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা, সেবাগ্রহীতার আস্থা ও চিকিৎসাসেবার প্রসার নিয়ে বণিক বার্তার সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুহাম্মাদ শফিউল্লাহ
কার্ডিয়াক চিকিৎসায় আপনাদের হাসপাতালের বিশেষত্ব কী?
স্কয়ার হাসপাতালের যাত্রা হয় ২০০৬ সালে। এটি একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি টারশিয়ারি লেভেল কেয়ার হাসপাতাল। মাল্টিডিসিপ্লিনের মধ্যে আমাদের একটা বিষয় হলো কার্ডিয়াক সেবা। যেটাকে আমরা সেন্টার অব এক্সিলেন্স (উৎকর্ষের কেন্দ্র) বলি। এটার বিশেষত্ব হচ্ছে প্রথমত এতে অ্যাডাল্ট ও পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি দুটো সেবাই রয়েছে। যেমন নন-ইনভেসিভ কার্ডিওলজি (হৃৎস্পন্দন-জাতীয় সমস্যা), ইনভেসিভ কার্ডিওলজি (হার্ট-অ্যাটাক জাতীয় সমস্যা) দুটোই আমাদের এখানে আছে। সব ধরনের কার্ডিয়াক সার্জারির ব্যবস্থাও আমাদের এখানে আছে। এ সেবাগুলো দেয়ার জন্য উন্নত প্রযুক্তির যে চিকিৎসা যন্ত্রাংশ প্রয়োজন তা এখানে আছে। সেই সঙ্গে সাপোর্ট সার্ভিস, ইমার্জেন্সি কার্ডিয়াক পেশেন্টকে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ), কার্ডিয়াক সার্জারি ইউনিট, কার্ডিয়াক প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটও আছে। হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য যে ব্যাপক চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন তার পুরোটাই এখানে আছে। এটাই আমাদের বিশেষত্ব। এখানে বিশেষায়িত দক্ষ জনবল, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, প্রশিক্ষিত নার্স ও টেকনিশিয়ানরা আছেন। এছাড়া সবচেয়ে বড় যে ভিত্তি প্রয়োজন তা হলো রোগ নির্ণয়ের ব্যবস্থা। রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা হিসেবে আন্তর্জাতিক মানের রেডিওলজি ও প্যাথলজিক্যাল ল্যাব এখানে রয়েছে।
দেশের বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রথম সারির হাসপাতালের মধ্যে স্কয়ার হাসপাতাল অন্যতম। হাসপাতাল হিসেবে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে কোন বিষয়গুলোর ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখতে হয়?
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো অঙ্গীকার। সেটা সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে কিনা। আন্তর্জাতিক মান বলতে আমরা আসলে কী বুঝি। আন্তর্জাতিক মান বলতে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, যেটার অভাব কিছুটা আমাদের দেশে আছে। প্রয়োজন যথাযথ দক্ষ জনবল। আজকাল চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রযুক্তিনির্ভর হয়েছে। এ প্রযুক্তির সহজলভ্যতা ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। উচ্চ প্রযুক্তির যন্ত্রাংশ ও বিশেষায়িত সেবায় দক্ষ লোকবলের সমন্বয়ে যে সেবা দেয়া হয় তা আন্তর্জাতিক মানের সেবা বলে আমি মনে করি। বাংলাদেশ হৃদরোগের চিকিৎসায় অনেক এগিয়েছে। স্কয়ার হাসপাতাল এসব বিষয় নিশ্চিত করছে।
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশের হৃদরোগের চিকিৎসার প্রসার কেমন হয়েছে?
দেশে হৃদরোগের চিকিৎসার প্রসার হয়েছে। শতভাগ না হলেও ৯৫ ভাগ হয়েছে। একটা সময় এনজিওগ্রাম করতেও দেশের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ত। এখন একটা বড় সেবার ক্ষেত্রেও যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। এখন যারা দেশে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা অনেক সময় ফলোআপের জন্য বিদেশে যান। দেশের চিকিৎসকরা যেমন সেবা দেন, বিদেশের চিকিৎসকরা একই সেবা দিয়ে থাকেন। কার্ডিয়াক চিকিৎসার ক্ষেত্রে ৯৫ শতাংশ রোগী এ কথাই বলেছেন। এতে বোঝা যায় কার্ডিয়াক চিকিৎসায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে। বিশেষ করে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়।
হৃদরোগে ভুক্তভোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। তাতে সেবার পর্যাপ্ততা কি রয়েছে?
রোগীর সংখ্যা বেড়েছে এটা সত্য। বেসরকারি খাত পুরো সেবাটা দিতে পারছে না। কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত নার্সের ঘাটতি রয়েছে। আমাদের দেশে যে-সংখ্যক হৃদরোগী রয়েছেন তাদের পরিপূর্ণ সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও দক্ষ নার্সের সংকট রয়েছে। তাদের সেবা দেয়ার জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞ নার্স কম আছে। আমাদের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে মোট শয্যা প্রায় পৌনে দুই লাখ। বেসরকারিতে এ সংখ্যা বেশি। এই শয্যা মোট জনসংখ্যার জন্য পর্যাপ্ত নয়। আর যে শয্যা আছে তা কিন্তু শুধু কার্ডিওলজির জন্য নয়। সব চিকিৎসার জন্য এ শয্যা সংখ্যা। এর মধ্যে হয়তো ৫ শতাংশ হবে হৃদরোগের জন্য।
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ওপর রোগীদের সন্তুষ্টি দেখছেন কিনা?
আমরা চিকিৎসার ক্ষেত্রে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর রোগীদের সন্তুষ্টি দেখতে পাচ্ছি। সন্তুষ্টিটা হলো প্রতিক্রিয়া। আমরা দেখি কার্ডিয়াক সার্জারির পর রোগীরা দীর্ঘদিন ভালো থাকছেন। এছাড়া যারা দেশের বাইরে যাচ্ছেন, তারা দেখছেন দেশের চিকিৎসাসেবার মান সন্তোষজনক। আমার পরিবারের সদস্যদেরও দেশে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। তারা এখন ভালো আছেন।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে, বিশেষ করে বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ে আস্থার সংকট দেখা যায়। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?
কিছুটা আস্থার সংকট আছে। তবে আস্থার সংকট যে খুব বেশি তা বলা ঠিক হবে না। প্রথম কথা হলো যে সেবাদানকারীরা রয়েছেন তাদের অঙ্গীকার ও দায়িত্বশীলতার কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। আরেকটি বিষয় হলো রোগীর প্রতি দায়বদ্ধতা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেশের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোয় কিছুটা দায়বদ্ধতার ঘটতি দেখা যায়। এ দুটি বিষয়ের জন্য অনেকেই মনে করছেন, আস্থার সংকট রয়েছে।
সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার পরিসর বড়। হাসপাতালের সংখ্যা বেশি, শয্যা বেশি, চিকিৎসকও বেশি। ফলে মানুষের প্রত্যাশাও বেশি। প্রত্যাশা অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা দিতে চাইলে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কী পরিকল্পনা হতে পারে?
যেকোনো পরিকল্পনাই দীর্ঘমেয়াদি হওয়া প্রয়োজন। আপনি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, দক্ষ নার্স ও অন্যান্য জনবল তৈরি করতে পারবেন না। সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন স্বাস্থ্যশিক্ষার প্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মানসম্মত করে প্রস্তুত করা। মেডিকেল কলেজের মান ঠিক থাকলেও নার্সিং বিষয় উন্নত করার দিক দিয়ে আমরা পিছিয়ে রয়েছি। দক্ষ নার্স ও অন্যান্য লোকবল তৈরি করতে মানসম্মত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নিয়ে কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
দেশের কার্ডিয়াক চিকিৎসার ক্ষেত্রে সরকারি বা বেসরকারি ব্যবস্থাপনার পুরোটাই চিকিৎসা রাজধানীকেন্দ্রিক। রাজধানীর বাইরে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা গড়ে না ওঠার কারণ কী?
যথেষ্ট দক্ষ লোকবলের সংকট রয়েছে। কার্ডিয়াক চিকিৎসার জন্য যে ধরনের বিশেষ ব্যবস্থা প্রয়োজন তা অপর্যাপ্ত। কার্ডিয়াক সেবা একটা সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পাওয়া যাবে না। কার্ডিয়াক সেবা উচ্চ পর্যায়ের একটি সেবা। একটি কার্ডিয়াক অপারেশন থিয়েটার, ক্যাথল্যাব চালানোর জন্য যে লোকবল প্রয়োজন তার প্রাপ্যতা রাজধানীর বাইরে অপ্রতুল। কেউ বিনিয়োগ করল, চিকিৎসা যন্ত্রাংশ নিয়ে একটি হাসপাতাল বা ক্লিনিকের অবকাঠামো নির্মাণ করল, কিন্তু সেবা দেয়ার লোকবল না পেলে তা কাজে আসবে না।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার অবস্থান দেশে আদর্শিক হয়েছে কিনা। এ বিষয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
বর্তমানে ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠেছে। এখন যেহেতু সব ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতার ছোঁয়া এসেছে, তাই অবশ্যই একটা আদর্শ তৈরি হয়েছে বলা যায়। কমিটমেন্ট টু দ্য পেশেন্ট অর্থাৎ রোগীদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আমাদের সেবা দিতে হবে। কোনো রোগী এলে শুরুতেই বলে দেয়া, আমরা কতটুকু পারব বা পারব না। যা পারব তা-ই জানানো উচিত। আর রোগীকে যে সেবা দিতে পারব তা একটা ব্যবস্থাপনার আওতায়ই দিতে হবে। দেড় দশক আগের অবস্থার সঙ্গে তুলনা করলে বর্তমানে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।
কার্ডিয়াক হাসপাতাল স্থাপন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদেশী হাসপাতালগুলোর মতো দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও কি সেই গুরুত্ব দিচ্ছে। আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
একটা হলো জরুরি সেবা, যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। যখন কারো কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হবে ২-৩, ঘণ্টার মধ্যে রোগীকে জরুরি সেবার আওতায় আনা প্রয়োজন। শক্তিশালী জরুরি সেবা ব্যবস্থাপনা থাকতে হবে। সেই সঙ্গে প্রয়োজন উন্নত প্রযুক্তি। উন্নত প্রযুক্তি না থাকলে সেবাটা দেয়া সম্ভব হয় না। যত দ্রুত আপনি রোগীর রোগ নির্ণয় করতে পারবেন ততই রোগীকে বাঁচানো সহজ হবে। এজন্য মানসম্মত রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা, পরীক্ষাগার সেবা, রেডিওলজি সেবার জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও দক্ষ লোকবল প্রয়োজন।
দেশে বিশেষায়িত চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল। কার্ডিয়াক চিকিৎসার ব্যয়ও অনেক বেশি। সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে কার্ডিয়াক চিকিৎসার ব্যয় সক্ষমতার আওতায় আনতে কী করণীয় রয়েছে।
কার্ডিয়াক চিকিৎসায় সরকারি বা বেসরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা রয়েছে। তবে ব্যয় কমানোর বিষয়ে সরকারি খাত যেমন পারবে, বেসরকারি খাত তেমন পারবে না। একটা হাসপাতাল স্থাপন করতে জমি, অবকাঠামো ও যন্ত্রাংশ প্রয়োজন। সরকার সেটা সহজেই করতে পারে। কিন্তু বেসরকারি খাতে মানসম্মত বিষয়গুলোর দিক দিয়ে বিনিয়োগ বেশি প্রয়োজন। যেহেতু যন্ত্রাংশগুলো উচ্চ প্রযুক্তির তাই বেসরকারি খাতের বিনিয়োগও বেশি। এতে ব্যয় বৃদ্ধি পায়। দ্বিতীয়ত, কার্ডিয়াক সার্জারি যে হাসপাতালগুলোয় হয় সে প্রতিষ্ঠানগুলোয় মান সর্বোচ্চভাবে রাখতে হয়। এতেও ব্যয় রয়েছে। তবে সরকার বর্তমানে কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে বিষয়টি সহজ করার জন্য। আজ থেকে চার-পাঁচ বছর আগেও কার্ডিয়াক স্টান্ট-এর কোনো মূল্য নির্ধারণ ছিল না। তবে এখন সরকার কর্তৃক কার্ডিয়াক স্টান্ট-এর মূল্য নির্ধারণ রয়েছে। এখন সব হাসপাতালে কার্ডিয়াক স্টান্টের মূল একই। চিকিৎসার জন্য সবচেয়ে বড় একটা বিষয় হলো রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা। রোগ নির্ণয় করতে না পারলে রোগের চিকিৎসা করতে পারবেন না। সেই রোগ নিরীক্ষার ক্ষেত্রে পরীক্ষাগারের ভূমিকা বেশি। এখানে সরকার কিছু ভূমিকা রাখতে পারে। চিকিৎসা যন্ত্রাংশ ও রোগ নিরীক্ষার যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে করের যে বোঝা রয়েছে তা বেসরকারি খাতকে বহন করতে হয়। তবে কিছুটা মুনাফা তো লাগবেই। এতে কিছুটা ব্যয় বাড়ে। লোকসান দিয়ে কেউ পুনরায় বিনিয়োগ করতে পারবে না। ব্যয় কমানোর জন্য যদি সরকারের কিছু নীতি থাকে এবং বর্তমান কর কাঠামোর যদি পরিবর্তন করা যায় তাহলে ভালো।
ব্যয় কমানো ও একই সঙ্গে দক্ষ জনবল তৈরিতে সরকারি ও বেসরকারি কর্তৃপক্ষের সমন্বিত কোনো পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে কিনা।
সমন্বয় কিছুটা হচ্ছে। জনবল তৈরির ক্ষেত্রে নার্সিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আসলে ডাক্তার নিয়ে কথা বলি, কিন্তু নার্সিং সেক্টর অনেক বেশি দুর্বল। দক্ষ লোকবল তৈরি করার জন্য স্কয়ার নার্সিং কলেজ করেছে। এক্ষেত্রে বেসরকারি খাত একা পারে না। সরকারের নীতি থাকতে হয়। কেননা সরকার নিবন্ধন দেয়, নিয়ন্ত্রণ করে। এক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব। দুর্বলতাগুলো নিয়েও একসঙ্গে কাজ করা যায়।