গ্রামীণ রূপান্তরে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান

গ্রামীণ রূপান্তরে সরকার এবং এনজিও উভয়েরই ভূমিকা রয়েছে। কিছু ফ্যাক্টর কাজ করেছে সরকারের দিক থেকে, কিছু ফ্যাক্টর কাজ করেছে এনজিওর দিক থেকে। এক্ষেত্রে সর্বপ্রথমে আসবে কানেক্টিভিটি বিপ্লব। এর অগ্রদূত কামরুল ইসলাম সিদ্দিক। তিনি গ্রামীণ অবকাঠামো বিনির্মাণের আধুনিক পুরোধা। তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। সংস্থাটি গ্রামীণ

গ্রামীণ রূপান্তরে সরকার এবং এনজিও উভয়েরই ভূমিকা রয়েছে। কিছু ফ্যাক্টর কাজ করেছে সরকারের দিক থেকে, কিছু ফ্যাক্টর কাজ করেছে এনজিওর দিক থেকে। এক্ষেত্রে সর্বপ্রথমে আসবে কানেক্টিভিটি বিপ্লব। এর অগ্রদূত কামরুল ইসলাম সিদ্দিক। তিনি গ্রামীণ অবকাঠামো বিনির্মাণের আধুনিক পুরোধা। তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। সংস্থাটি গ্রামীণ এলাকায় রাস্তাঘাট নির্মাণ করেছে। মূলত এলজিইডির ফিডার রোডগুলোর সূত্র ধরেই গ্রামগুলো শহর ও বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত হলো। এর আগে ৬৮ হাজার গ্রাম স্বনির্ভর ছিল, একটির সঙ্গে আরেকটির সংযোগ ছিল না। ফিডার রোড হওয়ার প্রেক্ষাপটে আশি-নব্বই দশকের পর মূলত বড় ধরনের গ্রামীণ রূপান্তর ঘটেছে। গ্রাম-শহর একটা কন্টিনিউয়াম হয়ে গেছে। জাতীয় অর্থনীতির একটা ভিন্নতর বাস্তবতা তৈরি হল। গ্রামও জাতীয় বাজারে একটা গুরুত্বপূর্ণ প্লেয়ার হিসেবে সামনে এল। ফলে কৃষক তার পণ্য বিক্রির সুযোগ পেলেন। আরো বহুমুখী সুফল মিলল। কাজেই গ্রামীণ রূপান্তরে কানেক্টিভিটি একটা বিরাট ভূমিকা রেখেছে।

দ্বিতীয়ত, গ্রামীণ ব্যাংক ও তার পথ ধরে ক্ষুদ্র ঋণের অর্থায়ন। গ্রামের মানুষ, বিশেষ করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে থাকা নারীদের ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংক আর্থিক সেবায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। এটি গ্রামের অকৃষি খাতের বিকাশে সহায়তা করেছে। নারীরা যুক্ত হওয়ার পর গ্রামীণ অকৃষি খাত চাঙ্গা হলো। এখানে ক্ষুদ্র ঋণ একটা চালিকাশক্তি হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। ক্ষুদ্র ঋণ গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আর্থিক সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত করল। ঋণের অর্থ ব্যবহার করে নারীরা নানা আয়বর্ধনমূলক কর্মকাণ্ডের সূচনা করেছে। এতে নারীরা নিজেরা যেমন স্বাবলম্বী হয়েছেন তেমনি পরিবারের আয়ও আয় বেড়েছে, যা গ্রামীণ এলাকায় আর্থসামাজিক রূপান্তরে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। 

তৃতীয়ত, এনজিওর ভূমিকা। এক্ষেত্রে মূলত ফজলে হাসান আবেদের কথাই প্রথমে আসে। তিনি প্রাথমিক স্বাস্থ্যে একটা ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি প্রজননক্ষম নারীর বোঝাটা কমানোর একটা বাস্তবতা তৈরি করতে সহায়তা করলেন পরিবার পরিকল্পনা জোর দিয়ে এবং এ-সংক্রান্ত জনসচেতনতা বৃদ্ধির কর্মসূচি নেয়ার মাধ্যমে। আগে নারীপ্রতি সন্তান জন্মদানের হার অনেক বেশি ছিল। প্রতিটি ঘরে সন্তান ছয়-সাতজনের কম ছিল না। পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে নারীদের সন্তান জন্মদান হার দুয়ের মধ্যে সীমিত হলো। ফলে নারীদের ওপর প্রজননের দায়িত্ব অনেকখানিই কমে এল এবং তাদেরও ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অন্তর্ভুক্তির সুযোগ বাড়ল। এর প্রভাব অবশ্য সুদূরপ্রসারী। বলা চলে, খণ্ডিত অর্জন হলেও স্বাস্থ্যের কিছু সূচক গ্রামীণ রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বিশেষ করে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে সাফল্য এল। শিশু মৃত্যুহার অবশ্য দুভাবে কমল। টিকাদান কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং ডায়রিয়া প্রতিরোধী কার্যক্রম। উভয় ক্ষেত্রেই এনজিও বড় অবদান রেখেছে।

চতুর্থত, গ্রামীণ রূপান্তরে শিক্ষা সম্প্রসারণের ভূমিকা। এক্ষেত্রে মূল কাজটি অবশ্য করেছে সরকার। বিশেষ করে নব্বই দশকে প্রাথমিকে বৃত্তি প্রকল্প এবং পরবর্তী সময়ে মাধ্যমিকে বৃত্তি প্রকল্প শিক্ষা বিস্তারে বিশাল ভূমিকা পালন করেছে। এনজিও এক্ষেত্রে সচেতনতা কার্যক্রম জোরদারে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। শিশু স্বাস্থ্য ও শিশুশিক্ষায় সচেতনতার কাজটি করেছে এনজিও। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাসেবা নিশ্চিতেও এনজিও কিছুটা ভূমিকা রেখেছে, তবে এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা মূলত সরকারের প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে বৃত্তি প্রকল্পের।

পঞ্চমত, কৃষি বিজ্ঞানীদের ভূমিকা। তারা শস্যের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন। এটা গ্রামীণ এলাকায় কৃষির অভাবনীয় রূপান্তর ঘটিয়েছে। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ষষ্ঠত, আরেকটি ফ্যাক্টর হলো বৈদেশিক শ্রমবাজারে আমাদের দেশের মানুষের অভিগমন। এক্ষেত্রে গ্রামের মানুষই মূলত বাইরে গেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে তারা বিভিন্ন দেশে যাওয়ার সুযোগ পেল। তাদের বাইরে যাওয়াটা কৃষি যান্ত্রিকীকরণে একটা ভূমিকা রেখেছে, আবার গ্রামীণ অকৃষি খাতের বিকাশেও একটা সমর্থনমূলক ভূমিকা রেখেছে। সব মিলিয়ে গ্রামীণ রূপান্তর ত্বরান্বিত হয়েছে।

সপ্তমত, নীতি সহায়তা। বিশেষ করে আশির দশকের শেষে নব্বই দশকের প্রথম দিকে আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে এক ধরনের একটা অন্তর্ভুক্তিমূলক অ্যাপ্রোচ গ্রহণ করা হলো। এতে বিদেশ যাওয়া সহজ হলো, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ সহজ হলো, এমনকি ব্যাংকিং খাতেরও বিকাশ ঘটল। নীতি সহায়তার একটা দিক ছিল নিয়ন্ত্রণমূলক অর্থনীতি থেকে কিছুটা সরে আসা। দুই. নিরাপত্তা জাল কর্মসূচিগুলোর ধাপে ধাপে বিকাশ ঘটানো। হয়তো অর্থের পরিমাণ খুব বেশি নয়, কিন্তু সেটি দরিদ্র মানুষের ঝুঁকিটা কমাতে সহায়তা করেছে। মানুষ ধসে পড়েনি, একটা নিরাপত্তা জাল পেয়ে টিকে থাকতে পেরেছে। কাজেই সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোও একটা ভূমিকা রেখেছে। মোটাদাগে বলতে গেলে গ্রামীণ রূপান্তরে উল্লিখিত ফ্যাক্টরগুলো বড় মাত্রায় কাজ করেছে।

তবে সাম্প্রতিক প্রবণতা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গ্রামীণ রূপান্তরের বিষয়টি এখন পেছনে পড়ে গেছে। আশি, নব্বই, এমনকি গত দশকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত গ্রামীণ বিকাশ সবচেয়ে মনোযোগের বিষয় ছিল। এখন এটি বড় আকারে কৌশলগত ফোকাসে নেই। আমলাতান্ত্রিক উদারীকরণের একটা বাস্তবতা থেকে নব্বই দশকে কিছুটা প্রতিযোগিতামূলক ও উন্মুক্ত পরিবেশ ছিল। এখন আবার আমরা এক ধরনের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের দিকে যাচ্ছি। কিন্তু কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের একটি অন্যতম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো গ্রাম প্রান্তিক অবস্থায় পড়ে গেছে। খাদ্যনিরাপত্তার জন্য গ্রাম দরকার, শহরের মানুষকে অন্তত খাওয়াতে হবে। গ্রামকেন্দ্রিক কৃষির অতটুকু স্বীকৃতি রয়েছে। এর বাইরে গ্রামের গুরুত্ব খুব একটা নেই।

অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অন্য বিষয়গুলো মিলে সামগ্রিকভাবে গ্রামের সম্ভাবনাগুলো তৈরি হয়েছে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে বিকাশের জন্য যে সমর্থনমূলক নীতি পরিবেশ, সেটি অনুপস্থিত। কারণ কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণে সুযোগ-সুবিধা, নীতি মনোযোগ সবক্ষেত্রেই মূলত ম্যাক্রোইকোনমিক অ্যাক্টরগুলোই প্রাধান্য পাচ্ছে। নতুন পরিবর্তনের প্রয়োজনের দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রামীণ রূপান্তর একটা স্থবিরতার মধ্যে পড়ে গেছে। কিন্তু কভিড ১৯ গ্রামীণ রূপান্তরের বিষয়টি সামনে নিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তায় আবারো একটা বড় ধাক্কা দিয়েছে কিংবা এর ক্ষেত্র তৈরি করেছে। এটাকে কাজে লাগাতে হলে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের মডেলটাকে পরিবর্তন করতে হবে। স্থানীয় সরকারগুলোকে আরো অর্থবহভাবে শক্তিশালী করতে হবে। তহবিল প্রবাহ গ্রামের দিকে নিয়ে যেতে হবে। এখন আসলে বড় বড় শহরগুলোয় গ্রাম থেকে অর্থপ্রবাহ আসছে। রেমিট্যান্স হয়তো যাচ্ছে গ্রামে। কিন্তু সরকারি প্রকল্পগুলোর সুফল সেখানে মিলছে না। একটি চিত্র কল্পনা যাক। ধরেন কোনো এক জেলায় হয়তো এলজিইডির ১ হাজার কোটি টাকার কাজ হচ্ছে। ওই ১ হাজার কোটি টাকার লাভটা (ধরা যাক ৫০০ কোটি টাকা) আসলে কোথায় যাচ্ছে? ওই কাজের যারা ঠিকাদারি পেয়েছেন তারা ওই জেলায় থাকেন না, ঢাকায় থাকেন। ঢাকায়ও হয়তো থাকেন না। দুবাই কিংবা মালয়েশিয়ায় থাকেন। ওই অর্থ ওখানেই চলে যাচ্ছে। ফলে উন্নয়ন হওয়া সত্ত্বেও গ্রাম ঠিকই বঞ্চিত হচ্ছে। এর পরিবর্তন জরুরি।

পুরো বিষয়টিকে সারসংক্ষেপ করে বলা যায়, বিভিন্ন ফ্যাক্টরের কারণে আশি, নব্বই ও চলতি শতকের শূন্য দশকে গ্রামীণ রূপান্তরের একটা প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল। কিন্তু তারপর আমরা এক ধরনের গ্রামীণ স্থবিরতার মধ্যে প্রবেশ করেছি। এখন কভিড গ্রামীণ রূপান্তরের একটা প্রেক্ষিত তৈরি করেছে। এটি বিবেচনা নিয়েই আগামী দিনে অন্যতম এজেন্ডা হওয়া উচিত গ্রামীণ অর্থনীতির পুনর্জাগরণ। কভিড-১৯ মহামারীর অভিঘাতে শহর থেকে অনেকেই গ্রামে চলে গেছে। তাদের কর্মসংস্থান এখন দরকার। খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টিনিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা আরো বেশি দেখা দিয়েছে। রফতানি খাতনির্ভর যেসব প্রবৃদ্ধি চালক ছিল সেগুলো বৈশ্বিক অর্থনীতি ধাক্কা খাওয়ার ফলে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির ওপর নির্ভর করার প্রয়োজনীয়তাটা বেড়ে গেছে। এটা বেড়ে যাওয়া মানে গ্রামীণ অর্থনীতির একটা ভূমিকা প্রয়োজন হবে। গ্রামীণ অর্থনীতি বলতে কৃষি ও অকৃষি দুটোকে মিলিয়েই দেখতে হবে। গ্রাম ও মফস্বল শহর দুটোকে মিলিয়েই গ্রামীণ রূপান্তর চিন্তা করতে হবে।

দেশের উন্নয়ন চিন্তায় মেট্রোপলিটন প্লাস গ্রোথ করিডর বনাম গ্রামীণ একটা বিভাজন আছে। এখন নীতি প্রাধান্য, সুযোগ প্রাধান্য, বাজেট প্রাধান্য সবই পাচ্ছে কিন্তু মেট্রোপলিটন প্লাস গ্রোথ করিডর। আর গ্রামীণের মধ্যেই একেবারে প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অবস্থান। কাজেই সার্বিকভাবে গ্রামীণকে প্রাধান্য দেয়ার সময় এসেছে।

সরকার আমার গ্রাম, আমার শহর নামে একটি কর্মসূচি নিয়েছে। এর দার্শনিক দিকটি সমর্থনযোগ্য। কিন্তু বাস্তবায়ন ধারণাগুলো সঠিক করা আরো গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক চিন্তাভাবনার প্রতিফলন ঘটানো সম্ভব না হলে পুরো কর্মসূচির উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে। আমরা চাই না বিশৃঙ্খল নগরের সমান্তরালে বিশৃঙ্খল গ্রামীণ জনপদ তৈরি হোক। শহরগুলোতে অপরিকল্পিত নগরায়ণের একটা ধ্যান-ধারণা তৈরি হয়েছে। সেটি আমরা গ্রামে ফেরি করছি। এরই মধ্যে আমরা দেখতে পাচ্ছি, গ্রামে দালান-কোঠা নির্মিত হচ্ছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ছাড়া। যেখানে আগে কোনো জলাবদ্ধতার ব্যাপার ছিল না, সেখানে এখন গ্রামে জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গেছে। এর সূত্র ধরেই মশা-মাছির উপদ্রব শুরু হয়ে যাবে। বলা চলে, অপরিকল্পিত নগরায়ণের ধ্যান-ধারণা গ্রামে নিয়ে গেছি। এ প্রবণতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আমার মনে হয় জলবায়ু পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে পরিবেশসম্মত গ্রামীণ জনপদ তৈরি করতে হবে এবং এক্ষেত্রে নিজস্ব বৈশিষ্ট্যগুলো রক্ষা করাও জরুরি। আমার গ্রাম, আমার শহর কর্মসূচিতে এ ধরনের দূরদর্শী ভাবনার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। সেখানে শহরের সুযোগ-সুবিধা জোগানো হবে ঠিকই, কিন্তু গ্রামীণ বৈশিষ্ট্যগুলোও ধরে রাখার প্রচেষ্টা থাকতে হবে। সর্বোপরি নতুন বাস্তবতায় গ্রামীণ কৃষি ও অকৃষির বিকাশ ত্বরায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বিদ্যমান মেট্রোপলিটন প্লাস গ্রোথ করিডর বনাম গ্রামীণ সম্পর্কিত বিভাজন মাথায় নিয়ে গ্রামীণকে কীভাবে আরো বেশি সহায়তা করা যায়, তার জন্য সুস্পষ্ট কর্মকৌশল দরকার। নইলে রূপান্তরের পরবর্তী যাত্রা সহজতর হবে না।


ড. হোসেন জিল্লুর রহমান: সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা; নির্বাহী চেয়ারম্যান, পিপিআরসি 

চেয়ারপারসন, ব্র্যাক

আরও