অসম প্রতিযোগিতায় পড়তে হচ্ছে

আমাদের মতো সুপারস্টোরগুলোতে বাজার করতে কাস্টমারকে ভ্যাট দিতে হয়। দেশের অলিগলিতে যে মুদি দোকানগুলো দেখা যায়, সেগুলোর আশপাশেই আমাদের সুপারস্টোরগুলোর অবস্থান। সাধারণ মুদি দোকানে বাকিতে কেনাবেচার সংস্কৃতির ব্যাপ্তিও অনেক বেশি। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সুপারস্টোরগুলোর ক্ষেত্রে ভ্যাট আরোপিত থাকলে ক্রেতারা আসতেই চান না। ভ্যাটের কারণে নিজস্ব মালিকানাধীন দোকানগুলোর সঙ্গে আমাদের প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রটি অসম হয়ে যায়। কারণ একই পণ্য আমাদের স্টোর থেকে কিনলে ভ্যাট পরিশোধ করতে হলেও সাধারণ দোকান থেকে কিনলে দিতে হয় না। ব্যবসার ক্ষেত্রটিতে সুযোগ সবার সমান থাকলে প্রতিযোগিতাটাও সুষ্ঠু হয়। সারা পৃথিবীতে দৃষ্টি দিতে হবে না, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও আমাদের মতো মডার্ন ট্রেড বা সুপারস্টোরভিত্তিক কাঠামোতে ব্যবসা যারা করে, অর্থনীতিতে তাদের অবদান ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ অবদান, আমাদের দেশে ৪ শতাংশেরও কম। বছর বছর মানুষ বাড়ছে, সেই সঙ্গে ব্যবসার ব্যাপ্তি বাড়ছে যেটা কিনা অর্গানিক গ্রোথ, এছাড়া বিপণন বা প্রচারে ব্যবসা বাড়ছে তা না। এ রকম একটি ব্যবসায় ভ্যাটের হার সুপারস্টোরের পাশাপাশি কাস্টমারের ওপরও বোঝা হয়ে যাচ্ছে।

গালিব ফাররোখ বখৎ

জেনারেল ম্যানেজার

ডেইলি শপিং

আমাদের মতো সুপারস্টোরগুলোতে বাজার করতে কাস্টমারকে ভ্যাট দিতে হয়। দেশের অলিগলিতে যে মুদি দোকানগুলো দেখা যায়, সেগুলোর আশপাশেই আমাদের সুপারস্টোরগুলোর অবস্থান। সাধারণ মুদি দোকানে বাকিতে কেনাবেচার সংস্কৃতির ব্যাপ্তিও অনেক বেশি। ধরনের পরিস্থিতিতে সুপারস্টোরগুলোর ক্ষেত্রে ভ্যাট আরোপিত থাকলে ক্রেতারা আসতেই চান না। ভ্যাটের কারণে নিজস্ব মালিকানাধীন দোকানগুলোর সঙ্গে আমাদের প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রটি অসম হয়ে যায়। কারণ একই পণ্য আমাদের স্টোর থেকে কিনলে ভ্যাট পরিশোধ করতে হলেও সাধারণ দোকান থেকে কিনলে দিতে হয় না। ব্যবসার ক্ষেত্রটিতে সুযোগ সবার সমান থাকলে প্রতিযোগিতাটাও সুষ্ঠু হয়। সারা পৃথিবীতে দৃষ্টি দিতে হবে না, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও আমাদের মতো মডার্ন ট্রেড বা সুপারস্টোরভিত্তিক কাঠামোতে ব্যবসা যারা করে, অর্থনীতিতে তাদের অবদান ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ অবদান, আমাদের দেশে শতাংশেরও কম। বছর বছর মানুষ বাড়ছে, সেই সঙ্গে ব্যবসার ব্যাপ্তি বাড়ছে যেটা কিনা অর্গানিক গ্রোথ, এছাড়া বিপণন বা প্রচারে ব্যবসা বাড়ছে তা না। রকম একটি ব্যবসায় ভ্যাটের হার সুপারস্টোরের পাশাপাশি কাস্টমারের ওপরও বোঝা হয়ে যাচ্ছে।

বর্তমানে কভিড-১৯ প্রেক্ষাপটে অনেক ব্যবসায় সরকার অনেক ধরনের ছাড় দিচ্ছে, এখন সরকার যদি আমাদের খাতকে ভ্যাটের অতিরিক্ত অর্থ থেকে মুক্ত করে, তাহলে খাতের পাশাপাশি ভোক্তার ওপরও উপকার হয়। খাতের ভ্যাট বাবদ সরকারের রাজস্ব কতইবা পায়? আমাদের খাতটির প্রসারও আটকে আছে একটি কারণেই। ভ্যাটের কারণে খাতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড একেবারেই অনুপস্থিত। সব সময়ই অসম প্রতিযোগিতায় থাকতে হচ্ছে আমাদের। খাতের ভ্যাটের চেয়ে সরকারের আরো অনেক বড় উৎস আছে রাজস্ব আহরণের। খাতের জন্য ভ্যাট হার যদি বা শতাংশে কমিয়ে আনত, যেটা অন্যান্য দেশে আছে, তাহলে সরকারের রাজস্ব আপাতদৃষ্টিতে কমলেও দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব আহরণ বাড়বে সেটা নিশ্চিত। এছাড়া যদি সার্বিকভাবে নিরাপদ খাদ্য পণ্যের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেন, তাতেও সুপারস্টোরগুলো সাধারণ বাজার বা দোকান থেকে অনেক বেশি নিরাপদ। সব মিলিয়ে বর্তমান দুর্যোগ প্রেক্ষাপটে সুপারস্টোর খাতে মনোযোগী হয়ে পরিচ্ছন্ন নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার সুযোগ অনেক বেশি। 

আরও