ঘরের ভেতরে ছাদের নকশা নতুন নয়, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ভাবনাতেও বদল এসেছে। গৃহসজ্জায় আগ্রহীরা আজকাল বেশ নজর দিচ্ছেন ঘরের সিলিং এর কারিকুরিতেও। সিলিং সাজাতে বাড়ছে ফল্স সিলিং এর ব্যবহার।
আগেকার দিনে প্লাস্টার অব প্যারিস দিয়ে ফুলের পাপড়ি বা অন্যান্য কারুকাজ করার রেওয়াজ এখন অতীত। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে তার ধাঁচ, উপকরণ এবং ভাবনাতেও।
সাধারণত মূল ছাদের নিচে বিম ঢেকে ফল্স সিলিং হয়। এতে দুদফা ছাদ তৈরি হওয়ায়, গরমের দিনে ঘর তুলনায় স্বস্তিদায়ক থাকে। এসি বসালেও, ফল্স সিলিংয়ের কারণে ঘরের উচ্চতা কমে যাওয়ায়, বিদ্যুৎ খরচও খানিক কমে।
সিলিং এর সাজসজ্জার মূল উপকরণ হিসেবে যে ফল্স সিলিং ব্যবহৃত হয় তারও রয়েছে রকমফের। কোন ধরনের ঘরে, কী ধরনের ফলস সিলিং এর ব্যবহার ভালো হবে তা মাথায় রেখে এগোনোই এক্ষেত্রে বুদ্ধিমানের কাজ।
ট্রে সিলিং
ট্রের মতো হয় এই ধরনের সিলিং। ঘরের আসল ছাদটি পুরোপুরি না ঢেকে বিমের অংশটি আড়াল করে ট্রের মতো সিলিং করা হয়। সেটি যে আয়তাকার হতেই হবে, এমন নয়। তাতে জ্যামিতিক আকৃতিও দেখা যায়।
বক্স সিলিং
ছাদ জুড়ে বা ট্রের মতো ছাড়াও ফল্স সিলিং হয়। এটি কিছুটা বক্সের মতো। পাখার চারপাশে বিটের মতো বক্স দেয়া থাকে। সেখানে ঘরের জন্য আলো লাগানো হয়।
এছাড়াও গ্রিড যুক্ত কফার্ড সিলিং, বিমের মতো সিলিং-ও দেখা যায়।
বর্তমানে বক্সের মতো সিলিংয়ের চলই বেশি। অনেকেই মূল ছাদ পুরোপুরি ঢাকতে চান না। ট্রে সিলিংও চান না। সেক্ষেত্রে আলো লাগানোর জন্য বক্স সিলিং ব্যবহার হয়। প্লাস্টার অফ প্যারিসের বদলে জিপসাম বোর্ডই এখন বেশি জনপ্রিয়। অনেক সময় ঘরের আসবাবপত্রের ল্যামিনেশন বা বোর্ডের ছোঁয়াও রাখা হয় ফল্স সিলিংয়ে।