সহজ কিছু টিপসে গুছিয়ে রাখুন রান্নাঘর

গোছানো রান্নাঘরে কাজ করতে রাঁধুনীর যেমন একঘেয়েমি আসে না তেমন রান্না হয়ে ওঠে আনন্দের কাজ। ফলে খাবারেও যোগ হয় বাড়তি স্বাদ।

রান্নাঘর শুধু রান্নার জায়গা নয়, বরং একটি পরিবারের প্রাণকেন্দ্র। গোছানো রান্নাঘরে কাজ করতে রাঁধুনীর যেমন একঘেয়েমি আসে না তেমনি রান্না হয়ে ওঠে আনন্দের কাজ। ফলে খাবারেও যোগ হয় বাড়তি স্বাদ। আর তাই জায়গা বাঁচিয়ে রান্নাঘরকে গুছিয়ে রাখতে রইল কিছু সহজ টিপস —

  • কন্টেইনার রান্নাঘরের অতিপ্রয়োজনীয় গ্যাজেট। তবে ক্যাবিনেট খুলতেই যেন কন্টেইনারের পাহাড় ভেঙে না পড়ে। প্রথমেই ফাটা, দাগ পড়া বা ঠিকভাবে বন্ধ হয় না এমন সব কন্টেইনার ফেলে দিন। তারপর সাইজ অনুযায়ী সাজান। চাইলে বিশেষ ডিভাইডার ব্যবহার করতে পারেন।
  • রেস্টুরেন্টের মতো করে প্রতি রাতে রান্নাঘর গুছিয়ে রাখা এক অসাধারণ অভ্যাস হতে পারে। রাতের খাবার শেষে থালাবাসন ধুয়ে, মেঝে ও চুলা পরিস্কার করে রাখতে পারেন। এতে তেলাপোকা ও অন্যান্য পোকার উপদ্রব কম হয়। সেইসঙ্গে পরের দিন অনেক সতেজভাবে শুরু হয়।

  • কাটিং বোর্ডে দাগ বা গন্ধ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন লবণ ও লেবু। কাঠের বোর্ডে লবণ ছিটিয়ে অর্ধেক লেবু দিয়ে ঘষে দিন, সারা রাত রেখে সকালে ধুয়ে শুকিয়ে ফেলুন। বোর্ড একদম নতুনের মতো চকচকে হবে!
  • রান্নাঘরের ফ্রিজ বা ওভেনের স্টেইনলেস স্টিলের স্থানগুলোয় সামান্য নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল মেখে মুছে নিলেই তা নতুনের মতো ঝকঝকে হয়ে ওঠে।
  • রান্নাঘর ছোট হলে চুলা বা সিঙ্কের ওপর একটি বড় কাটিং বোর্ড রাখুন। রাখতে পারেন রোলিং কার্ডও। ফ্রিজ বা চুলার পাশে রাখলে জায়গা বাঁচে আর এতে মশলা, চা, তেল ইত্যাদি রাখা যায়। রান্নাঘরে ওয়্যার র‍্যাক বা বাঁশের তাক যোগ করলে ক্যাবিনেটের জায়গা বেড়ে যায়। একাধিক স্তরে থালা, কাপ বা বাটি সাজানো যায় সহজে।
  • মশলা, টিস্যু, স্পঞ্জ বা সাবান খুঁজে বেড়ানোর ঝামেলা কমাতে এগুলো ম্যাগনেটিক বা আঠালো ক্যাডিতে ঝুলিয়ে রাখুন। ব্যবহার না করা গ্যাজেট, পুড়ে যাওয়া প্যান, পুরনো স্পঞ্জ এখনই বিদায় করুন।
  • নিয়মিত ফ্রিজ পরিষ্কার করুন। মেয়াদ দেখে পুরনো খাবার ফেলে দিন। এক ধরনের জিনিস একসঙ্গে রাখুন। খাবার রাখতে ব্যবহার করুন স্বচ্ছ বক্স। মার্কার দিয়ে বক্সের গায়ে লেবেলও দিতে পারেন।
  • শোকেস বা কিচেন রেকের সব প্লেট, কাপ, গ্লাস একবার বের করে দেখুন। বেশি ব্যবহৃত জিনিস নিচে, আর বিশেষ জিনিস রাখুন উপরে। চামচ, কাঁটা, ছুরি সব একসঙ্গে না রেখে ড্রয়ারে স্বচ্ছ মডুলার অর্গানাইজার ব্যবহার করতে পারেন। যাতে সবকিছু আলাদা ভাগে ভাগ করা থাকে।

  • ভোঁতা ছুরি রান্নাঘরের সবচেয়ে বড় বিপদ। বন্ধন বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভোঁতা ছুরি ধারালো ছুরির চেয়েও বেশি বিপজ্জনক। তাই নিয়মিত ছুরি ধার করান বা নিজেই শিখে নিন। দেয়ালে ম্যাগনেটিক নাইফ বার লাগান বা ইন-ড্রয়ার নাইফ ব্লক ব্যবহার করুন। এতে জায়গা বাঁচার পাশাপাশি নিরাপত্তাও বাড়বে।

আরও