অষ্টমীর দিন বহু পরিবারে কুমারী পুজো ও অঞ্জলি দেয়ার পর উপোস ভাঙা হয়। উপোস ভাঙার পর সাধারণত হালকা, নিরামিষ ও পেটের জন্য আরামদায়ক খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। রইল কিছু প্রচলিত ও স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকা—
ফলমূল
আপেল, কলা, পেয়ারা, পেঁপে, ডালিম ইত্যাদি সহজপাচ্য ফল খাওয়া ভালো। চাইলে ফলের সালাদ বা দইয়ের সঙ্গে ফল মিশিয়ে খাওয়া যায়।
প্রসাদী খিচুড়ি
অষ্টমীর বিশেষ আকর্ষণ। সাদা ভাতের বদলে মুগ ডালের খিচুড়ি, সঙ্গে ল্যাবড়া, বেগুন ভাজা, চাটনি—সবই খুব হালকা ও পরিপূর্ণ।
দুধ ও দইজাতীয় খাবার
গরমে টক দই, মিষ্টি দই বা ছানার প্রস্তুত খাবার হজমের জন্য উপকারী। দুধের সঙ্গে কলা বা শরবত খেলে শক্তি ফিরে আসে।
লুচি-আলুর দম
অনেক বাড়িতেই অষ্টমীর উপোস ভাঙার পর লুচি, আলুর দম বা ছোলার ডাল পরিবেশন করা হয়।
মিষ্টি
সাদা দুধের সন্দেশ, রসগোল্লা, ক্ষীর বা পায়েস খাওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত মিষ্টি একসঙ্গে না খাওয়াই ভালো।
নারকেল-চিঁড়ে
চিঁড়ে, নারকেল ও গুড় মিশিয়ে খাওয়া গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্য। হালকা খাবার হিসেবে খুব মানানসই।
কী এড়িয়ে চলা উচিত
- উপোসের পর খুব ভারী, মশলাদার বা তেলেভাজা খাবার একসঙ্গে বেশি খাওয়া উচিত নয়।
- ঝাল-মশলা বা অতিরিক্ত মিষ্টি হজমে সমস্যা করতে পারে।
- প্রচুর ঠান্ডা পানীয় বা কোল্ড ড্রিঙ্ক না খেয়ে লেবুর শরবত বা নারকেলের পানি খাওয়াই ভালো।