ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে আসার জন্য আবেদনকারী বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম যাচাই বাধ্যতামূলক করছে। এটি আগের চেয়ে আরো ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা হতে পারে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার জারি করা তারবার্তার বরাত দিয়ে পলিটিকো বলছে, তারবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর স্বাক্ষর রয়েছে। এই নতুন যাচাই প্রক্রিয়ার প্রস্তুতির জন্য মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলার বিভাগগুলোকে নতুন শিক্ষার্থীদের ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ব্যাপকভাবে ধীর হয়ে যেতে পারে। আর্থিকভাবে বিদেশী শিক্ষার্থীদের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল এমন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
পলিটিকোর দাবি তারবার্তায় বলা হয়েছে, ‘সামাজিক মাধ্যম স্ক্রিনিং ও যাচাই প্রক্রিয়া সম্প্রসারণের প্রস্তুতির জন্য এখন থেকেই কনস্যুলার বিভাগগুলোকে শিক্ষার্থী ও এক্সচেঞ্জ ভিজিটর ভিসার জন্য নতুন কোনো সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ বন্ধ রাখতে হবে। নতুন নির্দেশনা আসা পর্যন্ত এ ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে।’
এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম স্ক্রিনিং নীতি চালু করেছিল। তবে সেগুলো মূলত ফিরে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য ছিল। যারা গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়।
ভবিষ্যতে কী ধরনের সামাজিক মাধ্যম যাচাই করা হবে তা স্পষ্ট করে বলা না হলেও পলিটিকো বলছে, তারবার্তায় সন্ত্রাসবাদ ও ইহুদি-বিরোধিতা রোধের লক্ষ্যে জারি করা নির্বাহী আদেশের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।