ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চেয়ে ট্রাম্প বললেন, ‘খামেনিকে এখনই হত্যা নয়’

‘আপাতত’ ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা নেই।

ট্রাম্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লেখেন, ‘আমরা জানি তথাকথিত সুপ্রিম লিডার কোথায় লুকিয়ে আছেন।‘ তিনি আরো লেখেন, ‘আমরা তাকে মেরে ফেলছি না, অন্তত এখনই না। কিন্তু আমাদের ধৈর্য ফুরিয়ে আসছে।‘ এর তিন মিনিট পর ট্রাম্প আরো একটি পোস্টে লেখেন— ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ!’

ইসরায়েল ও ইরান পরস্পরের ওপর বুধবার (১৮ জুন) নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। টানা ছয় দিন ধরে চলতে থাকা এই সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি করেছেন। খবর রয়টার্স।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, বুধবার ভোররাতের প্রথম দুই ঘণ্টায় ইরান তাদের দিকে দুটি ব্যারেজে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। তেল আবিব শহরের আকাশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তেহরান সংলগ্ন এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইরানের সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালানোর লক্ষ্য আইডিএফের। ইরানি সংবাদমাধ্যম জানায়, রাজধানী তেহরান ও পাশের কারাজ শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

এর মধ্যে মঙ্গলবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ধৈর্য ফুরিয়ে আসছে। তিনি জানান, ‘আপাতত’ ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা নেই। তবে তার কথায় আগ্রাসী মনোভাব স্পষ্ট ছিল।

ট্রাম্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লেখেন, ‘আমরা জানি তথাকথিত সুপ্রিম লিডার কোথায় লুকিয়ে আছেন।‘ তিনি আরো লেখেন, ‘আমরা তাকে মেরে ফেলছি না, অন্তত এখনই না। কিন্তু আমাদের ধৈর্য ফুরিয়ে আসছে।‘ এর তিন মিনিট পর ট্রাম্প আরো একটি পোস্টে লেখেন— ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ!’

হোয়াইট হাউস জানায়, মঙ্গলবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের কথাবার্তায় দ্ব্যর্থকতা ও অসঙ্গতি থাকায় সংকট ঘিরে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। তিনি কখনো সামরিক হুমকি দিয়েছেন, আবার কখনো কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের বিদেশনীতি নিয়ে এ ধরনের কথা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনেকটাই পরিচিত।

আরও