ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের কথা ভাবছেন ট্রাম্প

৮ আপডেট
  • ১ এপ্রিল, ২০২৬

    একযোগে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি, অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা আইআরজিসির

    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের সর্বশেষ হামলায় অন্তত ১০০টির বেশি ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও আক্রমণ ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে নিক্ষেপ করা হয়েছে অন্তত ২০০টি রকেট। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    আইআরজিসির দাবি, এসব হামলায় ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু ছাড়াও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো টার্গেট করা হয়েছে। এর মধ্যে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর একটি ঘাঁটি এবং কুয়েতের আল-আদিরি ঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন হেলিকপ্টার ইউনিটের ওপর আঘাত হানার কথা বলা হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, ওই হামলায় একটি হেলিকপ্টার ধ্বংস হয়েছে।

    বিবৃতিতে আইআরজিসি আরো জানায়, এ সামরিক অভিযান ‘পূর্ণ তীব্রতা ও শক্তি’ নিয়ে অব্যাহত থাকবে। তারা বলছে, ইরান ও তাদের মিত্র ‘রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ সমন্বিতভাবে এসব হামলা পরিচালনা করছে।

  • ১ এপ্রিল, ২০২৬

    ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের কথা ভাবছেন ট্রাম্প

    মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ ইঙ্গিত দিয়েছেন।

    সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ন্যাটো জোটকে ‘কাগুজে বাঘ’ হিসেবে অভিহিত করে জানান, তিনি কখনোই এই জোটে আস্থাশীল ছিলেন না। তার ভাষায়, আমি কখনো ন্যাটো দ্বারা প্রভাবিত হইনি। আমি সবসময় জানতাম এটি একটি কাগুজে বাঘ এবং পুতিনও তা জানেন।

    মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো সদস্যপদ পুনর্বিবেচনা করবেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, অবশ্যই, আমি বলব বিষয়টি পুনর্বিবেচনারও বাইরে চলে গেছে।

    এ সময় যুক্তরাজ্যের সামরিক সক্ষমতা নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাজ্যের কার্যকর নৌবাহিনী নেই এবং তাদের বিমানবাহী রণতরীগুলো সঠিকভাবে কাজ করে না। ‘তোমাদের তো নৌবাহিনীই নেই। তোমরা অনেক পুরোনো এবং যেসব বিমানবাহী রণতরী আছে, সেগুলোও কাজ করে না’—এভাবে যুক্তরাজ্যের যুদ্ধজাহাজ বহর নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি।

  • ১ এপ্রিল, ২০২৬

    যুদ্ধে প্রতিদিন ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেলের সরবরাহ ব্যাহত: আইইএ প্রধান

    চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরোল। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, মার্চের তুলনায় এপ্রিল মাসে এই সরবরাহ বিঘ্নের প্রভাব দ্বিগুণ হতে পারে এবং খুব শিগগিরই ইউরোপেও এর প্রভাব দৃশ্যমান হবে।

    নরওয়ের সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের প্রধান নিকোলাই ট্যাঙ্গেনের সঙ্গে এক পডকাস্টে আলাপকালে বিরোল বলেন, চলমান যুদ্ধ ইতোমধ্যে আঞ্চলিকভাবে প্রায় ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এর ফলে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হয়েছে জেট ফুয়েল ও ডিজেলের ঘাটতিকে কেন্দ্র করে। এ সংকট ইতোমধ্যে এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে অনুভূত হচ্ছে। তবে এপ্রিল বা মে মাসের মধ্যে ইউরোপেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

  • ১ এপ্রিল, ২০২৬

    জ্বালানি তেলের দাম নামল ১০০ ডলারের নিচে

    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রশমনের নতুন আশাবাদের প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলের বাজারে। আজ অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। একইসঙ্গে এশিয়ার শেয়ারবাজারে বড় ধরনের উত্থান দেখা গেছে।

    অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক আদর্শ ব্রেন্টের দাম ৪ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ব্যারেল ৯৯ ডলার ৫ সেন্টে নেমে এসেছে। অন্যদিকে মার্কিন মানদণ্ড ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৯৭ ডলার ৩৩ সেন্টে।

    দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ারবাজার সূচক কসপি সপ্তাহের শুরুতে হওয়া ক্ষতি কাটিয়ে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। জাপানে নিক্কেই ২২৫ সূচক বেড়েছে ৫ দশমিক ২ শতাংশ। হংকংয়ের হ্যাং সেং সম্প্রসারিত হয়েছে ২ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে চীনের মূল ভূখণ্ডের সাংহাই কম্পোজিট সূচক ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।

    সূত্র: এপি

  • ১ এপ্রিল, ২০২৬

    শর্ত মানলে সংঘাত অবসানে ‘সদিচ্ছা’ রয়েছে, জানালেন ইরানি প্রেসিডেন্ট

    ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার জন্য ‘সদিচ্ছা’ রয়েছে ইরানের।

    যুদ্ধ শেষ করার 'সদিচ্ছা'র দাবির সঙ্গে কঠোর শর্তও জুড়ে দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে ভবিষ্যতে পুনরায় কোনো সংঘাত শুরু হবে না এমন নিশ্চয়তা দাবি করছেন পেজেশকিয়ান।

    গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫-দফার শান্তি পরিকল্পনার জবাবে ইরান যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল, তাতেও 'আগ্রাসনবিরোধী নিশ্চয়তা'র বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    সূত্র: বিবিসি

  • ১ এপ্রিল, ২০২৬

    ইরানের নতুন নেতারা ‘কম উগ্র’ ও ‘বেশি যুক্তিসঙ্গত’: ট্রাম্প

    হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান বন্ধ হতে পারে। দুই বা তিন সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হতে পারে।

    এ সময় তিনি জানান, ইরানের নতুন নেতারা আগের তুলনায় ‘কম উগ্র’ এবং ‘আরো বেশি যুক্তিসঙ্গত’ আচরণ করছে।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এদিন নিহত হন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। এরপর একাধিক শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক ইরানি কর্মকর্তা নিহন হন মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায়।

    গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, গত মাসের শেষ দিকে ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যে হামলা চালিয়েছিল, সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সক্ষমতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছিল। তা অর্জিত হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছানোয় তারা এখন এই যুদ্ধ শেষ করার কথা ভাবছে।

    ইরান হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করায় জ্বালানি সংকটে পড়েছে বিশ্ব। ছবি: রয়টার্স

    ট্রাম্প আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের আকাশসীমায় আধিপত্য বিস্তার করেছে এবং অনেক শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাকে হত্যার মাধ্যমে শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তনও ঘটিয়েছে। তিনি তেহরানের নতুন নেতাদের 'আগের তুলনায় কম উগ্র' এবং 'আরও যুক্তিসঙ্গত' বলে বর্ণনা করেন।

    তার দাবি, ইরানের নেতারা যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি করার জন্য 'অনুনয় বিনয় করছে’, যদিও ইরান আগেই এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

    ট্রাম্প অবশ্য এও বলেছেন যে, দুই পক্ষের মধ্যে কোনো চুক্তি ছাড়াও এই যুদ্ধ শেষ হতে পারে।

    যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক কার্যক্রম শেষ করলেই দাম কমে আসবে।

    এদিকে ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, যুদ্ধ শেষ হওয়া নিয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি অনেকটাই দৃশ্যমান।

    সূত্র: বিবিসি

  • ১ এপ্রিল, ২০২৬

    মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ ইরানি নার্স নিহত

    সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ১০ জন ইরানি নার্স নিহত হয়েছেন।

    সংস্থাটি বলছেন, এ চিকিৎসাকর্মীরা নিজেদের কর্মস্থলেই নিহত হন। তবে এসব হত্যাকাণ্ড সত্ত্বেও ইরানে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি এবং তা স্বাভাবিকভাবেই চলছে।

    এ বিষয়ে নার্সিং সিস্টেম অর্গানাইজেশনের মহাপরিচালকের উদ্ধৃতি দিয়েছে সংবাদ সংস্থাটি।

    সূত্র: আল জাজিরা

  • ১ এপ্রিল, ২০২৬

    দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরান যুদ্ধ শেষ করার প্রত্যাশা ট্রাম্পের

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যেই ইরানে সামরিক হামলার ইতি টানতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে তিনি জানান, এ সংঘাত কমাতে তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি বাধ্যতামূলক নয়।

    ২৮ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ যুদ্ধ শুরু হয়। পঞ্চম সপ্তাহের এসে এমন মন্তব্য থেকে দেখা যাচ্ছে, যুদ্ধ নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান কিছুটা পরিবর্তনশীল এবং কখনো কখনো পরস্পরবিরোধী।

    হোয়াইট হাউজে গতকাল সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা খুব শিগগিরই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে যাব। দুই সপ্তাহের মধ্যে হতে পারে, হয়তো দুই বা তিন সপ্তাহ।’

    ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের এ সামরিক অভিযান শেষ করতে ইরানের সঙ্গে সফল কূটনৈতিক চুক্তি প্রয়োজন কি-না, এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, তা প্রয়োজন নেই।

    তিনি বলেন, ‘ইরানকে কোনো চুক্তি করতে হবে না। না, আমার সঙ্গে তাদের কোনো চুক্তি করতে হবে না।’

    এর আগে ওয়াশিংটন হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তেহরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৫ দফা যুদ্ধবিরতি কাঠামো মেনে না নেয়, তাহলে সামরিক অভিযান আরো জোরদার হবে। ওই প্রস্তাবের মূল দাবিগুলোর মধ্যে ছিল—ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা না করে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেয়।

    এর আগে গতকাল মার্কিন পিট হেগসেথ বলেন, হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি, অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধের বিস্তার, জ্বালানি সরবরাহে ব্যাঘাত এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরির এ যুদ্ধ শেষ করতে ইরানের সঙ্গে চুক্তি করতেও প্রস্তুত ট্রাম্প।

    তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, যুদ্ধবিরতির চুক্তি নিয়ে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের কাছ থেকে সরাসরি বার্তা পাচ্ছেন। কিন্তু সেগুলোকে আলোচনা বলা যায় না।

    সূত্র: রয়টার্স

লক্ষ্য অর্জিত না হলেও দ্রুত ইরান যুদ্ধের ইতি চান দুই-তৃতীয়াংশ মার্কিন: জরিপ

রয়টার্স ও গবেষণা সংস্থা ইপসোসের যৌথ জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নাগরিক মনে করেন, ইরান যুদ্ধ থেকে দ্রুত সরে আসা উচিত। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জিত না হলেও এমনটি প্রত্যাশা করেন তারা।

গত ২৭-২৯ মার্চ পর্যন্ত পরিচালিত জরিপে ৬৬ শতাংশ উত্তরদাতা এ মত দিয়েছেন। অন্যদিকে ২৭ শতাংশ বলেছেন, যুদ্ধ দীর্ঘ সময় চললেও যুক্তরাষ্ট্রের সব লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করা উচিত। ৬ শতাংশ এ প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতে নিহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। ছবি: রয়টার্স

জরিপে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান সমর্থকদের মধ্যেও মতভেদ দেখা গেছে। তাদের মধ্যে ৪০ শতাংশ দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার পক্ষে, যদিও এতে লক্ষ্য অপূর্ণ থেকে যেতে পারে। তবে ৫৭ শতাংশ দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততার পক্ষে মত দিয়েছেন।

এক মাস ধরে চলা এ যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে এবং মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

১ হাজার ২১ জনের ওপর পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, ৬০ শতাংশ উত্তরদাতা ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার বিরোধিতা করেছেন। বিপরীতে ৩৫ শতাংশ সমর্থন জানিয়েছেন।

যুদ্ধের সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রভাবগুলোর একটি হলো যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। মূল্য পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা গ্যাসবাডির তথ্যানুযায়ী, গত ৩০ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম প্রতি গ্যালনে ৪ ডলার ছাড়িয়েছে, যা তিন বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবার।

জরিপে অংশ নেয়া তিনজনের মধ্যে দুই মার্কিন মনে করেন, আগামী এক বছরে জ্বালানি তেলের দাম আরো বাড়বে। ৪০ শতাংশ রিপাবলিকান সমর্থকের ধারণা এমন।

আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের রিপাবলিকানদের ভোটারদের মুখোমুখি হতে হবে, যেখানে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে তাদের স্বল্প সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা নির্ভর করবে।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের অর্ধেকের বেশি মনে করেন, এ যুদ্ধ তাদের ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর মধ্যে ৩৯ শতাংশ রিপাবলিকানও রয়েছেন।

আরও