ইস্তানবুলে শান্তি আলোচনায় বসছে কিয়েভ-মস্কো

ইউক্রেনে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে শান্তি আলোচনায় বসবে কিয়েভ-মস্কো। আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় এ বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এ লক্ষ্যে ইউক্রেনের প্রতিনিধি দল তুরস্কের রাজধানী ইস্তানবুলে পৌঁছেছে। খবর বিবিসি।

ইউক্রেনে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে শান্তি আলোচনায় বসবে কিয়েভ-মস্কো। আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় এ বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এ লক্ষ্যে ইউক্রেনের প্রতিনিধি দল তুরস্কের রাজধানী ইস্তানবুলে পৌঁছেছে। খবর বিবিসি।

ইস্তানবুলে ইউক্রেনের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেক্সি রেজনিকভ এবং প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের প্রধান মিখাইল পোডোলিয়াক। তারা বলছেন, যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করাই তাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার হলো। যদিও এটি সম্ভব কিনা- তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

সম্প্রতি রুশ সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা এখন শুধু পূর্ব ইউক্রেনের দিকে নজর দিচ্ছে। কিন্তু কূটনীতিকরা বলছেন, সমগ্র ইউক্রেন দখল করা সম্ভব নয় এরই মধ্যে মস্কো তা বুঝতে পেরেছে। তাই এখন তারা রাজধানী কিয়েভ দখলের লক্ষ্য থেকে সরে এসেছে।

গত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বার সরাসরি এ আলোচনায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান নিজেই মধ্যস্থতা করবেন বলেই জানা গেছে।

ইস্তানবুলে এ শান্তি আলোচনার অন্যান্য সঙ্কটজনক ইস্যুগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইউক্রেনের পূর্বে বিচ্ছিন্নতাবাদী-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর ভাগ্য নির্ধারণ, ক্রাইমিয়া ইস্যু সমাধান- যা ২০১৪ সালে নিজেদের ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করেছিল রাশিয়া।

যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার দেওয়া শর্তের মধ্যে অন্যতম হল ইউক্রেনের নিরপেক্ষ অবস্থান। অর্থাৎ ন্যাটো বা ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) ঢোকার চেষ্টা করবে না তারা। সেই সঙ্গে পরমাণু শক্তিধর দেশ হওয়ার চেষ্টা করা যাবে না। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন যে, তিনি আপস করতে ইচ্ছুক। তারপরও মস্কোর ‘সমঝোতা সূত্র’ বুঝেশুনে সাবধানে এগোতে চান তিনি।

আরও