বৈরুতে হিজবুল্লাহর অবকাঠামোয় আক্রমণ শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী

নায়েনি বলেন, ‘এই যুদ্ধের শেষ কখন হবে তা আমরাই নির্ধারণ করব।‘

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জানি তোমাদের গোলাবারুদ ফুরিয়ে আসছে এবং তোমরা যুদ্ধ থেকে সম্মানজনকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজছ। কেন আমেরিকার জনগণকে সত্যটা বলছ না? ট্রাম্প চান না আমেরিকানরা জানুক যে পারস্য উপসাগর অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।‘

১৫ আপডেট
  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    ইরানকে ধ্বংসের অলীক স্বপ্ন দেখছেন হামলাকারীরা : প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

    যারা ইরানকে ধ্বংস করার স্বপ্ন দেখেন, তারা আসলে একটি ‘ভুল ধারণার’ মাঝে রয়েছেন বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ওই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এক্সে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ইতিহাসের কঠিন পথ পরিক্রমায় কোনও শক্তিই এই গৌরবময় নামটি (ইরান) মুছে ফেলতে পারেনি। যারা ইরানকে ধ্বংস করার মতো অলীক স্বপ্ন দেখছেন, তারা ইতিহাস সম্পর্কে কিছুই জানেন না।’ইরানের এ প্রেসিডেন্ট বলেছেন, হামলাকারীরা এসেছেন এবং চলেও গেছেন; কিন্তু ইরান টিকে আছে। ইরান অন্তত ৬ হাজার বছরের পুরনো এক সভ্যতার উত্তরাধিকারী।

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    বৈরুতে হিজবুল্লাহর অবকাঠামোয় আক্রমণ শুরু ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর

    বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে আক্রমণ শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচাই আদরাই এ দাবি করেছেন।

    সূত্র- আল জাজিরা

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    তুর্কি আকাশসীমা লঙ্ঘন নিয়ে ইরানকে আঙ্কারার হুঁশিয়ারি

    তুর্কি আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে অভিহিত করে ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। আল জাজিরার সূত্রমতে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

    তুর্কি জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গত সোমবার ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানায়। এরই প্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তার ইরানি প্রতিপক্ষকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই ধরনের লঙ্ঘন বন্ধে তুরস্ক প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দ্বিধা করবে না।

    এদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে আগের অবস্থানের পুনরাবৃত্তি করে আরাঘচি দাবি করেছেন যে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইরান থেকে নিক্ষেপ করা হয়নি। তিনি এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানবিরোধী যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো তুরস্কের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা ঘটল।

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    চীন, রাশিয়াসহ অনেক দেশ যুদ্ধবিরতির জন্য যোগাযোগ করছে, দাবি ইরানের

    চীন, রাশিয়া-সহ অনেক দেশ যুদ্ধবিরতির জন্য ইতোমধ্যে যোগাযোগ করেছে বলে দাবি করেছে ইরান। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি এক সাক্ষাৎকারে এ দাবি জানিয়েছেন। ইরানি বার্তাসংস্থা ইসনা নিউজ এজেন্সিকে দেয়া সেই সাক্ষাৎকারে ঘারিবাদি বলেন, `চীন, রাশিয়া-সহ অনেক দেশ ইতোমধ্যে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমরা তাদের বলেছি যে আমরাও যুদ্ধবিরতি চাই। তবে এক্ষেত্রে আমাদের প্রথম শর্ত হলো— আগ্রাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে আর কোনো হামলা চালাবে না— এ নিশ্চয়তা আমাদের দিতে হবে।'

    ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    ইরানের জন্য পুতিনের প্রস্তাবগুলো এখনো বহাল আছে: ক্রেমলিন

    ক্রেমলিন জানিয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ট্রাম্পের সঙ্গে গতকাল এক ফোনালাপে যুদ্ধ প্রশমন ও উত্তেজনা হ্রাসে মধ্যস্থতার জন্য বিভিন্ন বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন।

    সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সেই ফোনালাপে পুতিনের উত্থাপিত 'বিবেচনা' বা প্রস্তাবগুলোর সুনির্দিষ্ট বিবরণ দিতে অস্বীকার করেন। তবে তিনি জানান, প্রস্তাবগুলো এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে।

    পেসকভ বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে রাশিয়া তার পক্ষ থেকে সম্ভাব্য যেকোনো সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    ইরাকি আকাশসীমা বন্ধের মেয়াদ বাড়ল

    ইরাকি সিভিল এভিয়েশন অথরিটির একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইরাকের আকাশসীমা দিয়ে সমস্ত আসা-যাওয়া এবং উপর দিয়ে চলাচলকারী বিমানের জন্য এ আকাশসীমা বন্ধ রাখার মেয়াদ আরো ৭২ ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, সাময়িক সতর্কতামূলক ব্যবস্থাটি আজ দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়ে শুক্রবার একই সময় পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

    কর্তৃপক্ষ আরো বলেছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক ঘটনাগুলোর চলমান মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং যেকোনো নতুন পরিস্থিতির আলোকে এটি পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে।

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলায় ১৯৩ শিশু নিহত: ইরান

    ইরান সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেশটির মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ১৯৩ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে, যাদের মধ্যে আট মাস বয়সী এক শিশু কন্যাও রয়েছে।

    মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত শিশুদের প্রতিকৃতি সম্বলিত একটি বোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ফাতেমেহ মোহাজেরানি জানান, এ যুদ্ধে চার মাস বয়সী এক শিশুও আহত হয়েছে।

    ব্রিফিং চলাকালীন মোহাজেরানি স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা কেন্দ্রের ওপর হামলার বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, এ পর্যন্ত হামলায় ১১ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন।

    তিনি আরো জানান, ৫২টি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট, ২৯টি চিকিৎসা কেন্দ্র, ১৯টি জরুরি ইউনিট এবং ১৬টি অ্যাম্বুলেন্স হামলার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে চারটি অ্যাম্বুলেন্স এবং একটি উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    হামলা না থামা পর্যন্ত তেল অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ইরানের

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক হামলা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ‘এক লিটার তেলও’ রফতানি করতে দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অঞ্চল থেকে রফতানি বন্ধ রাখে, তবে তাদের ওপর আরো কঠোর সামরিক আঘাত হানা হবে।

    যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কোনো ট্যাংকার চলাচল করতে পারছে না, যার ফলে তেল উৎপাদনকারীরা তাদের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন এবং মজুত কেন্দ্রগুলো পূর্ণ হয়ে গেছে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির প্রতি দেশটির নিরাপত্তা কাঠামোর অটল সমর্থন এবং তাদের নমনীয় হতে অস্বীকৃতির খবরে বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

    ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক সক্ষমতার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তিনি যুদ্ধের সমাপ্তি নিয়ে আশাবাদী এবং তাদের প্রাথমিক চার সপ্তাহের সময়সীমার অনেক আগেই এই যুদ্ধ শেষ হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে ‘বিজয়’ বলতে তিনি ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট করেননি। এই পরস্পরবিরোধী সংকেতগুলোর কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং শেয়ার বাজারের সূচকে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা দিয়েছে।

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা অব্যাহত

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরান থেকে আসা বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করে যাচ্ছে। কুয়েতে ছয়টি ড্রোনকে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। এছাড়া বাহরাইনে একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একজন নারী নিহত হয়েছেন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় লক্ষ্য করা গেছে যে, এসব হামলা মূলত জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে। বাহরাইনের বাপকো তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি 'ফোর্স মেজ্যুর' বা অনিবার্য পরিস্থিতির ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়েছে। কারণ তারা এখন তাদের চুক্তিভিত্তিক বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে পারছে না। অন্যদিকে, সৌদি আরবের শায়বাহ তেলক্ষেত্রটিও হামলার শিকার হয়েছে।

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    তেহরানে ভয়াবহ বোমা হামলা: অন্তত ৪০ জন নিহত

    যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের রাজধানী তেহরানে সবচেয়ে তীব্র বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে। শহরের পূর্ব, দক্ষিণ এবং পশ্চিম প্রান্তজুড়ে চালানো এই হামলায় বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আমাদের দপ্তরের জানালার কাঁচ পর্যন্ত কেঁপে উঠেছে। ইরান সরকার হামলার সুনির্দিষ্ট স্থান বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ না করায় এবং সাংবাদিকদের দুর্ঘটনাস্থলে প্রবেশের অনুমতি না থাকায় সব তথ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

    সারাদিন ধরেই তেহরানের আশপাশের এলাকা ছাড়াও আহওয়াজ, ইসফাহান এবং রাজধানীর পশ্চিমে অবস্থিত কারাজ শহরেও হামলা অব্যাহত ছিল। কারাজের বিদ্যুৎ গ্রিডের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বোমা হামলার এই ঢেউ পুরো দেশজুড়েই ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু কী ছিল তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে ইসফাহানে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, গভর্নরের কার্যালয় এবং ইউনেস্কো স্বীকৃত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে।

    এদিকে, পূর্ব তেহরানের রিসালাত স্কয়ারের কাছে চালানো একটি হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বেসামরিক নাগরিক হতাহতের এই ঘটনা এখন একটি নিয়মিত চিত্রে পরিণত হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশটিতে এখন পর্যন্ত বেসামরিক নিহতের সংখ্যা ১,৩০০ ছাড়িয়ে গেছে।

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় পেলেন ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলার

    ইরানের নারী ফুটবল দলের পাঁচ সদস্যকে মানবিক ভিসা দিয়ে আশ্রয় দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। খেলার আগে জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাদের ‘যুদ্ধকালীন দেশদ্রোহী’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে তারা নিরাপত্তার জন্য দেশটিতে আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন।

    ক্যানবেরায় এক সংবাদ সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, ‘এই সাহসী নারীদের দুর্দশা অস্ট্রেলিয়ার জনগণকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। তারা এখন এখানে নিরাপদ এবং তাদের এখানে নিজেদের বাড়ির মতোই অনুভব করা উচিত।‘

    অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আশ্রয় পাওয়া এই পাঁচ খেলোয়াড় হলেন—দলের অধিনায়ক জাহরা ঘানবারি, মিডফিল্ডার ফাতেমেহ পাসান্দিদেহ, জাহরা সারবালি আলিশাহ, মোনা হামুদি এবং ডিফেন্ডার আতেফেহ রমাজানিজাদেহ।

    উল্লেখ্য, ইরানের এই দলটি বর্তমানে কুইন্সল্যান্ডে এএফসি (এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন) নারী এশিয়ান কাপ ২০২৬-এর জন্য অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছে। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানিয়েছেন, দলের বাকি সদস্যরা বর্তমানে গোল্ড কোস্টের একটি হোটেলে অবস্থান করছেন। তিনি দলের বাকি সদস্যদেরও অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    তেহরানে বিস্ফোরণ, আরো ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুমকি ইরানের

    গত কয়েক ঘণ্টা ধরে তেহরানে দফায় দফায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ঘরের জানালার কাঁচ পর্যন্ত কেঁপে ওঠছে এবং সারাদিন ধরেই এই পরিস্থিতি চলছে। প্রতি কয়েক ঘণ্টা পরপরই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। তবে এসব বিস্ফোরণের প্রভাব, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিংবা লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি, কারণ সরকার জনসমক্ষে এই হামলাগুলোর ফলাফল সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করছে না।

    হামলার এই পরিধি কেবল তেহরানেই সীমাবদ্ধ নয়; ইসফাহান এবং রাজধানীর পশ্চিমে অবস্থিত কারাজ শহরেও বিস্ফোরণ ঘটেছে। কারাজে হামলার পর বিদ্যুৎ পরিষেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। এছাড়া তেহরানের নিকটবর্তী একটি আবাসিক এলাকায় হামলায় অন্তত দশজনের প্রাণহানি ঘটেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

    অন্যদিকে, ইরানি বাহিনীও তাদের পাল্টা লড়াইয়ের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’ এর ৩৩তম ধাপ শুরু করেছে, যেখানে আগের চেয়ে অনেক বেশি ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ইরান ঘোষণা দিয়েছে যে, এখন থেকে তারা ১ হাজার কেজির (২,২০০ পাউন্ড) কম ওজনের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করবে না। এরই মধ্যে তারা ইসরায়েল এবং এই অঞ্চলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে এসব ভারী ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত হেনেছে।

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    সিরিয়ান সেনাবাহিনীর অবস্থানে হিজবুল্লাহর আর্টিলারি নিক্ষেপ

    সিরিয়ান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লেবাননের হিজবুল্লাহ বাহিনী দামেস্কের পশ্চিমে অবস্থিত সারাঘায়া শহরে তাদের অবস্থানের দিকে আর্টিলারি শেল নিক্ষেপ করেছে, রিপোর্ট করেছে সানা সংবাদ সংস্থা।

    সিরিয়ান সেনাবাহিনী বলেছে, ‘আমরা সিরিয়া-লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহ মিলিশিয়ার কাছে সহায়ক বাহিনী পৌঁছানোর খবর পেয়েছি এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করছি।‘

    তাদের বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘আমরা লেবানন সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে উপযুক্ত বিকল্পগুলো যাচাই করছি।‘

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলা

    আল জাজিরা আরবি জানিয়েছেন, গত কয়েক ঘণ্টায় দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর একাধিক হামলা হয়েছে। এর মধ্যে টায়ার জেলার মাজদাল শহর এবং নাবাতিয়েহ জেলার কাফর সাসির এলাকায় হামলার খবর রয়েছে।

    এর আগে জাতীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানায়, আনসারিয়া শহরের কাছে এবং বিন্ত জবেইল ও আইনাথার উপকণ্ঠে ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা হয়েছে।

    এনএনএ আরো জানায়, বিন্ত জবেইল জেলার দুটি এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন।

  • ১০ মার্চ, ২০২৬

    ইরান ও লেবানন থেকে ইসরায়েলে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ: ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম

    ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম চ্যানেল টুয়েলভের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যরাতের দিকে উত্তর ইসরায়েল লক্ষ্য করে ইরান ও লেবানন থেকে প্রায় ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে।

    এর আগে, ইরানের একটি হামলায় ইসরায়েলে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং হিজবুল্লাহর ছোড়া আগুনে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যুদ্ধের সময়সীমা নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাব দিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা নির্ধারণ করবে তেহরান, ওয়াশিংটন নয়। খবর আল জাজিরা।

আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েনি ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘মিথ্যা ছাড়া আর কিছু নয়’ বলে উল্লেখ করে বলেন, অপমানজনক পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ‘কৃত্রিম সামরিক সাফল্যের গল্প বানানোর চেষ্টা করছেন’।

তাসনিম সংবাদ সংস্থার উদ্ধৃতি অনুযায়ী নায়েনি বলেন, ‘এই যুদ্ধের শেষ কখন হবে তা আমরাই নির্ধারণ করব।‘

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জানি তোমাদের গোলাবারুদ ফুরিয়ে আসছে এবং তোমরা যুদ্ধ থেকে সম্মানজনকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজছ। কেন আমেরিকার জনগণকে সত্যটা বলছ না? ট্রাম্প চান না আমেরিকানরা জানুক যে পারস্য উপসাগর অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।‘

নায়েনি ট্রাম্পের সেই দাবিও অস্বীকার করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, যুদ্ধের শুরুর দিনের তুলনায় এখন আরো বেশি সংখ্যায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হচ্ছে এবং এগুলোর ওয়ারহেডের ওজন এক টনেরও বেশি।

তিনি আরো যোগ করেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত আগ্রাসী দেশগুলো ও তাদের মিত্রদের কাছে অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেলও রফতানি করতে দেবে না ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। তেল ও গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণের তাদের প্রচেষ্টা ‘সাময়িক ও ব্যর্থ’ হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

আরও