মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকরা আগাম ভোট দিতে শুরু করেছেন। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ব্যাংককে অবস্থিত দূতাবাসে থাইল্যান্ডে বসবাসকারী মিয়ানমারের নাগরিকরা আগাম ভোট দেন। খবর আরব নিউজ।
জান্তা সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বরের শেষের দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এরই মধ্যে হংকং, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশে অবস্থিত মিয়ানমার দূতাবাসে আগাম ভোট শুরু হয়েছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার সকালে ব্যাংকক দূতাবাসের আশপাশে পুলিশের সতর্ক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম দুই ঘণ্টায় বেশ কিছু ভোটার ভোট দিয়েছেন। তবে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
থাইল্যান্ডের শ্রম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংককে প্রায় পাঁচ লাখ নিবন্ধিত মিয়ানমারের নাগরিক বসবাস করছেন। আর আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার অনুমান, মিয়ানমারের প্রায় ৪১ লাখ নাগরিক থাইল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের অনেকেই যুদ্ধের সময় পালিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন ও অনুমোদন ছাড়াই বসবাস করছেন।
তবে ভোটের জন্য প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ফর্মে কতজন আবেদন করেছেন সে সম্পর্কে দূতাবাস কোনো তথ্য দিতে পারেনি। ফর্ম পূরণের শেষ সময়সীমা ছিল ১৫ অক্টোবর।
অন্যদিকে ক্ষমতাচ্যুত আইনপ্রণেতা, মানবাধিকার পর্যবেক্ষক ও জান্তাবিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠীরা এ নির্বাচনের সমালোচনা করছেন। তাদের মতে, এটি সামরিক শাসনের স্থায়ীতা ঢাকার একটি কৌশল।
এদিকে নির্বাচনের আগে নতুন আইন প্রণয়ন করেছে সামরিক সরকার। এ আইনের আওতায় নির্বাচনের সমালোচনা বা প্রতিবাদ করলে দশ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।