বৈরুতের সমুদ্রসৈকতে ইসরায়েলি ‘ডাবল-ট্যাপ’ হামলা: নিহত ৮

এটি ইসরায়েলের পরিকল্পিত হত্যা প্রচেষ্টা যা এমন এলাকায় চালানো হয়েছে যা সাধারণত সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হয় না।

লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় অন্তত ৩১ জন আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রথম হামলার পর যখন আতঙ্কিত মানুষ তাঁবু থেকে বেরিয়ে আসেন, ঠিক তখনই দ্বিতীয় হামলাটি চালানো হয়, যা ব্যাপক হতাহতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

লেবাননের রাজধানী বৈরুতের রামলেট আল-বাইদা সমুদ্রসৈকতে ইসরায়েলি বাহিনীর এক ভয়াবহ ‘ডাবল-ট্যাপ’ হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এই এলাকায় মূলত গৃহহীন ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো আশ্রয়ের খোঁজে তাঁবু গেড়ে অবস্থান করছিল। খবর আল জাজিরা।

লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় অন্তত ৩১ জন আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রথম হামলার পর যখন আতঙ্কিত মানুষ তাঁবু থেকে বেরিয়ে আসেন, ঠিক তখনই দ্বিতীয় হামলাটি চালানো হয়, যা ব্যাপক হতাহতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

লেবাননে চলমান এই সংঘাত এখন একটি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম এবং আল জাজিরার সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, এটি ইসরায়েলের পরিকল্পিত এক হত্যার প্রচেষ্টা ছিল, যা এমন এলাকায় চালানো হয়েছে যা সাধারণত সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হয় না এবং যেখানে আগে কোনো উচ্ছেদ নির্দেশিকাও দেয়া হয়নি। বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষ, যাদের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই, তারাই মূলত এই হামলার শিকার হয়েছেন।

বৈরুতের পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায়ও ইসরায়েলি বাহিনী তাদের আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে। আরামুন শহরে চালানো হামলায় আরো তিনজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। এছাড়া দির আন্তার এবং মারাকা-টায়ার সংযোগস্থলেও ইসরায়েলি বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে উদ্ধারকাজ এখনো চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে। একদিকে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার এই সংঘর্ষ, অন্যদিকে ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে চলমান বৃহত্তর যুদ্ধের আঁচ—সব মিলিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্য বর্তমানে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ এই আঞ্চলিক সংঘাতের যাঁতাকলে পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

আরও