গাজায় ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ এ রুবিও, ব্লেয়ার ও কুশনার

মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা এই উদ্যোগকে বিদেশী ভূখণ্ডে উপনিবেশিক শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

হোয়াইট হাউস জানায়, বোর্ডটির চেয়ারম্যান থাকবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে। এই বোর্ডের তত্ত্বাবধানে একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকার সাময়িকভাবে গাজা শাসন পরিচালনা করবে—এমনটাই বলা হয়েছে পরিকল্পনায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত গাজা শাসন পরিকল্পনার আওতায় গঠিত তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস। শুক্রবার প্রকাশিত তালিকায় রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। খবর রয়টার্স।

হোয়াইট হাউস জানায়, বোর্ডটির চেয়ারম্যান থাকবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে। এই বোর্ডের তত্ত্বাবধানে একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকার সাময়িকভাবে গাজা শাসন পরিচালনা করবে—এমনটাই বলা হয়েছে পরিকল্পনায়।

অক্টোবর মাসে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ট্রাম্পের এই পরিকল্পনায় সম্মতি দেয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদও গত নভেম্বরে একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে বোর্ড ও এর অধীনে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের অনুমোদন দেয়।

বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বিলিয়নিয়ার ও বিনিয়োগ নির্বাহী মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং ট্রাম্পের উপদেষ্টা রবার্ট গ্যাব্রিয়েল। সাবেক জাতিসংঘ মধ্যপ্রাচ্য দূত নিকোলাই ম্লাদেনভকে গাজার জন্য ‘হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ’ হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তবে সদস্যদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

এদিকে, মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা এই উদ্যোগকে বিদেশী ভূখণ্ডে উপনিবেশিক শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। টনি ব্লেয়ারের অন্তর্ভুক্তি নিয়েও সমালোচনা উঠেছে, বিশেষ করে ইরাক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তার ভূমিকার কারণে।

অক্টোবর থেকে কার্যকর যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় সহিংসতা পুরোপুরি থামেনি। এই সময়ে শতাধিক শিশুসহ অন্তত ৪৪০ ফিলিস্তিনি এবং তিন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আরও