ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি রফতানি বৈচিত্র্য

সারাহ কুক বলেন, ‘নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা উন্মোচনে, ব্যবসাবান্ধব সংস্কারে সহায়তা দিতে ও ব্রিটিশ ক্রেতাদের সঙ্গে উচ্চমানের বাংলাদেশি পণ্যের সংযোগ ঘটাতে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে।

রফতানি বৈচিত্র্য বাংলাদেশের জন্য টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি। ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিমের আওতায় কাপকেক এক্সপোর্টসের মতো কোম্পানিগুলো শূন্য শুল্কে যুক্তরাজ্যে পণ্য রফতানি করতে পারে। এতে পণ্যের দাম কমে যাওয়ায় যুক্তরাজ্যের ভোক্তারাও লাভবান হন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীর সঙ্গে যৌথভাবে এক কারখানা পরিদর্শনকালে আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী আজ ‘কাপকেক এক্সপোর্টস’ নামক একটি খেলনা (সফট টয়) উৎপাদনকারী কারখানা পরিদর্শন করেন। কারখানটি থেকে যুক্তরাজ্যে পণ্য রফতানি করা হয়।

পরিদর্শনকালে তারা খেলনা তৈরির প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেন ও প্রতিষ্ঠানটির কর্মী ও ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তারা বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের বৈচিত্র্য আনয়ন, যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রবেশের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।

সারাহ কুক বলেন, নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা উন্মোচনে, ব্যবসাবান্ধব সংস্কারে সহায়তা দিতে ও ব্রিটিশ ক্রেতাদের সঙ্গে উচ্চমানের বাংলাদেশি পণ্যের সংযোগ ঘটাতে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, নতুন পণ্যের রফতানিকারকরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নীতিগত ও প্রশাসনিক জটিলতার সম্মুখীন হন। পাশাপাশি নতুন বাজারে প্রবেশ করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই প্রেক্ষাপটে ব্যবসায়িক পরিবেশ সহজতর ও রফতানি সহজীকরণের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য সরকার বাংলাদেশ সরকারকে কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে রফতানি বৃদ্ধি ও বৈচিত্র্য আনয়নে সহায়তা অব্যাহত রাখবে। সেইসঙ্গে ব্রিটিশ ক্রেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশি রফতানিকারকদের সংযোগ ঘটাবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ২০২৫ সালের ১০ জুলাই যুক্তরাজ্য সরকার তাদের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম (ডিসিটিএস) সহজ করার ঘোষণা দিয়েছে। নতুন উদ্যোগের ফলে ‘রুলস অব অরিজিন’ বা উৎপত্তিস্থলের নিয়ম আরো সরল করা হয়েছে। যার ফলে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের জন্য যুক্তরাজ্যে পণ্য রফতানি আরো সহজ হবে।

আরও