সিরিয়াসহ আরো ৭ দেশের ওপর ট্রাম্পের পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা

এ নিষেধাজ্ঞা আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে সিরিয়াসহ বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান এবং ফিলিস্তিন ((প্যালেস্টাইন অথরিটি কর্তৃক ইস্যুকৃত ভ্রমণ নথিধারী)। একই সঙ্গে লাওস ও সিয়েরা লিওনের ক্ষেত্রে আংশিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আরো সাতটি দেশ যুক্ত করেছেন। নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে সিরিয়াসহ বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান এবং ফিলিস্তিন ((প্যালেস্টাইন অথরিটি কর্তৃক ইস্যুকৃত ভ্রমণ নথিধারী)। একই সঙ্গে লাওস ও সিয়েরা লিওনের ক্ষেত্রে আংশিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। খবর রয়টার্স।

হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, প্রেসিডেন্ট একটি ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছেন যার মাধ্যমে ‘স্ক্রিনিং, ভেটিং ও তথ্য বিনিময়ে গুরুতর ও স্থায়ী ঘাটতি রয়েছে—এমন দেশগুলোর নাগরিকদের প্রবেশে আরো কঠোর ও সম্প্রসারিত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, যাতে জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।‘

এ নিষেধাজ্ঞা আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

এই সিদ্ধান্ত এসেছে এমন এক সময়ে, যখন ট্রাম্প গত নভেম্বরে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে আলোচনার পর দেশটিকে সহায়তার অঙ্গীকার করেছিলেন। কিন্তু গত শনিবার সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও একজন দোভাষী নিহতের ঘটনায় ট্রাম্পের সুর বদলে যায়। তিনি এই হামলার বিরুদ্ধে ‘কঠোর প্রতিশোধ’ নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সিরিয়ার ক্ষেত্রে ভিসা মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার উচ্চ হারও নিষেধাজ্ঞার অন্যতম কারণ।

এছাড়া আরো ১৫টি দেশের ওপর আংশিক প্রবেশ সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে, যার মধ্যে নাইজেরিয়াও রয়েছে। নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের নিরাপত্তা নিয়ে ট্রাম্প আগেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। যদিও নাইজেরিয়া সরকার এসব অভিযোগকে পরিস্থিতির ভুল ব্যাখ্যা বলে দাবি করেছে।

আরও