ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনায় যুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী উল্লেখ করলেও তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই ইরানকে পারমাণবিক শক্তি বা অস্ত্র অর্জন করতে দেয়া হবে না।
ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত বার্ষিক করেসপন্ডেন্টস ডিনারে ভাষণ দেয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ মন্তব্য করেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানি প্রতিনিধিরা বর্তমানে আমাদের সাথে কথা বলছেন। তারা একটি চুক্তি করতে পারলে বেশ খুশিই হবে। তবে তারা এর জন্য এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত বলে আমার মনে হয় না। উপযুক্ত সময় না এলেও আমি তাদের বক্তব্য শুনতে ইচ্ছুক। তবে আমাদের মূল বার্তা স্পষ্ট—তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না।
মার্কিন সামরিক অভিযানের ফলে ইরানের প্রতিরক্ষা অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দাবি করে ট্রাম্প বলেন, আমরা ইরানের ওপর সামরিকভাবে কঠোর আঘাত হেনেছি। এতে তাদের নৌ ও বিমানবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। তাদের প্রায় ২৫০টি যুদ্ধবিমান ও ১৫৯টি নৌযান এখন সাগরের তলদেশে।
ইরানের বর্তমান সামরিক সক্ষমতার চিত্র তুলে ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরো দাবি করেন, দেশটির রাডার ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পড়েছে এবং তাদের ড্রোনের মজুদও এখন শেষ পর্যায়ে। বিচ্ছিন্ন কিছু সামরিক প্রস্তুতি দেখা গেলেও কৌশলগতভাবে ইরান এখন বেশ দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।
তেহরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রসঙ্গে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই—ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেয়া যাবে না। কারণ এ ধরনের মারণাস্ত্র হাতে পেলে তারা তা ব্যবহারে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না।