সোরোকা হাসপাতালে হামলার দায় স্বীকার, ইসরায়েলকে চূর্ণ করার হুঁশিয়ারি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

আরাগচি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী অব্যাহতভাবে আঘাত হানবে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর যারা আমাদের জনগণের ওপর হামলা চালাচ্ছে। তিনি ইসরায়েলি সাধারণ নাগরিকদের সামরিক স্থাপনা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।

ইসরায়েলের সোরোকা হাসপাতালের নিকটে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, আমাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল একটি সামরিক ও গোয়েন্দা কেন্দ্র, যা হাসপাতালের নিকটবর্তী এলাকায় অবস্থিত।

তিনি দাবি করেন, এতে হাসপাতালের মাত্র একটি ছোট অংশে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হাসপাতালটি প্রায় পুরোপুরি খালি করে ফেলা হয়েছিল। আরাগচির ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালটি মূলত গাজা যুদ্ধ থেকে ফেরা ইসরায়েলি সেনাদের চিকিৎসা দেয়ার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। খবর আল জাজিরা।

আরাগচি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী অব্যাহতভাবে আঘাত হানবে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর যারা আমাদের জনগণের ওপর হামলা চালাচ্ছে। তিনি ইসরায়েলি সাধারণ নাগরিকদের সামরিক স্থাপনা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।

তবে এ ঘটনার ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন সোরোকা হাসপাতালের মহাপরিচালক শ্লোমি কোদেশ। তার ভাষ্যমতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি হাসপাতালের একটি পুরনো সার্জারি ওয়ার্ডে আঘাত হানে, যার ফলে হাসপাতাল চত্বর ও আশপাশে ‘ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ’ ঘটে। এতে কয়েকজন সামান্য আহত হন।

হামলার পরের ছবিতে দেখা যায়, হাসপাতালের একাংশে জানালাগুলো উড়ে গেছে। দেয়াল ভেঙে পড়েছে এবং আশপাশের ভবনজুড়ে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে।

সোরোকা হাসপাতাল দক্ষিণ ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যকেন্দ্র, যার শয্যাসংখ্যা এক হাজারেরও বেশি। এটি ১০ লাখের বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতি বছর তারা অন্তত ১৫ হাজার ক্যান্সার রোগীকে সেবা দেয়।

আরও