নিউজিল্যান্ডে মানুষ ও ভেড়ার অনুপাত ১৭০ বছরে সর্বনিম্ন

লর্ড অব দ্য রিংস ও জেসিন্ডা আর্ডেনের পর নিউজিল্যান্ডের নামের পাশে সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে রয়েছে ভেড়ার নাম। এ নিয়ে কৌতুকেরও কমতি নেই। তবে সাম্প্রতিক জরিপে উঠে এসেছে আশঙ্কাজনক তথ্য। দেশটিতে দ্রুত গতিতে কমে যাচ্ছে ভেড়ার সংখ্যা

লর্ড অব দ্য রিংস ও জেসিন্ডা আর্ডেনের পর নিউজিল্যান্ডের নামের পাশে সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে রয়েছে ভেড়ার নাম। এ নিয়ে কৌতুকেরও কমতি নেই। তবে সাম্প্রতিক জরিপে উঠে এসেছে আশঙ্কাজনক তথ্য। দেশটিতে দ্রুত গতিতে কমে যাচ্ছে ভেড়া। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

জরিপ অনুসারে, জনপ্রতি ভেড়ার সংখ্যা ১৭০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। প্রতি ব্যক্তির বিপরীতে পাঁচের কম। ১৮৫০ সালের দিকে জাতীয় জনসংখ্যা গণনার পর এই অনুপাত সর্বনিম্ন। ওই বছরই প্রথমবার নিউজিল্যান্ডে ভেড়াশুমারি হয়।

আশির দশকেও জনপ্রতি ২২টি ভেড়া ছিল। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক পশমের বাজারে ধস ও জমির ব্যবহারে বনায়ন জনপ্রিয় হয়ে উঠায় ভেড়া পালনে অনীহা তৈরি হয়। ২০২২ সালের জুনের হিসাবে এই সংখ্যা ছিল দুই কোটি ৫৩ লাখ। বিপরীতে মোট জনসংখ্যা ৫১ লাখ ৫০ হাজার।

অবশ্য মাথাপিছু ভেড়ার সংখ্যায় নিউজিল্যান্ডের অবস্থান এখানো অস্ট্রেলিয়ার আগে। অস্ট্রেলিয়ায় ভেড়ার সংখ্যা নিউজিল্যান্ডের তুলনায় তিনগুণ বেশি। কিন্তু প্রতি নাগরিকের বিপরীতে মাত্র তিনটি।

গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে ভেড়ার সংখ্যা। ২০১৩ থেকে ২০২১ সময়ের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের পশমের রফতানি মূল্য নেমে এসেছে অর্ধেকে। খামারিরা ক্রমেই ঝুঁকে পড়ছে বনায়নের দিকে।

গত বছরের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৭ সালের পর থেকে এক লাখ ৭৫ হাজার হেক্টর জমির হাতবদলের পর বনায়নে ব্যবহৃত হচ্ছে। অথচ এসব ভূমি আগে গরু বা ভেড়ার খামার হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

আরও