ভারতের সঙ্গে কোনো বাণিজ্য আলোচনা নয়: ট্রাম্প

হোয়াইট হাউজের দাবি, রাশিয়া থেকে সরাসরি বা মধ্যবর্তী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমদানীকৃত জ্বালানি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অস্বাভাবিক ও চরম মাত্রায় ঝুঁকি তৈরি করছে, যা জরুরি অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণকে ন্যায্যতা দিচ্ছে। দেশটির ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম দফায় আরোপিত ২৫ শতাংশ শুল্কহার ৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে। বর্ধিত শুল্ক ২১ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে, যদিও পরিবহন ও নির্দিষ্ট কিছু ক্যাটাগরির পণ্য এর আওতামুক্ত থাকবে

ভারতের সঙ্গে চলমান শুল্ক বিতর্কের অবসান না হওয়া পর্যন্ত কোনো বাণিজ্য আলোচনা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার প্রশাসন সম্প্রতি ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত শুল্কহার বাড়িয়ে দ্বিগুণ করেছে, যা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনাকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে। ওভাল অফিসে এএনআইর এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, না, এটা (বাণিজ্য আলোচনা) হবে না যতক্ষণ না বিষয়টি মীমাংসিত হয়। খবর এনডিটিভি।

এর আগে বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজে এক নির্বাহী আদেশ জারি করে ভারতীয় পণ্যের ওপর অতিরিক্ত আরো ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে ভারতের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত শুল্কের হার দাঁড়ায় ৫০ শতাংশ। ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, ভারতের রুশ জ্বালানি তেল আমদানিকে কেন্দ্র করে জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির ঝুঁকি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

হোয়াইট হাউজের দাবি, রাশিয়া থেকে সরাসরি বা মধ্যবর্তী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমদানীকৃত জ্বালানি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অস্বাভাবিক ও চরম মাত্রায় ঝুঁকি তৈরি করছে, যা জরুরি অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণকে ন্যায্যতা দিচ্ছে। দেশটির ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম দফায় আরোপিত ২৫ শতাংশ শুল্কহার ৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে। বর্ধিত শুল্ক ২১ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে, যদিও পরিবহন ও নির্দিষ্ট কিছু ক্যাটাগরির পণ্য এর আওতামুক্ত থাকবে।

মার্কিন প্রশাসনের এ চাপ নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ‘আমাদের কাছে কৃষকদের স্বার্থই আগে। ভারতের কৃষক, জেলে ও দুগ্ধ খাতের স্বার্থে আমরা কখনোই আপস করবো না। এর জন্য যদি মূল্য চুকাতেও হয়, আমরা প্রস্তুত। ভারত প্রস্তুত।’

আরও