অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবেনিজ ও তার মন্ত্রিসভা মঙ্গলবার (১৩ মে) দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নিয়েছেন। সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তার নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি ঐতিহাসিক জয় পায়। ১৯০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটিকে মধ্য-বামদের সবচেয়ে বড় বিজয় বলে দাবি করেছেন অ্যালবেনিজ। খবর রয়টার্স।
৩ মে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতি ভোটারদের ক্ষোভকে পুঁজি করে লেবার পার্টি নাটকীয়ভাবে জয় ছিনিয়ে আনে। এ নির্বাচনে বিরোধী ডানপন্থী লিবারেল পার্টির নেতা পিটার ডাটন নিজ আসন হারান। দলের নতুন নেতা নির্বাচিত হয়েছেন স্যুসান লে। ফেডারেল পর্যায়ে লিবারেল পার্টিতে এটিই প্রথম নারী নেতৃত্ব।
সিডনি ও মেলবোর্নে টানা দুই নির্বাচনে জলবায়ু পরিবর্তন ও নারী অধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়া স্বাধীন নারী প্রার্থীদের কাছে পরাজিত হয় লিবারেল প্রার্থীরা।
অস্ট্রেলিয়ান নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ফল এখনো ঘোষণা না হলেও লেবার জানিয়েছে, ১৫০ আসনের প্রতিনিধি পরিষদে তারা অন্তত ৯৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। এটি অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে লেবার পার্টির সবচেয়ে বড় সংসদীয় জয়।
ক্যানবেরার গভর্নর জেনারেল স্যাম মোস্টিনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা। অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যমন্ত্রী পদে পরিবর্তন না আসলেও নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হয়েছেন মিশেল রোল্যান্ড, পরিবেশমন্ত্রী হয়েছেন মারি ওয়াট, আর সমাজকল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন তানিয়া প্লিবারসেক।
অ্যালবেনিজ বুধবার ইন্দোনেশিয়া সফরে যাচ্ছেন এবং রোমে পোপ লিও চতুর্দশের অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এ সময় তিনি ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লায়েনসহ অন্য নেতাদের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় বসবেন।