কঙ্গোয় ছড়িয়ে পড়া বিরল ‘বুন্ডিবুগিও’ ভ্যারিয়েন্টের ইবোলা মোকাবেলায় কার্যকর ভ্যাকসিন তৈরিতে আরো ৬ থেকে ৯ মাস সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এরই মধ্যে দেশটিতে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। খবর বিবিসি।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, বুন্ডিবুগিও ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে দুটি সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে। তবে এখনো কোনোটিই মানবদেহে পরীক্ষামূলক ধাপ শেষ করতে পারেনি।
সংস্থাটির উপদেষ্টা ভাসি মূর্তি বলেন, এর মধ্যে একটি বর্তমানে ব্যবহৃত ইবোলা ভ্যাকসিনের মতো কাজ করতে পারে। আরেকটি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের প্রযুক্তিতে তৈরি হলেও এর কার্যকারিতা এখনো নিশ্চিত নয়।
ডব্লিউএইচও প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০টি সন্দেহভাজন সংক্রমণ ও ১৩৯টি সন্দেহভাজন মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। কঙ্গোতে ৫১টি এবং উগান্ডায় দুটি সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। আক্রান্তদের একজন মারা গেছেন।
গত রোববার আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেও এটিকে এখনো মহামারি পর্যায়ের সংকট হিসেবে দেখছে না ডব্লিউএইচও। সংস্থাটি বলছে, জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ঝুঁকি বেশি হলেও বৈশ্বিক ঝুঁকি এখনো কম।
সংক্রমণের কেন্দ্র পূর্ব কঙ্গোর ইতুরি ও উত্তর কিভু প্রদেশ। স্থানীয় হাসপাতালগুলো রোগীতে ভরে গেছে বলে জানিয়েছে এমএসএফ। অনেক স্বাস্থ্যকর্মীও পর্যাপ্ত সুরক্ষা ছাড়াই কাজ করছেন।
ব্রিটেন প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় দুই কোটি পাউন্ড সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। ১৯৭৬ সালে প্রথম কঙ্গোতে ইবোলা শনাক্ত হয়। বর্তমানে দেশটি ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা করছে।