ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পাকিস্তানের করাচিতে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ মিছিলে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পাকিস্তানের এধি রেসকিউ সার্ভিসের তথ্যমতে, মাই কোলাচি রোডে অবস্থিত মার্কিন কূটনৈতিক মিশনের সামনে ছড়িয়ে পড়া এই দাঙ্গায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন এবং আরো বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরা।
করাচির সিভিল হাসপাতালের পুলিশ সার্জন ড. সুমাইয়া সৈয়দ নিশ্চিত করেছেন যে, হাসপাতালটিতে ছয়টি মরদেহ আনা হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।
রোববার সকালে শত শত বিক্ষোভকারী মার্কিন কনস্যুলেট ভবন লক্ষ্য করে অগ্রসর হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রতিবাদকারীরা মার্কিন কনস্যুলেট ভবন দখলের চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো টিয়ারশেল নিক্ষেপ এবং লাঠিচার্জ শুরু করলে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা। বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেটের জানালা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের দফায় দফায় সংঘর্ষ বাড়ে।
এ উত্তেজনার মুখে সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লানজার করাচির অতিরিক্ত আইজিপির কাছে ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, কাউকেই আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেয়া হবে না এবং সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা আরো জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেছেন, যারা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে পুরো এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।