যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আরো ৩৬টি দেশকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে। এই নিষেধাজ্ঞা আংশিক বা পূর্ণরূপে কার্যকর হতে পারে যদি সংশ্লিষ্ট দেশগুলো আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত মার্কিন নিরাপত্তা মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের হাতে আসা একটি গোপন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের স্মারক অনুসারে এই তথ্য জানায় রয়টার্স।
এই মাসের শুরুতে ট্রাম্প একটি রাষ্ট্রপতি ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন, যার ফলে ১২টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ হয়। তিনি জানান, এই পদক্ষেপ দেশকে ‘বিদেশী সন্ত্রাসী’ এবং অন্যান্য জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য প্রয়োজনীয়।
নতুনভাবে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা ৩৬টি দেশের তালিকা—
আফ্রিকা: দেশ অ্যাঙ্গোলা, বেনিন, বুরকিনা ফাসো, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, আইভরি কোস্ট, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, জিবুতি, ইথিওপিয়া, মিশর, গ্যাবন, গাম্বিয়া, ঘানা, লাইবেরিয়া, মালাউই, মৌরিতানিয়া, নাইজার, নাইজেরিয়া, সাও টোমে ও প্রিন্সিপে, সেনেগাল, দক্ষিণ সুদান, তানজানিয়া, উগান্ডা, জাম্বিয়া, জিম্বাবুয়ে।
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল: ভুটান, কম্বোডিয়া, কিরগিজস্তান, সিরিয়া, টোঙ্গা, টুভালু, ভানুয়াতু।
ক্যারিবিয়ান রাষ্ট্র: অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, ডোমিনিকা, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট লুসিয়া।
এই উদ্যোগ হলে চলতি মাসে কার্যকর হওয়া নিষেধাজ্ঞার তুলনায় এটি হবে বহুল বিস্তৃত ও কড়া। এরইমধ্যে ১২টি দেশে পুরোপুরি ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেগুলো হল: আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান এবং ইয়েমেন।
আংশিক নিষেধাজ্ঞার মুখে রয়েছে আরো ৭টি দেশ: বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান এবং ভেনেজুয়েলা।