তুরস্কে ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রাণহানি, ধসে পড়ল একাধিক ভবন

ভূমিকম্পের পর একাধিক আফটারশক হয়েছে, যার মধ্যে একটি ছিল ৪ দশমিক ৬ মাত্রার।

ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র ছিল সিনদিরগি শহরে। এর ধাক্কা প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরের ইস্তানবুল পর্যন্ত অনুভূত হয়েছে। তুরস্কের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী আলি ইয়েরলিকায়া বলেন, মোট ১৬টি ভবন ধসে পড়েছে — যেগুলোর বেশিরভাগই জরাজীর্ণ ও অব্যবহৃত ছিল। দুটি মসজিদের মিনারও ধসে পড়েছে। আহতদের কেউই গুরুতর অবস্থায় নেই বলে তিনি জানান।

তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বালিকেসির প্রদেশে রোববার (১০ আগস্ট) ৬ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত একজন নিহত এবং ডজনখানেক ভবন ধসে পড়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ২৯ জন। খবর এপি।

ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র ছিল সিনদিরগি শহরে। এর ধাক্কা প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরের ইস্তানবুল পর্যন্ত অনুভূত হয়েছে। তুরস্কের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী আলি ইয়েরলিকায়া সাংবাদিকদের জানান, সিনদিরগিতে ধসে পড়া একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়ার পরপরই এক বৃদ্ধা মারা যান। একই ভবন থেকে আরো চারজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

ইয়েরলিকায়া বলেন, মোট ১৬টি ভবন ধসে পড়েছে — যেগুলোর বেশিরভাগই জরাজীর্ণ ও অব্যবহৃত ছিল। দুটি মসজিদের মিনারও ধসে পড়েছে। আহতদের কেউই গুরুতর অবস্থায় নেই বলে তিনি জানান।

টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবনের কোনো চিহ্ন পাওয়ার জন্য নীরবতা বজায় রাখতে অনুরোধ করছেন।

তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর একাধিক আফটারশক হয়েছে, যার মধ্যে একটি ছিল ৪ দশমিক ৬ মাত্রার। তারা নাগরিকদের ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে প্রবেশ না করার পরামর্শ দিয়েছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এক বিবৃতিতে ক্ষতিগ্রস্ত সকল নাগরিকের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

তুরস্ক বড় ভূমিকম্প প্রবণ ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত এবং সেখানে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। ২০২৩ সালে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে তুরস্কে ৫৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল এবং ১১টি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব প্রদেশে শত শত হাজার ভবন ধসে পড়েছিল বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। প্রতিবেশী সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলেও সেবার প্রায় ৬ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল।

আরও